মধ্যপ্রাচ্য চষে বেড়িয়ে কী ফল আনলেন ব্লিঙ্কেন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৩, ০৬:৪৬ পিএম | আপডেট: ০৭ নভেম্বর ২০২৩, ০৬:৫৪ পিএম

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। ছবি- সংগৃহীত

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। ছবি- সংগৃহীত

চলমান গাজা ইস্যুতে তিনদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্য চষে বেড়ালেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। ব্লিনকেন তার তিনদিনের সফরে শুক্রবার ইসরায়েল, শনিবার জর্দান, রবিবার পশ্চিম তীর, ইরাক ও সোমবার তুরস্ক গেছেন।

তবে কোন ধরনের সুরাহা ছাড়াই তিনদিনের ঝটিকা সফর শেষ করেছেন তিনি। এরপর জাপানে জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের কথা রয়েছে ব্লিঙ্কেনের। সেখানে গাজা ইস্যু নিয়ে আলোচনা তুলবেন মার্কিন পররাষ্টমন্ত্রী। 

মধ্যস্থতাকারী হিসেবে শাটল কূটনীতি করলেও তাতে ব্যর্থ হয়েছেন ব্লিঙ্কেন। গাজা ইস্যুতে যুদ্ধবিরতি  নেওয়ার জন্য ইসরায়েলি নেতাদের উৎসাহিত করলেও কোন লাভ হয়নি। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরাসরি নাকচ করেন। তবে আরব দেশগুলো তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান। একই সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কাছে যুদ্ধ বিরতির বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি প্রথমে সম্মত হলেও পরে বেকে বসেন।

গত রবিবার সকালে রামাল্লায় গিয়ে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে বৈঠক করেন ব্লিঙ্কেন। তবে সেখানে যুদ্ধ বিরতি নিয়েও কোন আলোচনা হয়নি। সেদিনই ইরাকের প্রধানমন্ত্রী শিয়া আল সুদানির সঙ্গে বৈঠক করেন ব্লিঙ্কেন।  সবশেষ সোমবার তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকাম ফিদানের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। গাজা সহিংসতা নিয়ে শুরু থেকেই তুরস্কের ক্ষোভ ছিলো তুঙ্গে। এরইমধ্যে নেতানিয়াহুর সঙ্গে সব ধরণের যোগাযোগ ছিন্ন করেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান।

এদিকে সফর শেষে কোন সমাধান না আসায় ব্লিঙ্কেন বলেন, আমরা  গাজাবাসীর জন্য গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। হতাহতের সংখ্যা যেনো কমানো যায় সে বিষয়ে আমরা ইসরায়েলিদের সঙ্গে কথা বলেছি। গাজায় যেনো মানবিক সহায়তা কোন ধরণের ঝামেলা ছাড়া পাঠানো যায় সে বিষয়ে আমরা তদারকি করছি। সংখ্যায় বেশি মানুষের কাছে যেনো বাধাহীনভাবে সাহায্য পাঠানো যায় আমরা সে বিষয়ে কাজ করছি।

এদিকে ৩২ দিনের সহিংসতায় গাজায় নিহতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। 

সূত্র- দ্য গার্ডিয়ান

সম্পাদক ও প্রকাশক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Design & Developed By Root Soft Bangladesh