কালো টাকা সাদা করার সুযোগ অনৈতিক ও দুর্নীতি সহায়ক: টিআইবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৪, ১০:০৮ পিএম

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের লোগো। ছবি- সংগৃহীত

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের লোগো। ছবি- সংগৃহীত

দেশের অর্থনীতিতে অর্থের প্রবাহ বাড়ানো, রাজস্ব আদায় বাড়ানো এবং বেসরকারি খাতের কার্যক্রম গতিশীল রাখার যুক্তি দিয়ে অর্থমন্ত্রী যেভাবে ঘোষিত বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দিয়েছেন, তাতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে টিআইবি।

বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দুর্নীতি সহায়ক, অনৈতিক, বৈষম্যমূলক ও অসাংবিধানিক বলে আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। আজ বৃহস্পতিবার (৬ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া জানানো হয়। 

সংস্থাটি বলছে, মাত্র ১৫ শতাংশ কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার এমন সুবিধা সৎ ও বৈধ আয়ের ব্যক্তি করদাতাকে নিরুৎসাহিত করার সংস্কৃতি গড়ে তোলার পাশাপাশি এর আওতায় ঘোষিত অর্থ ও সম্পদের ব্যাপারে কোনো কর্তৃপক্ষের প্রশ্ন করার সুযোগ না রাখা দেশে দুর্নীতিসহায়ক একটি উদার পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখবে বলেই শঙ্কা। 

একইসঙ্গে এই সুযোগ রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসীন দলের নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভূক্ত দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার অঙ্গীকার, যা প্রায়শই সরকার প্রধানসহ দলের শীর্ষ নেতৃত্ব পুনরাবৃত্তি করে থাকেন, সেই অঙ্গীকারকে প্রহসনে পরিণত করেছে। এমন বাস্তবতায় কালো টাকা সাদা করার ঢালাও সুযোগ বাতিল করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছে টিআইবি।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, মাত্র ১৫ শতাংশ কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়ার বিপরীতে সৎ করদাতাদের সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ কর দেওয়ার বিধান বৈষম্যমূলক এবং অসাংবিধানিক। বিষয়টি একজন সুনাগরিকের প্রতি বৈষম্যমূলক, একইসঙ্গে তা সংবিধানের ২০ (২) অনুচ্ছেদকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর শামিল। 

সম্পাদক ও প্রকাশক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Design & Developed By Root Soft Bangladesh