একটানা ক্ষমতায় থাকায় উন্নয়ন করতে পারছি: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৪ জানুয়ারি ২০২১, ০১:৩৬ পিএম | আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২১, ০৩:০৪ পিএম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের মানুষ আমাদের ওপর আস্থা রেখেছে, বিশ্বাস রেখেছে। আর একটানা ক্ষমতায় থাকার ফলে মানুষের জন্য উন্নয়ন করতে পারছি।

তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য ছিল, অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানো। আমরা সেটা করতে পেরেছি।

আজ বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনি কর্মসূচির আওতায় বয়স্ক, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধী ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’ ও ‘বিকাশ’ এর মাধ্যমে গভর্নমেন্ট টু পারসন পদ্ধতিতে ভাতাভোগীর কাছে টাকা প্রেরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর এ বছরে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার সাথে জড়িতদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের জন্য আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবাই মিলে চেষ্টা করলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে পারবো এ বিশ্বাস আমার আছে।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অসহায় ও দুস্থ মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর মতো কঠিন কাজ বাস্তবায়নে নিজের জীবনের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য পরিত্যাগ করেন। মৃত্যুকে সামনে দেখেও তিনি লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হননি। জাতির পিতার থেকে পাওয়া সেই শিক্ষাকে পুঁজি করেই অসহায় মানুষের জন্য কাজ করছি। 

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে একটি মানুষও ভূমিহীন ও গৃহহীন থাকবে না। প্রত্যেক মানুষকে একটি ঠিকানা দেয়া হবে। ঘরে ঘরে আলো পৌঁছে দেয়া হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতির প্রযুক্তির কল্যাণে দেশ এগিয়ে চলেছে। নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে বয়স্ক, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধী ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তির টাকা পৌঁছে যাবে।

তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করে আমরা উদ্যোগ নিলাম, আমাদের দেশে যারা বৃদ্ধ, নির্যাতিতা তাদের ভাতার আওতায় নিয়ে আসার। পর্যায়ক্রমে আমরা শারীরিক প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ শুরু করি। সবচেয়ে অবহেলিত ছিল মুক্তিযোদ্ধারা। তাদেরও আমরা ভাতা দেয়া শুরু করি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি দেশের মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করবো। আমার দল ও আমি মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করে যেতে চাই। জাতির পিতা যে সংবিধান দিয়ে গেছেন সেটা ভালোভাবে পড়লেও এই সমাজের কোন শ্রেণী-পেশার মানুষের জন্য কী কী করতে হবে তা জানা যায়।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব ড. আহমদ কায়কাউসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান ও সচিব জয়নাল বারি।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব জানান, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ৩১টি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মোট ১২৫টি কর্মসূচি চলছে। তাদের মধ্যে ৩১টি নারী, ৩০টি পুরুষ ও ৬৪টি নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য পরিচালিত হচ্ছে। 

অনুষ্ঠানে চাঁদপুর, লালমনিরহাট, বরিশালসহ বিভিন্ন জেলার ভাতাপ্রাপ্তরা নিজ নিজ জেলা থেকে যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলেন এবং কোনো প্রকার দুর্ভোগ ও ঝামেলা ছাড়া মোবাইলে টাকা পাওয়ার ব্যবস্থা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

প্রধান সম্পাদক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ | প্রকাশক: নাহিদা আকতার জাহেদী

অনলাইন সম্পাদক: আরশাদ সিদ্দিকী | ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Design & Developed By Root Soft Bangladesh