‘‘স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও সেনা প্রত্যাহার ছাড়া জিম্মি মুক্তি নয়’’

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর থেকেই গাজায় ইসরায়েল বাহিনীর হামলার ফলে প্রতিনিয়ত শিশু ও নারীসহ অসংখ্য বেসামরিক নাগরিক  প্রাণ হারাচ্ছেন। এর আগে হামাসের হাতে আটক হয় ইসরায়েলের বেশ কিছু নাগরিক। পরে সাময়িক যুদ্ধ বিরতিতে গেলেও তা স্থায়ী হয়নি বেশিদিন। এদিকে ইসরায়েল আগ্রাসনের শিকার গাজা উপত্যকায় আটক জিম্মিদেরকে ছেড়ে দিতে চারটি শর্ত আরোপ করেছে ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলন। যেসময় আমেরিকা ও তার মিত্ররা একটি চুক্তির মাধ্যমে এসব জিম্মিকে মুক্ত করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে ঠিক তখনই ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের মহাসচিব জিয়াদ আন-নাখালা এসব শর্তের কথা ঘোষণা করেছেন। 

ইতোমধ্যে গাজায় ইসরাইল-বিরোধী কয়েকটি প্রতিরোধ সংগঠন তাদের লড়াই অব্যাহত রেখেছে। আর এগুলোর মধ্যে হামাসের পরেই ইসলামি জিহাদের অবস্থান।  নাখালা মঙ্গলবার বলেন, তার সংগঠনের পক্ষ থেকে ঘোষিত চারটি প্রধান শর্ত অগ্রাহ্য করা হলে ইসরাইলের সঙ্গে কোনো রকমের চুক্তিতে যাবে না ইসলামি জিহাদ। 

শর্ত চারটি হচ্ছে- গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা, উপত্যকা থেকে সকল দখলদার সেনা প্রত্যাহার, গাজা পুনর্গঠনের নিশ্চয়তা প্রদান এবং ফিলিস্তিনি জনগণের স্বার্থ রক্ষিত হয় এমন একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার সুনির্দিষ্ট কাঠামো প্রস্তুত করা। 

এর আগে গত দু’দিন ধরে পশ্চিমা গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে এ বিষয়ে নানা খবর প্রকাশিত হতে শুরু করেছে। আর তাতে বলা হচ্ছে যে, গাজার প্রতিরোধ সংগঠনগুলোর সঙ্গে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে ওই উপত্যকায় আটক ইসরাইলি জিম্মিদের মুক্ত করতে মার্কিন সরকার ব্যাপক চেষ্টা-তদবির শুরু করছে।আর এই লক্ষ্যে প্যারিসে বহুপাক্ষিক বৈঠকে আলোচিত একটি প্রস্তাবের খসড়া হামাসসহ গাজার প্রতিরোধ সংগঠনগুলোর কাছে ইতোমধ্যে পাঠানোও হয়েছে।

এদিকে হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়া এ ধরনের একটি খসড়া প্রস্তাব হাতে পাওয়ার খবর জানিয়ে মঙ্গলবার জানান, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও গাজা থেকে সকল সেনা প্রত্যাহার না করা হলে ইসরাইলের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না।

সূত্র : পার্স টুডে

সাম্প্রতিক দেশকাল ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

© 2024 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh

// //