উগ্র সাম্প্রদায়িকতার মূলোৎপাটন করাই বড় চ্যালেঞ্জ : সেতুমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর পর জাতীয় চারনেতাকে হত্যা করে দেশে সাম্প্রদায়িকতার বীজ ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছিল। উগ্র সাম্প্রদায়িকতার মূলোৎপাটন করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

আজ বুধবার (৩ নভেম্বর) জেলহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে বনানীতে জাতীয় তিন নেতার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

কাদের বলেন, সব গণতান্ত্রিক, দেশপ্রেমিক ও অসাম্প্রদায়িক শক্তিকে এক হয়ে উগ্র সাম্প্রদায়িক অপশক্তির মূলোৎপাটন করতে হবে।

তিনি বলেন, ১৫ আগস্টের পর ৩ নভেম্বর আরেকটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড। নিরাপদ স্থান বলে পরিচিত কারাগার, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে চারজন বিশিষ্ট সংগঠনক বঙ্গবন্ধুর সহযোগীদের সেদিন নির্মমভাবে হত‌্যা করেছিল। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে নেতৃত্ব শূন‌্য করতে তারা এই ঘাতকচক্র দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারী কারাঅভ‌্যন্তরের হত্যাকাণ্ড করেছিল। এরপর থেকে বাংলাদেশে হত-ষড়যন্ত্রের রাজনীতিক ধারা চলতে থাকে।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা হত‌্যাকাণ্ডের মধ‌্য দিয়ে সাম্প্রদায়িকতার যে বিষবৃক্ষের চারা রোপিত হয়, সেই গাছের ডালপালা বিস্তৃত হয়েছে অনেক। তাদের শেকড়ও চলে গেছে আমাদের মাটির অনেক গভীরে। এই অপশক্তিকে রুখতে হবে। সেজন‌্য অসাম্প্রদায়িক দেশপ্রেমিক সরকারকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সাম্প্রদায়িক বিষবৃক্ষকে উৎপাটনে ঐক‌্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। 

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, ড. আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, হাছান মাহমুদ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সবুর প্রমুখ।

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর ৩ নভেম্বর তার ঘনিষ্ঠ চার সহকর্মী সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে কারাগারে হত্যা করা হয়।

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

© 2022 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh

// //