বায়ুদূষণ ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছায়

দিল্লিতে স্কুল বন্ধ, বাড়ি থেকে কাজের নির্দেশ

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৪ নভেম্বর ২০২১, ১১:৫৪ এএম | আপডেট: ১৪ নভেম্বর ২০২১, ০১:১৪ পিএম

বায়ুদূষণ ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছেছে দিল্লিতে। ছবি : পিটিআই

বায়ুদূষণ ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছেছে দিল্লিতে। ছবি : পিটিআই

বায়ুদূষণ ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছে যাওয়ায় ভারতের রাজধানী দিল্লিতে আগামী সাতদিনের জন্য স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকার। 

পাশাপাশি সরকারি কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে দিল্লিতে সব নির্মাণ কাজ আপাতত বন্ধ রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

দিপাবলি পরবর্তী সময়ে দিল্লি ধোঁয়াশায় ঢেকে যাওয়ার কারণেই এই নির্দেশ বলে জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। আপাতত আগামীকাল সোমবার (১৫ নভেম্বর) থেকে পরবর্তী সাতদিনের জন্য এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে নির্মাণ কাজ, যেগুরো থেকে ধুলা ছড়ায়, সেগুলো আপাতত আজ রবিবার (১৪ নভেম্বর) থেকে বন্ধ রাখতে বলেছে দিল্লি সরকার।

গতকাল শনিবার (১৩ নভেম্বর) দূষণে ঢাকা দিল্লি নিয়ে কেজরি সরকারকে কড়া কথা শুনিয়েছিল শীর্ষ আদালত। দিল্লি সরকারের তরফে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, সেগুরো বাস্তবায়িত হচ্ছে না কেন, সেই প্রশ্ন তোলেন সুপ্রিম কোর্ট। জরুরি ভিত্তিতে এই দূষণ নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিতেও বলা হয়। 

তারপরেই কেজরিওয়াল বলেন, ‘১৫ তারিখ থেকে আগামী সাতদিনের জন্য স্কুল বন্ধ থাকবে। ক্লাস হবে ভার্চুয়াল মাধ্যমে। এই সাতদিন সরকারি দফতরের কর্মীদেরও কাজ করতে হবে বাড়ি থেকে। সব কর্মীরাই বাড়ি থেকে কাজ করবেন। প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের হবেন না। বেসরকারি দফতরগুলোর ক্ষেত্রেও এই নির্দেশ যাতে কার্যকর করা যায়, সেই মর্মে অনুরোধ করা হচ্ছে। এছাড়া ১৪ থেকে ১৭ নভেম্বর বন্ধ থাকবে নির্মাণ কাজ। তবে এই গোটা ঘটনাটিকে ‘লকডাউন’ বলা যাবে না।’

দিল্লি ও দিল্লির উপকণ্ঠের অঞ্চল- যেমন গুরুগ্রাম, নয়ডা, গাজিয়াবাদ দূষণের তীব্র দাপটে ঢাকা পড়ে গেছে। দিপাবলির কারণেই এমন পরিস্থিতির তৈরি হচ্ছে প্রায় প্রতি বছরই। বছর বছর এই নিয়ে আদালতের নির্দেশও আসছে। তবু রাজধানীর চেহারা পাল্টায়নি। এ বছর শত নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত সেই ধোঁয়াশায় ঢেকে গিয়েছে দিল্লি শহর। -আনন্দবাজার পত্রিকা

প্রধান সম্পাদক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ | প্রকাশক: নাহিদা আকতার জাহেদী

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Design & Developed By Root Soft Bangladesh