প্রান্তিক আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে নকিয়া

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২২, ১২:১৮ পিএম

নকিয়ার নিট বিক্রি ৫ শতাংশ বেড়ে ৫৩৫ কোটি ইউরো ছাড়িয়ে গেছে। ছবি: সংগৃহীত

নকিয়ার নিট বিক্রি ৫ শতাংশ বেড়ে ৫৩৫ কোটি ইউরো ছাড়িয়ে গেছে। ছবি: সংগৃহীত

টেলিকম যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান নকিয়া বিশ্বে চলমান চিপ ও সরবরাহ সংকট এবং যন্ত্রাংশের উচ্চমূল্যের মধ্যেও প্রান্তিক আয়ে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে। ফাইভজি পণ্যের চাহিদা থাকায় এটি সম্ভব হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্মার্টফোনের ব্যবসায় অবনতির পর নকিয়া ফাইভজি প্রযুক্তির বিকাশ, গবেষণা ও প্রযুক্তি পণ্যের উৎপাদন খরচ কমাতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটি সুইডেনের এরিকসন এবং চীনের হুয়াওয়ের বাজারে প্রভাব বিস্তার করতে থাকে। তবে বৈশ্বিক চিপ সংকট ও কভিড-১৯ মহামারীর কারণে চীনে নতুন করে আরোপিত লকডাউন ও বিধিনিষেধের কারণে নকিয়ার সরবরাহ চেইনে চাপ পড়ে। সংকটের কারণে নকিয়ার পণ্য উৎপাদনে যেসব যন্ত্রাংশ ব্যবহৃত হয়, সেগুলোর মূল্যও বাড়তে থাকে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে নকিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) পেকা লান্ডমার্ক বলেন, দাম বাড়ার বিষয়টি পরিষ্কার। যন্ত্রাংশ, চিপ বা সেমিকন্ডাক্টর থেকে শুরু করে সবকিছুর মূল্যই বাড়ছে। দাম বাড়ার বিষয়টি গ্রাহক ব্যয়ে যুক্ত করা যায় কিনা, সে বিষয়ে বর্তমানে আমরা কাজ করছি।

নকিয়া যখন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও এশিয়ার কিছু অংশকে ফাইভজি পণ্যের উচ্চ চাহিদাসম্পন্ন অঞ্চল বলে গণ্য করছে তখন প্রযুক্তিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা ভারতকে ফাইভজি বিস্তারের অন্যতম বড় ক্ষেত্র মনে করছেন। কেননা দেশটিতে এখনো সেভাবে ফাইভজি প্রযুক্তির বিস্তার হয়নি।

চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে নকিয়ার পরিচালন মুনাফা ৫৮ কোটি ৩০ লাখ ইউরো। গত বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৫৫ কোটি ১০ লাখ ইউরো। যেখানে রেফিনিটিভের গবেষকরা ৫১ কোটি ৩০ লাখ ইউরো আয়ের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। ফিক্সড ও সাবমেরিন নেটওয়ার্কে ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে এ প্রান্তিকে নকিয়ার নেটওয়ার্ক অবকাঠামো ৯ শতাংশ বেড়েছে। পাশাপাশি নিট বিক্রি ৫ শতাংশ বেড়ে ৫৩৫ কোটি ইউরো ছাড়িয়ে গেছে। যেখানে ৫২৬ কোটি ইউরোর পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল।

অন্যদিকে টেলিকম খাতে বিদ্যমান রেডিও নেটওয়ার্ক অবকাঠামোর উন্নয়ন ও ফাইভজি পরিষেবা বিস্তারে টি-মোবাইল পলস্কার সাথে ১০ বছরের চুক্তি করেছে নকিয়া। চুক্তির অংশ হিসেবে ফিনল্যান্ডের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি টি-মোবাইলের নেটওয়ার্কে তাদের শেয়ার ৫০ শতাংশে উন্নীত করবে। বিনিয়োগ কার্যক্রম এরই মধ্যে শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। টি-মোবাইল পলস্কাকে সর্বাধুনিক এয়ারস্কেল ইকুইপমেন্টের অন্তর্গত সিঙ্গেল আরএএন, এয়ারস্কেল বেজ স্টেশন এবং ইনডোর ও আউটডোর কভারেজের জন্য ফাইভজি ম্যাসিভ মিমো অ্যান্টেনা সরবরাহ করবে।

প্রধান সম্পাদক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ | প্রকাশক: নাহিদা আকতার জাহেদী

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Design & Developed By Root Soft Bangladesh