জানুয়ারি থেকে বিনা খরচে প্রাথমিকে ভর্তি

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ঢাকাসহ সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক স্কুলগুলোতে জানুয়ারি থেকে ২০২২ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভর্তি শুরু হবে। পার্শ্ববর্তী বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে বিনা খরচে ভর্তির সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা। ভর্তির পর তাদের হাতে নতুন পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হবে।

জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতির কারণে অনেক স্কুল, কিন্ডারগার্টেন বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক শিক্ষার্থী তার নিজ গ্রামের বাড়িতে চলে গেছে। শিক্ষার্থী যেন ঝড়ে না পড়ে সে জন্য চলতি বছর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হয়েছে। ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীর জন্ম-নিবন্ধন, বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), আগের ক্লাসের রেজাল্ট সিট নিয়ে গেলেই হবে। যদি সে আগে অন্য স্কুলের শিক্ষার্থী হয়ে থাকে তাহলে ভর্তির সময় আগের বইখাতা, ডায়রি সঙ্গে আনতে হবে।

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তিতে শিক্ষার্থীদের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজগত্র নিয়ে নতুন বছরের জন্য ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা হবে। বিনা খরচে লটারির মাধ্যমে ভর্তির সুযোগ পাবে শিক্ষার্থী। তবে ঢাকা মহানগরের কিছু কিছু স্কুলে শিক্ষার্থীর ক্লাস অনুযায়ী লেখা ও পড়ার ওপর প্রাথমিক পরীক্ষা নিয়ে ভর্তি করানো হয়ে থাকে।

জানা গেছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিকে ভর্তিতে ৪ বছরের বেশি, প্রথম শ্রেণিতে ৬ বছরের বেশি বয়স হতে হবে। এ জন্য জন্মনিবন্ধনের সনদ দেখাতে হবে। অন্যান্য ক্লাসে ভর্তিতে শিক্ষার্থীকে আগের স্কুলের নম্বরপত্র সঙ্গে আনতে হবে।

অন্যদিকে, গত বছরের মতো এবারও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে। আগের রোল নম্বর নির্ধারণ রেখে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পরের ক্লাসে উত্তীর্ণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয়ের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) মহাপরিচালক মনসুরুল আলম বলেন, চলতি বছর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোনো স্তরে ঘোষণা দিয়ে বা প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে না। তবে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা নিজ নিজ শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের মাধ্যমে পরবর্তী ক্লাসে তুলবেন। এক্ষেত্রে আগের রোল নম্বর নিয়ে শিক্ষার্থীরা পরবর্তী ক্লাসে উঠবে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের যত ধরনের পদ্ধতি রয়েছে সেসব পদ্ধতি শিক্ষকরা অনুসরণ করতে পারবেন। কেউ যদি শিক্ষার্থীদের ক্লাস পরীক্ষা নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেন তারা সেটি নিতে পারবেন। ক্লাস অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের শিখন-জ্ঞান যাচাই করাটাই মূল্যায়নের প্রধান উদ্দেশ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

© 2021 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh

// //