ভারতে টানেল ধস

সুড়ঙ্গে আটকা শ্রমিকদের উদ্ধার কিছুক্ষণের মধ্যে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ নভেম্বর ২০২৩, ০৭:২৩ পিএম

১৭ দিন ধরে চেষ্টার পর সুড়ঙ্গে পাইপ বসাতে সক্ষম হয়েছে উদ্ধারকর্মীরা। ছবি- সংগৃহীত

১৭ দিন ধরে চেষ্টার পর সুড়ঙ্গে পাইপ বসাতে সক্ষম হয়েছে উদ্ধারকর্মীরা। ছবি- সংগৃহীত

১৭ দিন ধরে চেষ্টার পর অবশেষে তাদের উদ্ধারে পাইপ বসাতে সক্ষম হয়েছে উদ্ধারকর্মীরা। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ভারতের উত্তরাখণ্ডের সিল্কিয়ারা টানেলে আটকা পড়া ৪১ শ্রমিককে মুক্ত করা সম্ভব হবে।

আজ মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) ভারতের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী এক টুইট বার্তায় এ তথ্য জানান।

এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, উদ্ধারকারী দল শেষ কয়েক মিটার ধ্বংসাবশেষ পরিষ্কার করে ফেলেছে। প্রায় ৬০ মিটার খনন করে পাইপ স্থাপনের মাধ্যমে উদ্ধারের পথ তৈরি করতে হাইটেক যন্ত্র ও অগার মেশিন ব্যবহার করা হলেও সেগুলো মাঝপথেই অকেজো হয়ে পড়ে। অগার মেশিন ব্যর্থ হওয়ার পর ইঁদুরের গর্ত তৈরির মতো হাতে খনন পদ্ধতি কাজে লাগানো হয়।

মঙ্গলবার বিকেলে মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী এক টুইটে বলেন, ঈশ্বরের দয়ায় ও কোটি কোটি দেশবাসীর প্রার্থনায় এবং উদ্ধারকর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে শ্রমিকদের উদ্ধার করার জন্য পাইপ স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। শিগগিরই শ্রমিক ভাইদের বের করে আনা হবে।

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বাহিনী ও জরুরি চিকিৎসা সেবাদাতারা স্ট্রেচার নিয়ে টানেলের বাইরেই অপেক্ষা করছেন। তারা শ্রমিকদের শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করে তাঁদের বের করার প্রক্রিয়া শুরু করবেন। টানেলের মুখেই একটা অস্থায়ী মেডিকেল সেন্টার স্থাপন করে হয়েছে। এখানে তাঁদের পরীক্ষা করা হবে এবং অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যাওয়ার আগে প্রয়োজন হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হবে।

ঘটনাস্থলে প্রত্যেক আটকে থাকা শ্রমিকের জন্য একটি করে অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত আছে। শ্রমিকদের উদ্ধার করার পরই তাদের টানেল থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে চিন্যালিসর হাসপাতালে স্থানান্তরের জন্য একটি গ্রিন করিডর তৈরি করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে অক্সিজেন সেবা, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও ওষুধসহ ৪১টি বেড প্রস্তুত করে রাখা আছে।

এর আগে আটকে থাকা শ্রমিকদের স্বজনদের প্রস্তুত হয়ে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সূত্র- এনডিটিভি

সম্পাদক ও প্রকাশক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Design & Developed By Root Soft Bangladesh