আজ দেওয়া হচ্ছে ২৮ এপ্রিলের টিকিট, বিছানা-বালিশ নিয়ে স্টেশনে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৪ এপ্রিল ২০২২, ১০:৩৭ এএম

অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরুর দিন গতকাল নারী-পুরুষ উভয় লাইনেই ছিল উপচেপড়া ভিড়। ছবি : স্টার মেইল

অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরুর দিন গতকাল নারী-পুরুষ উভয় লাইনেই ছিল উপচেপড়া ভিড়। ছবি : স্টার মেইল

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের জন্য রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। আজ রবিবার (২৪ এপ্রিল) দেওয়া হচ্ছে ২৮ এপ্রিলের টিকিট। প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনেও টিকিট পেতে ভিড় লেগেছে মানুষের। ভোর থেকেই কমলাপুর রেলস্টেশনে কাউন্টারের সামনে লাইনে দাঁড়িয়েছেন টিকিটপ্রত্যাশীরা। 

আবার অনেকে রাত থেকেই দাঁড়িয়েছেন। কাঙ্ক্ষিত টিকিট পেতে বিছানা-বালিশ নিয়ে রাত থেকেই রেলস্টেশনে অপেক্ষা করেন অনেকেই। কেউ কেউ অভিযোগ করছেন, অনলাইনে কাটতে পারছেন না টিকিট। আছে কালোবাজারির অভিযোগও।

গত শনিবার (২৩ এপ্রিল) ইফতারের পর থেকেই সন্তানকে কোলে নিয়ে কমলাপুর রেলস্টেশনে টিকিট কাউন্টারের সামনে অপেক্ষায় আছেন এক নারী। রেলের টিকিট পেতে বিছানা-বালিশ নিয়ে আসেন থাকার প্রস্তুতি হিসেবে। আজ সকাল ৮টায় টিকিট বিক্রি শুরুর কথা থাকলেও ওই নারীর মতো আরো অনেক যাত্রীই লম্বা লাইনে রাত থেকেই অপেক্ষায়। রাত বাড়ার সাথে সাথে দীর্ঘ হয় লাইন।

খুলনা যাওয়ার টিকিট নিতে এসেছেন মো. মাহির নামের এক ব্যক্তি। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,গতকাল রাত ৩টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়েছি। এখনো অনেক মানুষ সামনে। পরিবার নিয়ে গ্রামে যাওয়াই কঠিন হয়ে যায় ঈদে।

করোনাভাইরাসের বিধিনিষেধের দুই বছর পর যানজট এড়িয়ে নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে ট্রেনের টিকিট পেতে এ লড়াই। এ সময় কেউ কেউ অভিযোগ করছেন টিকিট কালোবাজারিরও।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, টিকিট কালোবাজারে চলে যাচ্ছে। অনলাইনে টিকিট কাটা যাচ্ছে না। এখন অফলাইনে পাব কি না বলতে পারছি না।

ঘোষণা অনুযায়ী, শনিবার (২৩ এপ্রিল) থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট দেওয়া শুরু হয়। এদিন দেওয়া হয় ২৭ এপ্রিলের টিকিট, আর ২৮ এপ্রিলের টিকিট দেওয়া হবে ২৪ এপ্রিল।

এছাড়া ২৫ এপ্রিল দেওয়া হবে ২৯ এপ্রিলের টিকিট, ২৬ এপ্রিল দেওয়া হবে ৩০ এপ্রিলের টিকিট এবং ১ মে’র টিকিট দেওয়া হবে ২৭ এপ্রিল।

আর ৩ মে ঈদ হলে ২৮ এপ্রিল বিক্রি করা হবে ২ মে’র ট্রেনের টিকিট। ঈদযাত্রা শেষে ট্রেনের ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হবে ১ মে থেকে।

এবারের ঈদযাত্রার সুবিধার্থে ছয় জোড়া বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। সেগুলো হচ্ছে- চাঁদপুর স্পেশাল দুই জোড়া, দেওয়ানগঞ্জ স্পেশাল এক জোড়া, শোলাকিয়া স্পেশাল দুই জোড়া, খুলনা স্পেশাল এক জোড়া। 

তবে এসব ট্রেনের টিকিট শুধু স্টেশন কাউন্টারে বিক্রি করা হবে, অনলাইনে বিক্রি করা হবে না।

প্রধান সম্পাদক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ | প্রকাশক: নাহিদা আকতার জাহেদী

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Design & Developed By Root Soft Bangladesh