মিষ্টি কুমড়ার বাম্পার ফলন

দেওয়ান আবুল বাশার, মানিকগঞ্জ

প্রকাশ: ০৬ এপ্রিল ২০২২, ০৩:৩৭ পিএম

ছবি: মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

ছবি: মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জে দিন দিন বাড়ছে মিষ্টি কুমড়ার আবাদ। সময়, শ্রম ও খরচ কম হওয়ায় এবং ভালো দাম পাওয়ায় এই সবজির আবাদ করতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন কৃষক। ঘিওরের এই মিষ্টি কুমড়া এখন স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিপণন করা হচ্ছে। এই সবজির বীজ বপনের সময় শীতকালীন ফসলের জন্য অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর এবং গ্রীষ্মকালীন ফসলের জন্য ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস।

ঘিওর উপজেলার পয়লা ইউনিয়ন সবজি এলাকা হিসেবে খ্যাত। মৌসুমি সবজি- আলু, পটোল, শিম, বেগুন, লাউ, মিষ্টি কুমড়া, ঢেঁড়স, করলাসহ বিভিন্ন শাক-সবজির আবাদ হয়ে থাকে এখানে। মৌসুমভিত্তিক ফসল চাষের জন্য কৃষি অফিস থেকে কীটনাশকমুক্ত সবজি চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে কৃষকদের। ফলে প্রতি বছরই মিষ্টি কুমড়ার আবাদ বাড়ছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যচ্ছে এসব।

ঘিওর উপজেলার বাইলজুরী গ্রামের চান মোল্লা বলেন, দুই বিঘা জমিতে মিষ্টি কুমড়ার আবাদ করেছি। চাষ, সার, ওষুধ ও অন্যান্যসহ বিঘাপ্রতি খরচ হয়েছে প্রায় ১৬-১৮ হাজার টাকা। প্রতি বিঘায় প্রায় ১০০-১২০ মণের মতো উৎপাদন হয়। পাইকারি দরে ৮-১০ টাকা কেজিতে প্রতিটি কুমড়া বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ টাকায়।

ঘিওর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ বিপুল হোসেন বলেন, ভালো ফলন হওয়ায় গত কয়েক বছর থেকে চাষিরা মিষ্টি কুমড়ার আবাদ করছেন। মিষ্টি কুমড়ার আবাদে সঠিক সময়ে পরাগায়ন হলে উৎপাদনও বৃদ্ধি পায়। মৌসুমভিত্তিক ফসল চাষের জন্য কৃষি অফিস থেকে মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ফলে বিষমুক্ত ফসল উৎপাদনে কৃষকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া পড়েছে।

প্রধান সম্পাদক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ | প্রকাশক: নাহিদা আকতার জাহেদী

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Design & Developed By Root Soft Bangladesh