ঈদে রূপচর্চা

তাসমিন আহমেদ

প্রকাশ: ১৪ মে ২০২১, ০৫:৩৩ পিএম

গেল বছরের ঈদ ঘরেই কেটেছে সবার। আনন্দে থাকার চেষ্টা করেও ঠিক আনন্দে থাকা হয়নি। সেই দুঃসহ সময় কিছুটা কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই আবার আমাদের ঘরবন্দি হতে হলো জীবনের প্রয়োজনে। তবে আমরা এখন ভয়ানক ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করতে শিখে গেছি। জীবনযাপনে আরও বেশি সচেতনতা ও বিধি-নিয়ম মেনেই চলছে নানান আনুষ্ঠানিকতা, উৎসব। আর উৎসব মানেই হাজারটা কাজের ফাঁকে নিজেকে সুন্দর, পরিপাটি করে সাজিয়ে তোলার একটা উপলক্ষ। হোক না তা ঘরেই। বিশেষ এই দিনে নাহয় ঘরেই তৈরি করে নিন উৎসবের আমেজ।


এখন পরিস্থিতির কারণে বাসার কাজের সহযোগী হিসেবে বাইরের কাউকে রাখছেন না অনেকেই। তাই ছোট-বড় সবাইকেই কাজে হাত লাগাতে হচ্ছে। তাই বলে কি বাদ যাবে সাজগোজ? মোটেই না। বরং ঈদের কিছুদিন আগে থেকেই শুরু করে দিন প্রস্তুতি। এ ছাড়া যেহেতু রোজার ঈদ, তাই নিজের যত্নটাও হওয়া চাই বেশ ভালো করেই। কেননা রোজা পালন ও গরমের প্রভাবটা ত্বকেই বেশি পড়ে। রোজা শেষে তাই আপনাকে যাতে মলিন ও নিস্তেজ না দেখায় তার দাওয়াই নিতে শুরু করুন আগে থেকেই।


গনগনে এই গ্রীষ্মের তপ্ত সময়ে সিয়াম পালনে দীর্ঘ সময় পানি ছাড়া থাকায় শরীর পানিশূন্যতায় ভোগে। এতে ত্বক মলিন, নিষ্প্রাণ হওয়াসহ শুষ্ক হয়ে পড়ে। এ ছাড়া রোজার একমাস ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়ার প্রভাব পড়ে শরীরের ওপর। নিদ্রাহীনতার ক্লান্তি স্পষ্ট হয়ে ওঠে চেহারায়। ত্বকে এর বিরূপ প্রভাবও পড়ে। ত্বকের মলিনতা, ডার্কসার্কলস ব্রণ, র‌্যাশ নানান সমস্যায় পড়তে হয়। আর এই সমস্যার সমাধান ঈদের আগেই করে নিন। তাই শুধু মেকআপ নয় প্রয়োজন বিশেষ যত্নেরও। জেনে নেওয়া যাক রূপসজ্জার ও নিজেকে সুন্দর করে উপস্থাপনের কিছু উপায়।


ত্বকের যত্নের মূল কথা হলো ত্বক পরিষ্কার রাখা। বিশেষ করে মুখত্বক। কারণ শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় মুখের ত্বক বেশ কোমল ও স্পর্শকাতর হয়। তাছাড়া যারা বেশ কিছুটা সময় চুলার আঁচে কাটান তাদের ত্বক কোনো না কোনো ক্ষতির কবলে পড়ে। এ ছাড়া ঘাম, দূষণ, ধুলোবালিতে ত্বক ময়লা হয়ে নানা সমস্যায় পড়ে ত্বক। এমন ত্বকে মেকআপ প্রয়োগ করলে বা সাজলে ভালো দেখায় না। তাই ত্বক পরিষ্কার রাখতে ব্যবহার করুন ভালো ব্র্যান্ডের ফেসওয়াশ ও ক্লিনজিং। মাঝে মাঝে মৃতত্বক ও লোমকূপের গোড়ায় জমে থাকা ময়লা দূর করতে প্রয়োজন হয় স্ক্রাব। এটি ব্ল্যাক হেড দূর করতেও সমান কার্যকর। স্ক্রাব নিয়ে আলতো করে মুখে ম্যাসাজ করে নিন। এটি এক্সফোলিয়েশনেরও কাজ করবে। সপ্তাহে দুইদিন এটি করে নিতে পারেন। তবে ব্রণ থাকলে স্ক্রাব এড়িয়ে যান।


চেহারার মলিনতা দূর করতে বেশ কার্যকর উপায় হচ্ছে এক্সফোলিয়েশন। খেয়াল রাখতে হবে কাজটি করতে গিয়ে ত্বকে যেন কোনো চাপ না লাগে। আলতো ম্যাসাজ করে নিন। এতে ভালো কাজ দেবে। মুখত্বকের হাইড্রেশন এই গরমে খুব জরুরি। তাই প্রচুর পানি পান করুন।

চেহারার ক্লান্তি দূর করার বেশ ভালো উপায় হতে পারে অ্যালোভেরা। ত্বক প্রশান্ত করার জন্য এর থেকে ভালো দাওয়াই আর হতে পারে না। অ্যালোভেরা জেলের একটি পাতলা আবরণ সকালেই পুরো মুখে লাগিয়ে নিন। শুধু ত্বকের শুষ্কভাব কাটিয়ে সতেজই করে তোলে না, চোখের নিচের ফোলা কমাতেও এটি সহায়ক। ডার্ক সার্কেল হলে পুরো চেহারায় ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। গাঢ় বা কালো হয়ে থাকা জায়গায় সানস্ক্রিন সমৃদ্ধ ময়েশ্চারাইজার লাগাতে পারেন। এটি ত্বকে উজ্জ্বলতা তৈরি করে এমন দীপ্তি ছড়ায় যে আপনার ইলুুমিবেটরেরও দরকার হবে না। শুধু আলতো করে এটি চোখের কালো অংশে লাগিয়ে নিন।


ত্বকে চটজলদি জেল্লা আনতে জুড়ি নেই পাকা পেঁপের। এর সঙ্গে টকদই মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে বিশ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। এটি নির্জীব ত্বকে প্রাণ ফিরিয়ে আনতেও বেশ কার্যকর। 

রোজায় ত্বক স্বাভাবিক আর্দ্রতা হারায়। আর ক্লান্তি, মলিনতাতো আছেই। তাই সতেজতা ফিরিয়ে আনতে ও ত্বকের স্বাস্থ্য ভলো রাখতে ফেসিয়াল জরুরি হয়ে পড়ে। ঈদের দিনটিতে খুব বেশি মেকআপের ঝক্কি না নিতে চাইলে ফেসিয়ালের বিকল্প নেই। ডিপ ক্লিনজিং ফেসিয়াল, কোলাজেন, ভেজিটেবল, ফ্রুটি, হার্বাল, অ্যালোভেরা ফেসিয়াল ত্বকের অবস্থা বুঝে ঈদের সপ্তাহ খানেক আগেই কাজটি সেরে নিন। এ ছাড়া কিছু ঘরোয়া প্যাকও ভালো কাজ দেবে।


গরমে অনেক সময় শ্যাম্পু করার পরও দেখা যায় ঘামের কারণে চুল স্যাঁতসেঁতে বা তেলতেলে হয়ে আছে। শ্যাম্পু করার আধাঘন্টা আগে মাথার ত্বকে ভিনেগার হালকা করে ম্যাসাজ করে নিন। এতে ত্বকে তৈলাক্তভাব কমে যাবে, চুলও ঝরঝরে হবে। চুলে গ্লেজ আনতে চাইলে ব্যবহার করুন গ্ল্যাজ মাস্ক। চুলের কোনো ট্রিটমেন্ট করাতে চাইলে তা ঈদের দুদিন আগে করিয়ে নেওয়া ভালো। আর চুল কাটিং ও সেটিং করিয়ে নিতে হবে অন্তত এক সপ্তাহ আগে।

বেশির ভাগ মেয়েই সকালের সাজে শাড়ি বেছে নেন। আবার বিকেলে বা সন্ধ্যার আড্ডা বা পারিবারিক দাওয়াতে টপস বা সালোয়ার-কামিজেই স্বচ্ছন্দ থাকেন। তবে ঘরে বা বাইরে ঢিলেঢালা ও আরামদায়ক পোশাকই বেছে নেওয়া ভালো। সিনথেটিক বা মোটা কাপড়ের বদলে পাতলা ও সুতি, লিনেনের মতো আরামদায়ক কাপড়ের পোশাক দেবে স্বস্তি।

ঈদের মতো উৎসবে সবাই চান নিজেকে একটু আলাদা ও ট্রেন্ডি লুকে সাজিয়ে নিতে। প্রতি বছরই থাকে ব্যতিক্রম হয়ে ওঠার চেষ্টা। নতুন হালের মেকআপ, হেয়ারস্টাইলের বৈচিত্র্যে উৎসবের সাজ পায় ভিন্নতা। তার প্রস্তুতিও চলে তাই কিছুটা আগে থেকেই। এবারো তার ব্যাতিক্রম নয়। তবে বিপত্তি হলো গরম নিয়ে। সাজ ঠিকঠাক থাকবেতো? কেমন সাজে নিজেকে সাজাবেন সেই চিন্তাতো আছেই। নিজস্ব সংস্কৃতি, বা আটপৌরে আর ট্রেন্ডি- এই দুটি বিষয় নিজের মতো করে মিলমিশ করে নেয়াটাই এখন চল। যেমন শাড়ির সঙ্গে ট্রেন্ডি লুক আর হাল ফ্যাশনের কোনো পোশাকের সঙ্গে ক্ল্যাসিক লুক দেওয়া যায় অনায়াসেই। প্রয়োজন শুধু গরমবান্ধব মেকআপ পণ্য।


একটু টানা কাজল, ছোট্ট টিপ, হালকা মেকআপ আর কয়েক গোছা চুড়ি। ব্যাস এটুকু সাজই যে কোনো শাড়ির সঙ্গে মানিয়ে যায়। ঘেমে যাতে সাজ নষ্ট না হয় তার জন্য প্রয়োজন হয় ওয়াটার প্রুফ কিংবা দীর্ঘস্থায়ী মেকআপ উপকরণের। প্রথমেই বেইজ। মুখত্বক পরিষ্কার করে টোনার লাগিয়ে নিন। এবার আপনার ত্বকের ধরন বুঝে ত্বক ময়শ্চার করে নিন। এটি ত্বকে বসে যেতে মিনিট পাঁচেক সময় দিন। যেহেতু গরম তাই বেইজ খুব পুরু হবে না। প্রাইমারের ব্যবহার আপনাকে সাহায্য করবে ঠিকঠাক ফেস ক্যানভাস পেতে। এটি ত্বককে দীপ্তিময় করে তোলে। ত্বকের রঙের সঙ্গে মানানসই রঙের লিকুইড ফাউন্ডেশন লাগিয়ে তারপর কনসিলার দিন। দুটিই ম্যাট হবে। এটি অসাধারণ একটি বেইজ হাইলাইটার ও স্কিন টোন চমৎকারভাবে উজ্জ্বল করে তোলার উপায়। কনসিলার ডার্ক সার্কেল ঢেকে দিতে সাহায্য করবে। ত্বক তৈলাক্ত হলে আগে কিছুটা লুজ পাউডার লাগিয়ে নিতে পারেন। এতে মেকআপের স্থায়িত্বও বাড়বে। হালকা বেইজে দিনের বেলায়ও একটুখানি শিমারি পাউডার বুলিয়ে নিলে বেশ প্রাণবন্ত দেখাবে।

এবার চোখের সাজ। শেপ অনুযায়ী চোখের সাজটা দিতে হবে। আইব্রো এঁকে নিন প্রথমে। ঘন হলে আইব্রো না আঁকলেও চলে বা হালকা করে এঁকে নিতে হবে। চোখে দিন গাঢ় করে ওয়াটারপ্রুফ কাজল। চাইলে আইশ্যাডোর হালকা প্রলেপ ও সরু করে লাইনার ও কাজল লাগিয়ে নিতে পারেন। শ্যাডোর রঙ পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে বা মানানসই কোনো রঙ বেছে নিতে পারেন। অথবা লাগিয়ে নিতে পারেন ট্রেন্ডি কোনো কালার। অবশ্যই পোশাকের রঙের বিষয়টা মাথায় রেখে। এখন শিমারিং বা ম্যাট শ্যাডো দু’টিই সমান তালে চলছে। ব্রাইট বা ন্যাচারাল যে টোনই হোকনা, যে কোনো রঙকেই এটি প্রমিনেন্ট করে তোলে। এক্ষেত্রে গোল্ডেন শ্যাডোই যুতসই হবে। কারণ গাঢ় বা হালকা প্রায় সব রঙের সঙ্গেই এটি মানিয়ে যায় সহজে। সঙ্গে কাজল আর মাসকারা। গালে হালকা ব্রাউন বা পিঙ্ক ব্লাশঅন চিক ও থুতনিতে লাগিয়ে নিন। রোম্যান্টিক আবেদন তৈরি করতে পারেন ডাস্টি রোজ ব্লাশ প্রয়োগে। বাইরে যেতে এর শেড একটু গাঢ় করে নিন। কেননা তখন অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। আর এ কারণে ব্লাশঅন কিছুটা মুছে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বেছে নিন ম্যাট লিপস্টিক। পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে বা মানানসই কোনো রঙের। তবে লাল লিপস্টিক সব ধরনের সাজকেই দৃষ্টিনন্দন করে তোলে। আর ওয়াইন রেড হলেতো কথাই নেই।


ঈদের পরদিন সাধারণত পারিবারিক গেট টুগেদার থাকে। অনেকদিন বাদে আপনজনদের সঙ্গে দেখা। তাই সাজটাও থাকে একটু বেশি বেশি। বেইজের পুরুত্ব খানিকটা বাড়িয়ে দিন। চোখে পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে শ্যাডো লাগিয়ে নিন। ব্রাশের সাহায্যে শ্যাডো ভালো করে ব্ল্যান্ড করে নিন যাতে চোখের পাতার কোন অংশে কম বা বেশি মনে না হয়। চোখের উপরের পাতায় ও নিচে কাজল বা লাইনার লাগিয়ে নিন। আর কালারফুল শ্যাডোর বদলে কাজলকালো চোখ চাইলে ওপরের ও নিচের পাতায় কালো শ্যাডো মোটা করে লাইনার লাগানোর মতো করে লাগিয়ে নিন। এরপর ভেতরের অংশে গাঢ় করে কাজল লাগিয়ে নিন। কিংবা করে নিতে পারেন ডার্ক আই মেকআপ। সবশেষে মাসকারা। এই ডার্ক আই মেকআপ শাড়ি বা সালোয়ার-কামিজ যেস কোনো পোশাকের সঙ্গেই মানিয়ে যাবে।

এবার লিপস্টিক। এক্ষেত্রে ডিপ ব্রাউন, মেরুন, মেজেন্টা কিংবা পোশাকের রঙের সঙ্গে মানানসই কোনো রঙের প্রগাঢ় শেড আপনার সাজে এনে দেবে উৎসবের আমেজ। তবে লিপস্টিক ক্রিমি বা গ্লসি না হওয়াই ভালো।

 টিনদের সাজপোশাক অন্যান্য বয়সীদের থেকে খানিকটা আলাদা হয়। বয়সটাই প্রাণচঞ্চল। লুকে থাকে কোমল একটা ভাব। তাই মেকআপের বাড়াবাড়ি না করাই ভালো। শুধু তৈলাক্তভাব এড়াতে এক্কেবারে লাইট বেইজ মেকআপই যথেষ্ট। ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে সামান্য ময়শ্চারাইজার ও টোনার লাগিয়ে নিলে সাজ অনেকক্ষণ সতেজ ও সুন্দর থাকবে। ফাউন্ডেশন বাছাই করতে হবে স্কিন টোনের সঙ্গে মিলিয়ে। হালকা লিকুইড বেইজ ফাউন্ডেশন লাগিয়ে তার ওপর কনসিলার বা ট্র্যান্সলুসেন্ট পাউডার লাগাতে হবে। শুষ্ক ত্বকের জন্য ট্রান্সলুসেন্ট পাউডার এবং তৈলাক্ত ত্বকে কমপ্যাক্ট পাউডার ভালো। চোখে শ্যাডোর বদলে কালারফুল লাইনারের প্রগাঢ় রেখা বয়সের সঙ্গে মানিয়ে যাবে বেশ। একটু বৈচিত্র্য চাইলে প্রথমে কালো আইলাইনার দিয়ে লাইন টেনে তার ওপর পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে এক বা দুটি রঙিন পেনসিলের টান বেশ সুন্দর একটা লুক নিয়ে আসবে চোখে। চোখের এই সাজের সঙ্গে ঠোঁটে পিংক, কোরাল, পিচ এমন রংগুলো মানিয়ে যাবে।

লাল লিপস্টিক বা বোল্ড লিপ চাইলে চোখের রঙে একটু মিতব্যয়ী হতে হবে। সে ক্ষেত্রে চোখে যেকোনো একরঙা শিমারি শ্যাডো চলতে পারে। আর লুকে বাড়তি সতেজতা আনতে চাইলে হালকা একটু ব্লাশঅনেই কাজ হয়ে যাবে।

গরম যেহেতু চরম পড়ছে তাই চুল বেঁধে রাখাই ভালো। বেণির বিভিন্ন রকমের বান বা পনিটেল বেশ স্বস্তিকর। খানিকটা উঁচু করে খোঁপাও বেঁধে নিতে পারেন। বিভিন্ন ফুলেল বা স্টোনের অ্যাকসেসরিজ দেবে উৎসবের পূর্ণতা। নজর রাখুন সাজ আর পোশাকের সামঞ্জস্য যেন ঠিক থাকে। সাজসজ্জা যেন কোনোভাবে আপনার অভিরুচি ও ব্যক্তিত্বে বিরূপ প্রভাব না ফেলে। আর অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনেই উৎসব পালন করুন। আনন্দ যেন কষ্টকর অভিজ্ঞতায় পরিণত না হয়।

প্রধান সম্পাদক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ | প্রকাশক: নাহিদা আকতার জাহেদী

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Design & Developed By Root Soft Bangladesh