পুঠিয়ায় নিবন্ধন করেও টিকা নেয়নি ১৪০৯ জন

পুঠিয়া প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৮ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৩৫ পিএম | আপডেট: ০৮ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৪৮ পিএম

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় নিবন্ধন করেও  ১৪০৯ জন করোনাভাইরাস প্রতিষেধক টিকা নেয়নি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন সচেতনতার অভাব ও গুজব ছড়ানোর কারণে এমনটি হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, করোনাভাইরাসের টিকা গ্রহণ করতে গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৬ হাজার ৮৫০ জন নিবন্ধন করেন। এর মধ্যে টিকা নিয়েছেন ৫ হাজার ৪৪১ জন। বাকি ১ হাজার ৪০৯ জন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টিকা নিতে আসেননি।

এদিকে সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধন করে টিকা নেননি এমন একজন বলেন, করোনার সংক্রমণ কমে যাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে টিকা নেয়া হয়নি। 

নিবন্ধন করা অপর এক নারী বলেন, যারা টিকা নিয়েছেন তারা পুনরায় করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন বলে শুনেছি। তাই টিকা নেয়া এবং না নেয়া একই কথা। তাই টিকা নেননি।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জি এম হিরা বাচ্চু বলেন, করোনার টিকা নিয়ে অপপ্রচার হচ্ছে। আবার টিকা নিয়েও দুই/একজন করোনা আক্রান্ত হয়েছে এমন খবর সংবাদ মাধ্যমে এসেছে। 

তিনি বলেন, সরকারকে বিব্রত করতে একটি মহল টিকার কার্যকারিতা নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে। এসব সমাধানে প্রচারণা ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নাজমা নাহার বলেন, প্রথম ডোজের টিকা নেয়ার সুযোগ এখনো আছে। যারা টিকা নেননি তারা হয়তো পরবর্তীতে নেবেন। তাছাড়া অন্তঃসত্ত্বা ও শিশুকে দুধ খাওয়ান এমন অনেক নারী ভুলে নিবন্ধন করেছিলেন। তাদের টিকা দেয়া হয়নি। এটিও একটি কারণ হতে পারে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ বলেন, করোনা প্রতিরোধে ভ্যাকসিনের বিকল্প নেই। আমি নিজেই উদ্বোধনীর দিনে প্রথম ডোজ নিয়েছি। আজ দ্বিতীয় ডোজও নিলাম। করোনা টিকা নিয়ে বিভিন্ন গুজব ও অপপ্রচারের কারণে অনেকে হয়তো নিবন্ধন করেও টিকা নেননি। অপপ্রচারে কান না দিয়ে যারা নিবন্ধিতদের টিকা গ্রহণ করতে অনুরোধ জানান তিনি।

এদিকে আজ ৮ এপ্রিল সকাল থেকে করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ প্রদান শুরু হয়েছে। টিকার দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেছেন ২২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৮, মহিলা ৪ জন এবং নতুন টিকা নিয়েছেন ১৫ জন এর মধ্যে পুরুষ ১১ ও মহিলা ৪ জন।

প্রধান সম্পাদক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ | প্রকাশক: নাহিদা আকতার জাহেদী

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Design & Developed By Root Soft Bangladesh