ইকুয়েডরে কারাগারে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১৬

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:০৫ এএম

কারাগারের সামনে স্বজনদের ভিড়। ছবি : রয়টার্স

কারাগারের সামনে স্বজনদের ভিড়। ছবি : রয়টার্স

ইকুয়েডরের গুয়ায়েকিলের একটি কারাগারে কয়েদিদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ ও বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১৬ জনে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে  গুয়াইয়াস প্রদেশের পেনিতেনসিয়ারিয়া ডেল লিতোরাল কারাগারে দাঙ্গার এ ঘটনাটি ঘটে। এতে আরও ৮০ জন বন্দি আহত হন।

গতকাল বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির প্রেসিডেন্ট গিয়ারমো লাসো একথা জানিয়েছে। এ ধরনের প্রাণঘাতী দাঙ্গার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে তিনি অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী পাঠাবেন ও তহবিল ছাড় করাবেন বলেও জানিয়েছেন লাসো।

কারাগারে সংঘাতের সময় আগ্নেয়াস্ত্র ও গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। আঞ্চলিক পুলিশ কমান্ডার জেনারেল ফাস্তো বুয়েনানো জানান, বন্দুকযুদ্ধ ও গ্রেনেড বিস্ফোরণে এসব বন্দি নিহত হয়েছে।

জেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অন্তত পাঁচজনের গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। বাকিদের মৃত্যু হয়েছে গুলি লেগে। ছুরির আঘাতে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, কারাগারের জানালা থেকে গুলি ও বিস্ফোরক ছুড়ছেন কয়েদিরা। গুয়াইয়াকুইলের প্রধান পুলিশ কর্মকর্তা ফাউস্তো বুয়োনানো এএফপিকে জানিয়েছেন, মঙ্গলবারের সংঘাতে অ্যাসল্ট রাইফেল, পিস্তল, গ্রেনেড ও ধারাল অস্ত্র ব্যবহার করতে দেখা গেছে কারারক্ষীদের।

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, ইকুয়েডরের ওই রুট দিয়ে মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মাদক পাচার হয়। ইকুয়েডরের নাগরিকরাও ওই চক্রের সঙ্গে যুক্ত। মাদক চক্রের দুইটি গ্যাং অত্যন্ত সক্রিয়। একটির নাম লস লোবোস ও অন্যটি লস কোনেরস। মঙ্গলবার এই দুইটি গ্যাংয়ের মধ্যেই জেলের ভিতর লড়াই শুরু হয়।

একুয়েডরের কারাগারগুলোতে এ পর্যন্ত যেসব সহিংসতার খবর হয়েছে তার মধ্যে মঙ্গলবারের দাঙ্গাই সবচেয়ে প্রাণঘাতী ছিল। এর আগে ফেব্রুয়ারিতে একুয়েডরের আরেকটি কারাগারে দাঙ্গায় অন্তত ৭৯ জন এবং জুলাইতে আরেকটিতে অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছিল। -রয়টার্স, ডয়চে ভেলে ও এএফপি

প্রধান সম্পাদক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ | প্রকাশক: নাহিদা আকতার জাহেদী

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Design & Developed By Root Soft Bangladesh