ব্রাজিলে একদিনে করোনায় ৪ হাজারের বেশি মৃত্যু

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ০৭ এপ্রিল ২০২১, ১১:৪৪ এএম

ব্রাজিলে এই প্রথম ২৪ ঘণ্টায় মহামারি করোনাভাইরাসে রেকর্ড চার হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। 

এছাড়া দেশটিতে কভিড-১৯ রোগের সংক্রমণ বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একথা জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টার হিসাবে দেশটিতে গতকাল মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) নতুন করে করোনায় ৪ হাজার ১৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। করোনা ছড়িয়ে পড়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত এ দেশটিতে একদিনে মৃত্যুর দিক থেকে এ সংখ্যা সর্বোচ্চ। এনিয়ে দেশটিতে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৪ জনে দাঁড়ালো। আর মোট আক্রান্ত হয়েছে এক কোটি ৩১ লাখ ৬ হাজার ৫৮ জন। 

এদিক থেকে এখন কেবলমাত্র যুক্তরাষ্ট্র ব্রাজিলের সামনে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৬০ হাজার ৪৩৮ জন ও মোট মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৭০ হাজার ২৬০ জনের।

করোনাভাইরাসের সর্বশেষ ঢেউয়ের আঘাতে ব্রাজিলের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। করোনার নতুন ধরনের ঢেউয়ে রোগীদের জীবন বাঁচাতে বাধ্যতামূলক সেবা দেয়ার সিদ্ধান্তে চিকিৎসকরা চরম মানসিক যন্ত্রণার মুখে পড়েছে।

ইস্পিরিতো সান্তো ফেডারেল ইউনিভার্সিটির মহামারি বিশেষজ্ঞ ইথাল ম্যাসিল বলেন, আমরা একটি ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি। এমন পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমরা রাষ্ট্র বা ফেডারেল সরকারের কোনো পক্ষেরই কার্যকর পদক্ষেপ দেখছি না।

তিনি এএফপিকে বলেন, এখন পর্যন্ত আমাদের দেশে মাত্র ১০ শতাংশ মানুষকে টিকা (প্রথম ডোজ) দেয়া হয়েছে। এ ভাইরাসের অতিদ্রুত ছড়িয়ে পড়ার লাগাম টেনে ধরতে একমাত্র উপায় হচ্ছে কমপক্ষে ২০ দিনের জন্য কার্যকর লকডাউন আরোপ করা।

কিন্তু দেশটির প্রেসিডেন্ট জেইর বোলসোনারো এখনো লকডাউনের বিরোধিতা করে যাচ্ছেন। তার দাবি, ভাইরাসের কারণে যতটা ক্ষয়ক্ষতি হবে তারচেয়ে লকডাউনের কারণে অর্থনীতির বেশি ক্ষতি হবে। বিভিন্ন রাজ্যে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ যেসব কড়াকড়ি আরোপ করেছে তিনি সেগুলোতে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছেন।

গতকাল নিজের বাসভবনের বাইরে তার সমর্থকদের বোলসোনারো কোয়ারোন্টিনের সমালোচনা করে বলেন, এর মাধ্যমে মানুষের মধ্যে বিষন্নতা তৈরি হবে ও মানুষ ঘরে থাকতে থাকতে শরীরে মেদ জমবে, বেকারত্ব বাড়বে। -এএফপি

প্রধান সম্পাদক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ | প্রকাশক: নাহিদা আকতার জাহেদী

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Design & Developed By Root Soft Bangladesh