সায়্যিদুল ইস্তিগফার পাঠের ফজিলত

আমরা ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় কথা, কাজ ও ইবাদত-বন্দেগিতে ভুল-ত্রুটি ও আল্লাহর অবাধ্যতা হয়। এরপর আবার অনুতপ্ত হয়। আল্লাহর দরবারে তওবা করে পাপ থেকে ফিরে আসার চেষ্টা করি। বান্দা হিসেবে আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা ছাড়া কোনও উপায় নেই। আল্লাহ পরম দয়ালু। আমরা অনুতপ্ত হয়ে ইবাদত বন্দেগির মাধ্যমে তার কাছে ক্ষমা চাইলে অবশ্যই তিনি ক্ষমা করেন।

পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে, ‘যে তাওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদের গুনাহসমূহ নেকি দ্বারা পরিবর্তন করে দেবেন।’ -(সুরা, ফুরকান, আয়াত, ৭০)

আল্লাহ তায়ালার কাছে বেশি বেশি ক্ষমা চাইতে হবে এবং তওবা করতে হবে। এতে দুনিয়ার কল্যাণ এবং পরকালের সফলতা লাভ হবে। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়ার যতগুলো পদ্ধতি বর্ণনা করেছেন তার একটি হলো- সায়্যিদুল ইস্তিগফার পাঠ করা।

সায়্যিদুল ইস্তিগফার হলো তওবা করার ও ক্ষমা লাভের শ্রেষ্ঠ দোয়া।

শাদ্দাদ বিন আওস (রা.) নবী (সা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যক্তি দিনের বেলায় বিশ্বাসের সঙ্গে সাইয়্যেদুল ইস্তিগফার বলবে এবং সেদিন সন্ধ্যার আগে যদি সে মারা যায়— তাহলে সে ব্যক্তি জান্নাতের অধিবাসী হবে। আর যে ব্যক্তি রাতের বেলায় এ বাক্যগুলো বলবে এবং সকাল হওয়ার আগে মারা যাবে— সে ব্যক্তি জান্নাতের অধিবাসী হবে।’ (বুখারি, হাদিস: ৬৩০৬)

সাম্প্রতিক দেশকাল ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

© 2023 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh

// //