নতুন বছরে নিজের মতো সাজতে চায় প্রকৃতি

‘অভিশপ্ত’ সাল ২০২০। একটি অনিশ্চয়তার জন্য প্রস্তুত থাকতে থাকতে কেটে গেছে প্রায় পুরো বছর। দিনের পর দিন কেটেছে আতঙ্কে, অজানায়। 

নতুন কোনো প্রলয় যখন মানুষের অস্তিত্বকেই পুনরায় প্রশ্নের মুখে ফেলে, তখন প্রত্যাশিতভাবেই সভ্যতার সব সাজানো সৌধকে অপ্রাসঙ্গিক মনে হয়। হঠাৎ স্তিমিত হয়ে আসে প্রযুক্তি, প্রগতির প্রয়োজন। 

বহু তত্ত্ব, প্রজ্ঞা পেরিয়ে এসে সহজেই তখন মিলে যায় জীবনের হিসাব- প্রাচুর্যই জীবনের লক্ষ্য কিংবা মোক্ষ নয়। সুখের ঠিকানা তো নয়ই। বরং উল্টোটাই সত্যি। সেই ভাবনার খাতা খুলে দিয়ে নিজেকে রাঙায় প্রকৃতি। আর আঙুল তুলে দেখিয়ে দেয়- এতদিন আমরা তাকে ঢেকে রেখেছিলাম দূষণের চাদরে। বিনিয়োগ আর মুনাফার লোভে বিক্রি করে দিয়েছিলাম শো-পিস বানিয়ে। তাই আজ তার প্রতিশোধ!

লকডাউন যখন মানুষকে বন্দি করে ফেলল, নিঃশ্বাস নিল পৃথিবী। বেরিয়ে এলো প্রকৃতি। ফিরে পেল তার শুদ্ধ-শান্ত স্নিগ্ধতা। সেই গাঢ় সবুজ দেখে চমকে উঠলাম। এই প্রকৃতি থেকে কতখানি দূরত্ব বেড়েছে আমাদের। যেন নিজেরই বসত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছি। অথচ পৃথিবীতে মানুষই একমাত্র প্রাণী নয়, সে কথা প্রায় ভুলতে বসেছিলাম। অন্য প্রাণের তোয়াক্কা না করে পরিবেশের বারোটা বাজিয়েছি স্বার্থপরের মতো। 

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা স্যাটেলাইট সেন্সর পর্যবেক্ষণের পর জানায়, করোনাভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে মানুষ যখন ঘরবন্দি হয়, তখন বাতাসে ধূলিকণা ও ধোঁয়াশার পরিমাণ তাৎপর্যপূর্ণভাবে ২০ বছরে সবচেয়ে কম হয়েছে। যদিও এসব নিয়ে সাময়িক মাথা ঘামালেও, এখন আবার ঘর থেকে বেরিয়ে হাঁটছি যেন আগের পথেই।

মহামারিতে স্তব্ধ বিশ্ব

ভালো করেই প্রকৃতি জানে- অধিকার কে কাকে দেয়? এ যুদ্ধে প্রকৃতি ব্যবহার করছে আদিম দুনিয়া থেকে বের করে আনা প্রাচীন অস্ত্র, যার নাম ভাইরাস। লক্ষ বছর যারা ঘুমিয়ে ছিল হিমবাহের নিচে কিংবা পারমাফ্রস্টের (জমে যাওয়া মাটি) স্তরে স্তরে। মানুষ এ পৃথিবীর তাবৎ প্রকৃতি ও প্রাণিকুলের যে বিশাল ক্ষতি করেছে ও করে চলেছে, তার প্রতিশোধ নিতেই জেগে উঠেছে করোনাভাইরাস। হামলে পড়ে নিয়ন্ত্রকদের ওপর। যে অস্ত্রের সাথে কোনো পরিচয়ই ছিল না আধুনিকের। একের পর এক দেশে চলে আক্রমণ। লাখ লাখ মুখের হাসি কেড়ে নিয়ে পুরো বিশ্বকে আটকে দেয় বন্দিশালায়। দীর্ঘ থেকে দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি।

চীনের উহান প্রদেশে ২০১৯ সালেই সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল করোনাভাইরাসের; কিন্তু সঠিক সময়ে সতর্কতা না নেয়ায় ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যেই পৃথিবীর প্রায় সব দেশে সেটি ছড়িয়ে পড়তে থাকে। এমনকি অ্যান্টার্কটিকার বুকেও ছড়িয়ে পড়ে এই মহামারি। মার্চে বাংলাদেশে হানা দেয়ার পর রীতিমতো আতঙ্ক ছড়ায়। যদিও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয় সবকিছু। বছর শেষে সব মিলিয়ে বিশ্বে কভিড-১৯ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ কোটির কাছাকাছি। মৃত্যু হয়েছে সাড়ে ১৮ লাখেরও বেশি মানুষের। এর মধ্যে গত ডিসেম্বরে করোনাভাইরাসের নতুন প্রজাতির সন্ধান মিলেছে ব্রিটেনে। ফলে নতুন বছরেও তাড়া করে বেড়াচ্ছে আতঙ্ক।

মানুষকে বন্দি করে শ্রী ছড়ায় প্রকৃতি

করোনাভাইরাস যখন মহামারির আকার ধারণ করে, তখন সরকার বাধ্য হয় রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে। বন্ধ করে দেয়া হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত, শপিংমল, সিনেমা হল ছাড়াও বিভিন্ন জনবহুল কর্মক্ষেত্র। সড়কে যানবাহন না থাকায় মার্চ-এপ্রিলে ছিল না ধুলাবালি কিংবা ধোঁয়ার রাজত্ব। প্রাণের ভয়ে ঘরে ঢুকে দরজা-জানালায় খিল দেয় মানুষ। আর এ সুযোগে শত অত্যাচার থেকে মুক্ত হয়ে নিজের রঙ ছড়াতে শুরু করে প্রকৃতি। 

অবিশ্বাস্যভাবে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ফিরে আসে তিন দশক আগের মনোরম দৃশ্য। নীল জলে উচ্ছ্বসিত হয় প্রাণিকুল। আপন মনে মেতে ওঠে ডলফিন। সৈকতে নির্ভয়ে ছুটে চলে মায়াবি হরিণের দল। লাল কাকড়ারা যেন খুঁজে পায় অবাধ বিচরণের আপন ভূমি। উড়ন্ত বালুকে আঁকড়ে ধরে সবুজে সবুজে জীবন সাজায় সাগর লতারা। বাতাসে কমে যায় দূষণ, পাহাড়ে ঢেউ খেলে নির্মল সমীরণ। কার্বনমুক্ত আকাশে কেবলই নীলিমা।

আবর্জনায় সয়লাব হয়েছিল সাগর

গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে হঠাৎ ভেসে আসতে থাকে বিভিন্ন ধরনের আবর্জনা। তাতে ছিল প্লাস্টিক, ছেঁড়া জাল, ডাবের খোসা, কাঠের টুকরো, ছেঁড়া স্যান্ডেল, দেশি-বিদেশি মদ আর ফেনসিডিলের খালি বোতল, কোনো কোনোটায় আবার তেল ও অ্যালকোহল ভর্তি। সাথে ভেসে আসে মৃত ও আহত কাছিম, ডলফিনের নিথর দেহ। তখনকার সেই দৃশ্য পরিবেশবাদীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলায়। 

সেভ দ্য নেচার অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আ ন ম মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘২০২০ সালে আশঙ্কাজনকহারে বিরল প্রজাতির মৃত তিমি ও ডলফিন ভেসে আসে সৈকতে। আসলে বঙ্গোপসাগরে বিভিন্ন সময়ে আহত সামুদ্রিক প্রাণীগুলো বাঁচার জন্য উপকূলে ছুটে এলেও তাদের রক্ষায় কক্সবাজারে নেই কোনো রেসকিউ টিম, নেই আধুনিক যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ চিকিৎসা ব্যবস্থা। অথচ কিছু হলেই আমরা দায় চাপাই বন বিভাগের ঘাড়ে। তারাও বা কী করবে, তাদের তো নেই মেরিন সায়েন্সের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও আধুনিক প্রযুক্তি সমৃদ্ধ যন্ত্রপাতি ও চিকিৎসক। এছাড়া যাদের কাজ বন ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষা, তাদের দিয়ে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা কী করে সম্ভব?’

সমুদ্রবিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিন বলেন, ‘জেলেদের ফেলে আসা নষ্ট জালে বহু সামুদ্রিক প্রাণী জড়িয়ে যায়। তারা তো মরেই; তাদের যারা খাদক, খেতে এসে মৃত্যু হয় তাদেরও। অর্থাৎ, সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্র বা খাদ্যশৃঙ্খলে ভীষণ প্রভাব পড়ে এতে। আর প্লাস্টিকের প্রভাবে নষ্ট হয় প্রবালপ্রাচীর বা কোরাল রিফ। সৌন্দর্যের পাশাপাশি সমুদ্রের স্বাভাবিক জীবন বজায় রাখতে এদের বিশেষ অবদান। আবার সাগরের পানিতে থাকা প্লাস্টিক বর্জ্য মাইক্রো বা কণা প্লাস্টিকে রূপান্তরিত হয়ে মাছের খাদ্যশৃঙ্খলে প্রবেশ করে। শেষ পর্যন্ত তা মানবদেহেই চলে আসছে।’

করোনাযুদ্ধে প্লাস্টিকের আগ্রাসন

প্রাণঘাতী ভাইরাস মোকাবেলায় মাস্ক, গ্লাভস, ফেস শিল্ড থেকে শুরু করে চিকিৎসক, নার্সদের বিশেষ পোশাক- সবই প্লাস্টিকের তৈরি। এমনকী চাহিদা বাড়ায় স্যানিটাইজারের বোতল, ছিপিও তৈরি হচ্ছে ক্ষতিকারক এই উপাদান দিয়ে। সংক্রমণ ঠেকাতে কয়েকগুণ কদর বেড়েছে প্লাস্টিকজাত পণ্য ভেন্টিলেটর, টেস্টিং কিট, গ্লাভস, ডিসপোজাল সিরিঞ্জ, পার্সোনাল প্রোটেকশন ইক্যুইপমেন্ট (পিইপি), ওষুধ-স্যালাইনের বোতল- এমন আরো কত কী জিনিসের! 

পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক (বায়ুমান) জিয়াউল হক বলেন, ‘বাজারে আসা এসব সুরক্ষাসামগ্রী পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এতে পলিথিন ও প্লাস্টিক ব্যবহার না করে বিকল্প জৈব পচনশীল পণ্যের উৎপাদন ও ব্যবহার বাড়াতে হবে।’ 

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক এএসএম সাইফুল্লাহ বলছেন, ‘করোনা পরিস্থিতিতে মানুষের আত্মরক্ষার জন্য যে উপকরণগুলো অত্যাবশ্যকীয়, ভবিষ্যতে সেগুলো হয়ে উঠতে পারে বিপদের কারণ। তাই যেভাবে বায়ো মেডিক্যাল বর্জ্য আলাদা করে বিশেষ উপায়ে নষ্ট করা হয়, মাস্ক ও গ্লাভসের ক্ষেত্রে ঠিক তেমনই করা উচিত। না হলে পরিবেশের ক্ষতি হবে।’ 

আক্ষেপ নিয়ে তিনি বলেন, ‘করোনাকালে মানুষ ঘরবন্দি থাকায় প্রকৃতি তার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য কিছুটা হলেও ফিরে পেয়েছিল; কিন্তু প্লাস্টিকের আগ্রাসনে তা আবার হারাতে শুরু করেছে। ডেকে আনছে আরো বিপর্যয়।’

আম্ফানে বিধ্বস্ত প্রকৃতি

বঙ্গোপসাগরের বুকে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় আম্ফান ২০২০ সালের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে স্বীকৃত। বাতাসের গতি কিংবা ঢেউয়ের তীব্রতা সবদিক থেকেই বিরল এক ঘূর্ণিঝড় ছিল এটি। একসঙ্গে এত বিশাল উপকূলজুড়ে ঘূর্ণিঝড়ের বিস্তৃতি এর আগে দেখেনি কেউ। আঘাত হানার পর দীর্ঘ সময় শক্তি ধরে রাখারও নতুন নজির দেখায় সুপার সাইক্লোনটি। ১৬ এপ্রিল দানা বাঁধতে শুরু করে আম্ফান। তখন থেকেই মানুষের সতর্কতা; কিন্তু তারপরও ক্ষতির পরিমাণ সব কল্পনাকে ছাপিয়ে যায়। 

২০ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের উপকূল অঞ্চলে আছড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড়। এরপর ২১ এপ্রিলের মধ্যে ভারত ও বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ উপকূল ল-ভ- করে আম্ফান হারিয়ে যায়। আগে থেকে সতর্ক হওয়ায় মানুষের জীবন বাঁচানো গিয়েছিল ঠিকই; কিন্তু বিস্তীর্ণ জঙ্গল ও কৃষিজমি নষ্ট হয়েছে। তছনছ হয় যোগাযোগ ব্যবস্থা। ভেঙে যায় বিভিন্ন বাঁধ। সরকারি হিসাবে দুই দেশ মিলিয়ে ১৩.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সম্পদ নষ্ট করেছে আম্ফান।

ভুগিয়েছে বানের জল

জুন মাসের শুরুতেই দেশের উত্তরের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বন্যা দেখা দেয়। ভারতের পার্বত্য অঞ্চল থেকে ধেয়ে আসা পানির কারণেই প্রায় প্রতি বছরই এমনটা দেখা যায়। সেই পানি নেমেও যায় দ্রুত; কিন্তু গত বছর বন্যায় যে উত্তর ও মধ্যাঞ্চল প্লাবিত হয়, তা ছিল অনেকটা অপ্রত্যাশিত। এতে ৩৫ জেলার পৌনে দুইশ’ উপজেলার সাড়ে ১০ লাখ গ্রাম বন্যায় দুর্গত হয়।

চার দফায় হওয়া বন্যার প্রকোপ চলে দীর্ঘ দুই মাস। ক্ষতিগ্রস্ত হয় প্রায় ৬০ লাখ মানুষ। করোনাকালীন সংকটের মধ্যে এ বন্যা যেন ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়ায়। ফসলি জমি পানির নিচে থাকায় মাঠের কাজে দিনমজুরের চাহিদা ছিল না। বেকার দিন কাটে বেশিরভাগেরই। অনেকের ঘরে খাবারও ছিল না, কাটে পানিবন্দি জীবন।

বাতাসে তবুও দূষণ

লকডাউনের সময় ঢাকার বাতাসে ছিল না বিষাক্ত ধোঁয়া, ধূলিকণার বাড়াবাড়ি। কার্বন ডাই-অক্সাইড কমে, তাবৎ জীবই যেন প্রাণভরে নিঃশ্বাস নেয় বিশুদ্ধ বাতাসে; কিন্তু বছর শেষে দেখা যায়, ২০২০ সালের বায়ুমান সূচকে বিশ্বব্যাপী সর্বাধিক দূষণের মাত্রায় বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয় ও রাজধানী দখল করে চতুর্থ স্থান। 

বাংলাদেশ ও বিভিন্ন দেশের বায়ুদূষণের তুলনামূলক মূল্যায়নের মাধ্যমে গবেষণাটি করে এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো)। তবে ঢাকা গড় হিসাবে চার নম্বরে থাকলেও প্রায় দিনই দূষিত শহরের তালিকার শীর্ষে ওঠে। এসডোর গবেষণা তথ্য বলছে, এর মধ্যে বাহ্যিক বায়ুদূষণের কারণ- নির্মাণ কার্যক্রম (৩৮ শতাংশ), প্লাস্টিক বর্জ্য পোড়ানো (২২ শতাংশ), শিল্প প্রক্রিয়াজাতকরণ (১৭ শতাংশ), ইটভাটা (১০ শতাংশ), জীবাশ্ম জ্বালানি দহন, সড়ক পরিবহন এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন (৮ শতাংশ)। 

তাছাড়াও অভ্যন্তরীণ কারণগুলো হলো- রান্নার চুলা থেকে নিঃসৃত ধোঁয়া (৪১ শতাংশ), সিগারেটের ধোঁয়া (২৫ শতাংশ), নর্দমা নিষ্কাশন (১৫ শতাংশ), রেডন গ্যাস ও অন্যান্য দূষণকারী পদার্থ (১০ শতাংশ)। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বায়ুদূষণের কারণে প্রতি বছর বাংলাদেশে পৌনে ২ লাখ লোক মারা যায়। আর সারাবিশ্বে মৃত্যু হয় ৮৩ লাখ মানুষের। এমনকি যত লোকের অকালমৃত্যু হয়, তার প্রায় ১৫ শতাংশই মারা যায় নানা ধরনের দূষণে। তবে এবার করোনাভাইরাস দেখিয়ে দেয়, মানুষকে ছাড়া প্রকৃতি কীভাবে নিজেকে সারিয়ে তোলে। কীভাবে কার্বন নিঃসরণ তলানিতে ঠেকে, মহাকালের ঘড়ি উল্টো দিকে চলতে শুরু করে! আসলে প্রকৃতির সবাই ভালো না থাকলে, একা কেউ ভালো থাকতে পারে না। সবাইকে নিয়েই তো জীবন সুন্দর!

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

© 2021 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh