বয়স লারা দত্তকে যে স্বাধীনতা দিয়েছে

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৪, ০১:১১ পিএম

বলিউড অভিনেত্রী ও সাবেক বিশ্ব সুন্দরী লারা দত্ত। ছবি: সংগৃীত

বলিউড অভিনেত্রী ও সাবেক বিশ্ব সুন্দরী লারা দত্ত। ছবি: সংগৃীত

একের পর এক, দারুণ সব ওয়েব ফিল্মে নিজেকে মেলে ধরছেন সাবেক বিশ্ব সুন্দরী ও বলিউড অভিনেত্রী লারা দত্ত। এবার ‘রণনীতি: বালাকোট অ্যান্ড বিয়ন্ড’ ওয়েব সিরিজের কারণে আবার চর্চায় তিনি। তাকে নতুন একটি চরিত্রে দেখা যাবে এই ওয়েব ফিল্মটিতে।

এমন চরিত্রে অভিনয়েল সুযোগ পেয়ে খুশি লারা দত্তও । তিনি বলেন, এখন নিজেকে নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সুযোগ পাচ্ছি। আমার বয়স আমাকে স্বাধীন করেছে। আমার বয়স যত বেড়েছে, আমি ততই নিরীক্ষাধর্মী কাজ করতে আগ্রহী হয়ে উঠেছি। শুধু গ্ল্যামারাস চরিত্রে অভিনয় করা বা এক ধরনের চরিত্রে অভিনয় করার প্রক্রিয়া থেকে আমি অবশেষে বের হতে পেরেছি। এখন নির্মাতাদের আমাকে দেখার নজর বদলেছে।

তিনি আরও বলেন, ওটিটি আসার সঙ্গে এই বদলের সম্পর্ক আছে। এখন চলচ্চিত্র নির্মাণের সব ক্ষেত্রে মেয়েদের দাপট বেড়েছে। অভিনেত্রীদের জন্য এখন শক্তিশালী চরিত্র লেখা হচ্ছে। সিনেমা বা সিরিজের মূল চরিত্রের অভিনেত্রীকে ২০-৩০ বছরের হতে হবে, তার কোনো মানে নেই। যেকোনো বয়সী অভিনেত্রীরা এখন মূল চরিত্রে অভিনয় করতে পারেন।

জিও সিনেমার ‘রণনীতি: বালাকোট অ্যান্ড বিয়ন্ড’ সিরিজ প্রসঙ্গে লারা বলেছেন, আমার বাবা সামরিক বাহিনীতে ছিলেন। আমার বাবা ভারতের হয়ে তিনটি যুদ্ধে লড়েছেন। আমার বোন কারগিল যুদ্ধে শামিল হয়েছিলেন। প্রকল্পটি নির্বাচনের এটিই মূল প্রেরণা। যুদ্ধের সময় সামরিক বাহিনীর সদস্যের পরিবারের মানুষদের কী অবস্থার মধ্যে দিন কাটে, তা আমি ভালোই অনুভব করতে পারি।

লারা বলেন, এই সিরিজের অংশ হওয়া আমার জন্য খুব জরুরি ছিল। এর কাহিনি শুনে মনে হয়েছিল, যথেষ্ট গবেষণা করে সিরিজটির গল্প লেখা হয়েছে। এর গল্প আমাকে দারুণভাবে প্রভাবিত করেছে। তাই প্রস্তাব পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সিরিজটি করতে রাজি হয়ে যাই।

সম্পাদক ও প্রকাশক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Design & Developed By Root Soft Bangladesh