কোম্পানীগঞ্জে ফের সংঘর্ষ, কাদের মির্জার ছেলেসহ আহত ৮

নোয়াখালী প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২১, ০৮:১১ পিএম

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ফেসবুক হ্যাক করে ধর্মীয় উসকানিমূলক পোস্ট দেয়ার অভিযোগে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কাদের মির্জার ছেলে তাশিক মির্জাসহ উভয়পক্ষের ৮ জন আহত হয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ থানার সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটেছে।

আহতরা হলেন- বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ছেলে তাশিক মির্জা ও আ.লীগ নেতা আরমান চৌধুরীসহ ৮ জন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের ২০-২৫জন সমর্থক মেয়র মির্জা বিরোধী স্লোগান দিয়ে একটি মিছিল নিয়ে বসুরহাট পৌরসভা শহীদ মিনার গেইট দিয়ে পৌরসভায় ঢোকার চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ বাধা দিলে তারা উপজেলা গেইটে চলে যায়। এর কিছুক্ষণ পর মেয়র মির্জার ছেলে তাশিক মির্জার নেতৃত্বে মির্জার অনুসারীরা থানার সামনে গেলে উভয়পক্ষের সমর্থকরা একে অন্যকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। ইটের আঘাতে তাশিক মির্জা ও আরমান চৌধুরীসহ উভয়পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হয়।

সংঘর্ষে আহত তাশিক মির্জা জানান, তার বাবার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে ধর্মীয় উসকানিমূলক পোস্ট দেয়া হয়। এতে আওয়ামী লীগের উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিষয়টি নিয়ে তিনি রুমেল চৌধুরীর সঙ্গে কথা বলতে গেলে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন তার সমর্থকরা।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল দাবি করেন, তারা উপজেলা থেকে বের হয়ে থানার সামনে অবস্থান নিলে তাশিক মির্জা অস্ত্রসহ হামলা চালান। এতে সাতজন নেতাকর্মী আহত হন।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি বলেন, কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা যায়নি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রধান সম্পাদক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ | প্রকাশক: নাহিদা আকতার জাহেদী

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Design & Developed By Root Soft Bangladesh