বেশি খাওয়ার প্রবণতা বন্ধ করতে

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ক্ষুধা বেশি লাগলে খাবার বেশি খাওয়াটাই স্বাভাবিক। আর বেশি খেলে ওজন বৃদ্ধিসহ নানা জটিলতা সৃষ্টি হয়। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে হলে কম খাওয়াটা খুবই জরুরি। খাওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে ওজনও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব না। 

আসুন জেনে নেয়া যাক ক্ষুধা কমানোর জন্য কার্যকর কয়েকটি উপায় সম্পর্কে-

মধু: যারা মিষ্টি খেতে পছন্দ করেন তাদের মিষ্টির চাহিদা মেটাতে মধু খাওয়া যেতে পারে। মধু ক্ষুধার হরমন ঘ্রেলিন দমিয়ে রাখতে পারে। ফলে অনেকক্ষণ পেট ভরা ভাব অনুভূত হয়। এক গ্লাস গরম পানিতে মধু মিশিয়ে খেয়ে পরবর্তি অনেকটা সময় পেট ভরা থাকে।

ডাল: ডাল আঁশ সমৃদ্ধ খাবার এবং তা অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরা রাখে। ফলে খাবারের চাহিদা কম থাকে। এক বাটি ডাল ভাতের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে অনেকক্ষণ পর্যন্ত ক্ষুধাভাব থাকেনা। রাতে ভারী খাবার বাদ দিতে চাইলে সুপের সঙ্গে ডাল মিশিয়ে খেতে পারেন।

ডিম: প্রোটিন ও চর্বি সমৃদ্ধ খাবার, যা অনেকক্ষণের ক্ষুধাভাবকে অবদমিত রাখে। ফলে বাড়তি খাবারের চাহিদা কমে। সারা পৃথিবী জুড়েই তাই ডিম পছন্দের নাস্তার শীর্ষে।

ডার্ক চকলেট: অনেক গবেষণাতেই দেখা গেছে, নাস্তা হিসেবে এক কামড় ডার্ক চকলেট সারা দিনের খাবারের চাহিদা কমায়। এটা ক্ষুধাভাবকে দূরে রেখে অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরা রাখে।

গ্রিন টিগ্রিন টিতে রয়েছে দুইটি হরমোন, নরএপিনেফ্রিন ও ডোপামিন। তারা ক্ষুধা দূরে রাখতে কাজ করে। তাই রোজ গ্রিন টি পনা করতে পারেন।

সুপ: খাবারের আগে সুপ খেয়ে নিয়ে খাবার গ্রহণের পরিমাণ কমে যায়। তাই যে কোনো বেলার খাবার খাওয়ার আগে এক বাটি সুপ খেয়ে নিন। 

খাবারের আগে পানি পান: ক্ষুধাভাব কমাতে খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি পান করে নিন। এতে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।

ভিনিগার: অনেকেই ‘অ্যাসিটিক সলিউশন’কে মূল্যায়ণ করেন না। তবে অনেক ক্ষেত্রেই সুস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে এর ভূমিকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি থেকে শুরু করে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রয়ণ এবং রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করতে ভিনিগার ভূমিকা রাখে। উপকার পেতে খাবারের সময় সালাদে ভিনিগার ব্যবহার করতে পারেন।  

ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার: ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার যেমন- কমলা বা আঙুর ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার এবং সবজি রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে ও ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে। 

আঁশ সমৃদ্ধ খাবার: ওজন কমাতে চাইলে আঁশ-জাতীয় খাবার আবশ্যক। এর পেছনে প্রধান কারণ হল, আঁশ দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। ফলে অনেকটা সময় ধরে ক্ষুধা অনুভূত হয় না। সবজি, ফল, শস্য, কাঠবাদাম, মটর এবং চিয়া বীজ খাবারে যোগ করলে অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষুধাভাব ও খাবার গ্রহণের ইচ্ছা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

© 2021 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh

// //