গোল না করেই ফাইনালে বাংলাদেশ

স্বাগতিক নেপালকে গোলশূন্যভাবে রুখে দিয়েছে জেমি ডের শিষ্যরা। বাংলাদেশের এই ড্রয়ে স্বাগতিক নেপালের ফাইনাল ও কিরগিজস্তানের বিদায় নিশ্চিত হয়েছে।

ফাইনালিস্ট দুই দল দুই ম্যাচে কোনো গোল করতে পারেনি। বাংলাদেশ কিরগিজদের বিরুদ্ধে জিতলেও একমাত্র গোলটি ছিলো আত্মঘাতী। ২৯ মার্চ বাংলাদেশ ও নেপাল ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হবে। 

বাংলাদেশের কোচ জেমি ডে দ্বিতীয় ম্যাচেও অনেক পরীক্ষা চালিয়েছেন। র‌্যাংকিং ও অভিজ্ঞতায় স্বাগতিক নেপাল এগিয়ে থাকলেও বাংলাদেশকে হারাতে পারেনি। আক্রমণ নেপালিরাই বেশি করেছে। ৭৯ মিনিটে নেপালের আক্রমণ ক্রসবারে লেগে পেছনে চলে যায়। গোলরক্ষক সোহেল কয়েকটি সেভ করলেও স্বভাবসুলভ গ্রিপ মিস করেছেন। 

সুফিল-আব্দুল্লাহ নির্ভর বাংলাদেশ আক্রমণভাগ খুব বেশি সুযোগ বা প্রতিপক্ষ রক্ষণকে পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধে দুই কোচই পাঁচ জন ফুটবলার পরিবর্তন করলেও স্কোরলাইনের পরিবর্তন করাতে পারেননি। 

দ্বিতীয়ার্ধের মিনিট পাঁচেকের মধ্যে স্বাগতিক নেপাল দুই জন খেলোয়াড় পরিবর্তন করে। এর পাঁচ মিনিট পর কোচ জেমি ডেও দুই পরিবর্তন করেন। রিয়াদুল হাসান রাফির জায়গায় টুটুল হোসেন বাদশাকে ও অধিনায়ক জামালকে উঠিয়ে হাবিবুর রহমান সোহাগকে নামান। 

জামাল উঠে যাওয়ায় আর্মব্যান্ড পরেন গোলরক্ষক সোহেল। ৬৮ মিনিটে আরো দুই পরিবর্তন করেন জেমি। সুমন রেজার পরিবর্তে রয়েল। রাকিব হোসেনের পরিবর্তে বিপলু। বাংলাদেশের দ্বিতীয় দুই পরিবর্তনের পর নেপালও দ্বিতীয় দফায় একজন পরিবর্তন করে। ৭৯ মিনিটে মানিক মোল্লার জায়গায় নামেন আগের ম্যাচের অধিনায়ক সোহেল রানা। 

ম্যাচের দুই মিনিটেই কর্নার আদায় করে স্বাগতিক নেপাল। অভিষিক্ত দুই ডিফেন্ডার ইমন ও মেহেদী প্রথম ম্যাচের শুরুতে খানিকটা নার্ভাস ছিলেন। পরে ধীরে ধীরে নিজেদের মানিয়ে নেন। বাংলাদেশ ম্যাচের গতি ও নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে মিনিট বিশেক সময় নেয়। বাংলাদেশ ম্যাচের প্রথম সুযোগ পেয়েছিল বিশ মিনিটে। আব্দুল্লাহ ও সুফিল দু'জন বক্সে নিজেদের দেয়া-নেয়া করলেও বল জালে পাঠাতে পারেননি। 

প্রথমার্ধের বাংলাদেশের আক্রমণ ছিলো জামাল নির্ভর। অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার দুটো ফ্রি কিক গোল হওয়ার মতো ছিলো। ৩৫ মিনিটে বক্সের বা পাশে ফ্রি কিক পায় বাংলাদেশ। জামালের নেয়া শট বক্সের মধ্যে জটলায় ঘিরে ডিফেন্ডার মেহেদীর পায়ে পড়ে। তিনি গোলের সুযোগ মিস করেন। 

পাঁচ মিনিট পর বক্সের সামনে ফ্রি কিক পায় বাংলাদেশ। জামালের নেয়া সরাসরি শট পোস্টের সামান্য পাশ দিয়ে যায়। নেপালকে ফাইনাল খেলতে হলে হার এড়াতেই হতো। এজন্য নেপালের ফুটবলাররা খানিকটা মরিয়া ছিলেন। রেফারি দুই বার হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন নেপালের দুই ফুটবলারকে। 

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

© 2021 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh