ঝিনাইদহে দ্বিগুণ ভাড়ায় মাইক্রোবাসে চলাচল

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১০ মে ২০২১, ১১:৪৯ এএম

 মাইক্রোবাসে গাদাগাদি করে যাত্রী নেয়া হচ্ছে। ছবি : ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

মাইক্রোবাসে গাদাগাদি করে যাত্রী নেয়া হচ্ছে। ছবি : ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ঝিনাইদহসহ সারাদেশে দূরপাল্লার গণপরিবহণ বন্ধ রয়েছে। সেই সাথে বন্ধ রয়েছে আন্তঃজেলা বাস চলাচল। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবহণ মালিকরা।

আর এ সুযোগে মাইক্রোবাসে গাদাগাদি করে যাত্রী নেয়া হচ্ছে। মানা হচ্ছে না কোনো ধরনের স্বাস্থ্যবিধি, আর ভাড়াও নেয়া হচ্ছে দ্বিগুণ।

সরেজমিনে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, জননী পরিবহণের বাস কাউন্টার মাইক্রোবাসের কাউন্টার বানানো হয়েছে। ব্যাগ নিয়ে কেউ গেলেই জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে কোথায় যাবেন। ঢাকা গেলে উঠে পড়ুন মাইক্রোবাসে। সকাল থেকে গভীর রাত অবধি মাইক্রোবাস সেখানে রাখা হচ্ছে। ভাড়া নেয়া হচ্ছে দ্বিগুণেরও বেশি।

দেখা যায়, মাইক্রোবাসের মধ্যে গাদাগাদি করে যাত্রী উঠানো হয়েছে। মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। তিনের বসার জায়গায় চারজন বসিয়ে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। 

যাত্রী বেশে টার্মিনাল এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, জননী পরিবহনের কাউন্টার থেকে ঢাকা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ভাড়া কত জিজ্ঞাসা করতেই বলছেন, ১ হাজার থেকে ১৫’শ টাকা দিতে হবে। গাড়ি বুঝে ভাড়া হাকানো হচ্ছে। বাস বন্ধ থাকলেও মাইক্রোবাস চালকদের যেন পোয়াবারো।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাস মালিক বলেন, করোনার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকার দুরপাল্লার বাস বন্ধ রেখেছে। কিন্তু এখানে কয়েকজন কাউন্টার মালিক আর মাইক্রোবাসের মালিক ও চালকরা আইন অমান্য করে যাত্রী পাঠাচ্ছেন। একসাথে যাওয়ার কারণে তাদের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুকি থেকেই যাচ্ছে। 

তিনি বলেন, মাইক্রোবাস পাঠানো হলে বাস গেলে দোষ কিসে। বাসে তো অর্ধেক যাত্রী নিয়ে যাওয়া হবে। আর মাইক্রোবাসে গাদাগাদি করে যাত্রী নেয়া হচ্ছে। এজন্য পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

প্রধান সম্পাদক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ | প্রকাশক: নাহিদা আকতার জাহেদী

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Design & Developed By Root Soft Bangladesh