ড. ইউনূসের মামলায় সাংবাদিকদের আদালত থেকে বের করে দিয়েছেন বিচারক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০১:৩০ পিএম | আপডেট: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০১:৩৬ পিএম

এজলাস থেকে সাংবাদিকদের বের করে দিয়েছেন বিচারক। ছবি: সংগৃহীত

এজলাস থেকে সাংবাদিকদের বের করে দিয়েছেন বিচারক। ছবি: সংগৃহীত

শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ও নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে করা মামলার এজলাস থেকে সাংবাদিকদের বের করে দিয়েছেন বিচারক।

আজ মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে বাদী কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের পরিদর্শক তরিকুল ইসলামকে জেরা করার সময় এঘটনা ঘটে।

এসময় ড. ইউনূসের আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন প্রশ্ন তোলেন, এটা কি ক্যামেরা ট্রায়াল যে সাংবাদিকদের বের করে দেয়া হলো। তিনি বলেন, আপিল বিভাগেও সাংবাদিকরা থাকেন। তাদের সরে যেতে বলা হয়না। তাহলে এখানে কেন?

প্রশ্নের জবাবে বিচারক বেগম শেখ মেরিনা সুলতানা বলেন, সবাইকে নিয়ে বিচার শেষ করতে পারবো না আমরা।

গত ২২ আগস্ট ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। তার আংশিক সাক্ষ্যগ্রহণের পর ৩১ আগস্ট ফের সাক্ষ্য নেয়ার জন্য দিন ধার্য ছিলো। কিন্তু ওইদিন সকালে এই সাক্ষীর বাবা মারা যাওয়ায় বাকি সাক্ষ্যগ্রহণের জন্যে আজকের দিন ধার্য করা হয়।

এর আগে গত ৬ জুন তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন আদালত।

গত ৬ জুন মামলার চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করার মধ্যদিয়ে বিচার শুরু হয়। কিন্তু এ মামলার অভিযোগ গঠনের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে ড. ইউনূস হাইকোর্টের আবেদন করেছিলেন। হাইকোর্ট সে আবেদন খারিজ করার পর তার বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করেন আইনজীবীরা। আপিল আবেদনেও হাইকোর্টের সেই খারিজ আদেশ বহাল রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এরপর নিয়ম অনুযায়ী বিচারক বেগম শেখ মেরিনা সুলতানার আদালতে গত ২২ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। তারই ধারাবাহিকতায় আজ সেটির শুনানি আবারও অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য, গত ৩০ মে ড. ইউনূসকে প্রধান আসামি করে আরও ১২ জনের নামে মামলা করে দুদক। মামলায় গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারী কল্যাণ তহবিলের ২৫ কোটি ২২ লাখ ৬ হাজার ৭৮০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। দুদকের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদী হয়ে ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করেন।

সম্পাদক ও প্রকাশক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Design & Developed By Root Soft Bangladesh