চিনি রপ্তানি বন্ধ করছে ভারত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৩, ০৯:৫৪ এএম | আপডেট: ২৪ আগস্ট ২০২৩, ০৯:৫৫ এএম

ভারতের একটি পাইকারি বাজারে চিনির বস্তা লোড করা হচ্ছে। ছবি- সংগৃহীত

ভারতের একটি পাইকারি বাজারে চিনির বস্তা লোড করা হচ্ছে। ছবি- সংগৃহীত

চিনি রপ্তানি নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। গত ৭ বছরের মধ্যে এবারই প্রথমবার এই পদক্ষেপ নিচ্ছে দেশটি। এমনটি হলে বাংলাদেশের চিনির বাজারে ব্যাপক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আজ বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) ভারত সরকারের কযেকটি সূত্রের বরাত দিয়ে  এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী অক্টোবর থেকে ভারতে নতুন মৌসুম শুরু হতে চলেছে এবং সেই সময় থেকেই মিলগুলোর ওপর চিনি রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে। যা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছে দেশটির তিনটি সরকারি সূত্র।

ভারতের সরকারি সূত্রগুলোর দাবি, বৃষ্টির অভাবে আখের ফলন কমে যাওয়ায এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে গত সাত বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো ভারতের বাইরে দেশটির চিনির চালান বন্ধ হয়ে যাবে। 

এদিকে বিশ্ববাজারে ভারতের চিনির অনুপস্থিতি এই পণ্যের দাম আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। যা বিশ্বব্যাপী খাদ্য বাজারে আরও মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা তৈরি করছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারি সূত্র জানিয়েছে, আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হচ্ছে- চিনির স্থানীয় চাহিদা পূরণ করা এবং উদ্বৃত্ত আখ থেকে ইথানল তৈরি করা। আসন্ন মৌসুমে রপ্তানি কোটায় বরাদ্দ করার জন্য আমাদের কাছে পর্যাপ্ত চিনি থাকবে না।

রয়টার্স বলছে, গত মৌসুমে রেকর্ড ১১.১ মিলিয়ন টন চিনি বিক্রি করার পর ভারত চলতি মৌসুমের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মিলগুলোকে মাত্র ৬.১ মিলিয়ন টন চিনি রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে। এর আগে ২০১৬ সালে বিদেশে বিক্রি রোধ করতে চিনি রপ্তানির ওপর ২০ শতাংশ কর আরোপ করেছিল ভারত।

ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য মহারাষ্ট্র এবং কর্ণাটকে একসাথে যে আখ উৎপাদন হয় তাতে ভারতের মোট চিনি উৎপাদনের অর্ধেকেরও বেশি হয়ে থাকে। তবে ভারতের আবহাওয়া বিভাগের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, মহারাষ্ট্র এবং কর্ণাটকে সবচেয়ে বেশি আখ চাষ হয় এমন জেলাগুলোতে মৌসুমি বৃষ্টিপাতের কারণে চলতি বছর এখন পর্যন্ত গড় উৎপাদন ৫০ শতাংশেরও কম হয়েছে।

এর আগে ভারত গত মাসে বাসমতি নয় এমন সাদা চাল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এছাড়া গত সপ্তাহে পেঁয়াজের রপ্তানিতে ৪০ শতাংশ শুল্কও আরোপ করেছে নয়াদিল্লি।

সম্পাদক ও প্রকাশক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Design & Developed By Root Soft Bangladesh