জিয়াউর রহমানকে খুনি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে: ফখরুল

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: ইতিহাসের ধ্রুবতারা’ শীর্ষক সংকলন গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসবে বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: ইতিহাসের ধ্রুবতারা’ শীর্ষক সংকলন গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসবে বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

‘‘একাত্তরে যখন স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়া উচিত ছিল তখন কেউ গ্রেফতার হয়েছিলেন, কেউ আত্মসমর্পণ করেছিলেন। তখন জিয়াউর রহমানই সেই দায়িত্ব পালন করেন। আর তাকেই আজ খুনি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে।’’

এমন অভিযোগ করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক ছিলেন না- এমন কথায় বারবার বলে আসছেন। অনেকে নেতা বলছেন- তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেননি। এভাবে তাকে একটা খলনায়কে পরিণত করতে চায় তারা।

শনিবার (১৯ জুন) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দল সংকলিত ‘জিয়াউর রহমান ইতিহাসের ধ্রুবতারা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, যারা রাজনৈতিক দায়িত্বে ছিলেন স্বাধীনতার ঘোষণা তারা করেননি। তারা কেউ আত্মসমর্পণ করেছিলেন, কেউ আবার পালিয়ে গিয়েছিলেন। সে সময় তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে পুরো জাতিকে যুদ্ধে নামার জন্য অনুপ্রেরণা দিয়েছেন।

জিয়াউর রহমানকে খলনায়ক হিসেবে নতুন প্রজন্মের কাছে উপস্থাপন করছে ক্ষমতাসীন দল উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, এর প্রতিবাদ করতে হবে, বিরোধীতা করতে হবে। তাকে তার প্রাপ্য মর্যাদা দিতে হবে। 

সব ধরনের ত্যাগ স্বীকারে নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহবান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের সব অর্জন ধ্বংস করেছে ক্ষমতাসীন দল।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে শিশুদেরকে শেখানো হয় যে, জিয়াউর রহমান হচ্ছেন কিলার। শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার সঙ্গে নাকি জিয়াউর রহমান জড়িত। এসব কথা সব জায়গায় বলা হয়। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সর্বনিম্ন যে কর্মী সবাই একই কথা বলেন। ওটাকে আমাদের কাউন্টার করতে হবে। আমরা যারা বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করি, শহীদ জিয়ার আদর্শে বিশ্বাস করি। এটা বোঝাতে হবে যে, এটা তো সঠিক নয়ই, বরং উল্টো মিথ্যা বলছেন তারা। কেন বলছেন কি কারণে বলছেন এটাও আমাদের বুঝতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান ছাত্রদের মধ্যে রাজনীতি করতে অনেক অনীহা, সেই বিষয়টি কাটিয়ে ওঠার অনুরোধ জানিয়ে শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা সবাই কিন্তু ছাত্র রাজনীতি করে এসেছি। তখনকার ছাত্রসমাজ এত সমাজ সচেতন ছিল, এত বেশি রাজনৈতিক সচেতন ছিল তাদের মাধ্যমে কিন্তু এদেশে বড় বড় পরিবর্তনগুলো সম্ভব হয়েছে।

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

© 2021 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh

// //