কোন সময়ে কী জুতা পরবেন

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ঘর থেকে বাইরে পা বাড়ালেই প্রয়োজন এক জোড়া জুতা। আর এই জুতা হওয়া চাই মানানসই। কথায় আছে, মানুষের ব্যক্তিত্বের প্রকাশ ঘটে তার জুতায়। সুন্দর জামাকাপড় পরে যদি এক জোড়া মানানসই জুতা না পরা হয়, তাহলে কিন্তু সব ভেস্তে যাবে।

স্টাইলিস্টদের মতে, রুচি আর আধুনিকতার প্রমাণ পাওয়া যায় জুতার ব্যবহার দেখে, যা নারী ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই সমান। পোশাকের সঙ্গে স্টাইলিশ জুতার ব্যবহার আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে। অনেক সময় কোন পোশাকের সঙ্গে কেমন জুতা পরতে হবে, তা অনেকেই বুঝতে পারেন না। 

অফিস বা যে কোনো মিটিংয়ে

অফিস মিটিং, কনফারেন্সের জন্য চামড়া জুতা আদর্শ। কালো রঙের স্যুটের সঙ্গে কালো জুতা পরাই ভালো। তবে ধূসর বা অন্য যে কোনো রঙের স্যুটের সঙ্গে কালো ও বাদামি দুই রঙের জুতাই পরা যাবে। মেয়েদের ক্ষেত্রে কালো বা বাদামি রঙের দুই বা আড়াই ইঞ্চি উঁচু নরম চামড়ার হিল পরা উত্তম। বিশেষ করে আপনি যদি ফ্যাশন কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি বা বিজ্ঞাপন ফার্ম, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ফার্ম কিংবা ট্রাভেল এজেন্সি প্রভৃতির প্রতিনিধি হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার পোশাক-পরিচ্ছদের সঙ্গে ফ্যাশনেবল জুতা ব্যক্তিত্বকে আরও গ্রহণীয় করে তুলবে। অনেক অফিসে মেয়েদের দুই ইঞ্চি হিলের সামনের দিকে সামনের দিকে খোলা বা বন্ধ পাম সু পরার নিম থাকে। এসব জুতা শাড়ি বা স্কার্টের সঙ্গে বেশ মানায়।

আবহাওয়া অনুযায়ী জুতা

জুতা নির্বাচন করুন আবহাওয়া অনুযায়ী, যাতে জুতা কাদা ও পানিতে ভিজলেও নষ্ট না হয়। সহজে পরিষ্কার করা যায়। বর্ষায় ছেলেরা প্রয়োজনে রেইন বুট পরতে পারেন। তবে অফিসে এসে ভারী জুতা পাল্টে নিন। শীতল আবহাওয়ার জন্য, হাইনেক রাইডিং জুতা বা উলের টাইট জুতা পরতে পারেন।

বিভিন্ন অনুষ্ঠানে

বিয়ের অনুষ্ঠানে পায়জামা-পাঞ্জাবির সঙ্গে মানানসই হবে নাগরা, চটি, ফিতাওয়ালা চপ্পল। আর স্যুট কিংবা শেরওয়ানির সঙ্গে ফিতাওয়ালা জুতা ও মেকাসিনো পরতে পারেন। ছেলেরা পার্টিতে পরতে পারেন ক্যাজুয়াল সু, স্নিকার ইত্যাদি। সামনের দিকে কিছুটা বাড়ানো পয়েন্টেড রাউন্ড শেপের সুও পরতে পারেন। রঙের ক্ষেত্রে কালোকেই ফরমাল ধরা হয়। তবে পার্টিতে বাদামি বা অন্য যে কোনো রঙ নিতে পারেন। পার্টি বা অনানুষ্ঠানিক পরিবেশে মেয়েরা ভেলভেট ও রেশমি জুতা পরতে পারেন। তবে পোশাকের ধরন ও ব্যাগের রঙের সঙ্গে মিল রেখে জুতা নির্বাচন করা ভালো। যা-ই পরুন, খেয়াল রাখুন যাতে আপনার ব্যক্তিত্ব ও পোশাকের সঙ্গে মিলে যায়। 

ভ্রমণে

ভ্রমণের সময় অবশ্যই স্বাচ্ছন্দ্যের গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এ সময় আরামদায়ক কেডস অথবা কাপড়ের জুতা নির্বাচন করা যেতে পারে, তবে তা পরিষ্কার ও ভ্রমণোপযোগী কি-না, পরখ করে নেওয়া ভালো। ভ্রমণের ধরন, সময় এবং অবস্থা বুঝে জুতা নির্বাচন করুন।

খেলাধুলার সময়

খেলাধুলায় স্নিকারজাতীয় জুতা পরা ভালো। তবে খেলার ধরন অনুযায়ী জুতা নির্বাচন করতে হয়। ফুটবল খেলার সময় বুট, ব্যাডমিন্টন খেলার জন্য স্নিকার, প্রাতঃভ্রমণের সময় জগিং সু, আবার টেনিসের জন্য টেনিস সু পরতে হবে। 

আড্ডা বা ঘোরাঘুরি

বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া কিংবা প্রিয়জনকে নিয়ে বেড়াতে যাওয়ার ক্ষেত্রেও নিজের ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করতে জুতার গুরুত্ব আছে। আবার আরামের দিকটাও খেয়াল রাখতে হবে।

এ ক্ষেত্রে বেশির ভাগ সময়ই হয়তো জিন্স আর টি-শার্ট পরা হয়। আর এর সঙ্গে আদর্শ জুতা হবে আরামদায়ক এবং মজবুত স্নিকারস। মেয়েদের ক্ষেত্রে জিন্সে ফ্ল্যাট জুতা মানিয়ে যায় বেশ। 

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

© 2021 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh

// //