ওএসডি নিয়ে নতুন সুখবর

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২১, ০৮:১৯ পিএম

রায় প্রদানকারী বিচারপতিদ্বয়ের স্বাক্ষরের পর সোমবার (৭ জুন) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে এ রায়টি প্রকাশিত হয়েছে।

রায় প্রদানকারী বিচারপতিদ্বয়ের স্বাক্ষরের পর সোমবার (৭ জুন) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে এ রায়টি প্রকাশিত হয়েছে।

কোন সরকারি কর্মকর্তাকে ১৫০ দিনের বেশি অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি (ওএসডি) করে রাখার বিধান অবৈধ ঘোষণা করা হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়ের অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে।

রায় প্রদানকারী বিচারপতিদ্বয়ের স্বাক্ষরের পর সোমবার (৭ জুন) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে এ রায়টি প্রকাশিত হয়েছে। এর আগে ২১ পৃষ্ঠার ওই রায়ে স্বাক্ষর প্রদান করেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ।

পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে, কোনও কর্মকর্তাকে ১৫০ দিনের বেশি ওএসডি করে রাখা যাবে না। ওএসডি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের তদন্ত কাজ অবশ্যই ১৫০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে।

আরও বলা হয়েছে, ‘কোনও কর্মকর্তাকে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) হিসেবে পদায়ন করা হলে অকারণে দেরি না করে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা নিরূপণের জন্য সরকারকে অবশ্যই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে। তদন্ত কমিটি যদি অভিযোগের সারবত্তা খুঁজে পায় তাহলে সরকারের উচিত হবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।’

একইসঙ্গে এই পূর্ণাঙ্গ রায়ের অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে ওএসডির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেছিলেন সাবেক সচিব এম আসাফউদ্দৌলাহ।

রিটে বলা হয়েছিলো, ১৯৯১ সালের ৩ অক্টোবর মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে সর্বনিম্ন ৪৫ এবং সর্বোচ্চ ১৫০ জনকে ওএসডি করে রাখার বিধান রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে এর ব্যতিক্রম হচ্ছে। তাই ওএসডির বিষয়ে আদালতের কাছ থেকে সিদ্ধান্ত চাওয়া হয়।

ওই রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি ১৫০ দিনের বেশি সরকারি কর্মকর্তাদের ওএসডি করে রাখার বিধান অবৈধ ঘোষণা করে রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে যেসব সরকারি কর্মকর্তা ১৫০ দিনের বেশি সময় অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি (ওএসডি) আছেন তাদেরকে নিজ নিজ পদে পুনর্বহালের নির্দেশ দেন আদালত। এ ছাড়াও একজন সিনিয়র সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার অনীক আর হক। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাস গুপ্ত।

প্রধান সম্পাদক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ | প্রকাশক: নাহিদা আকতার জাহেদী

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Design & Developed By Root Soft Bangladesh