নতুন ঠান্ডা যুদ্ধে টেক জায়ান্টদের জাতীয়তাবাদ

চীনের প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর উত্থান সিলিকন ভ্যালির জন্য রীতিমতো ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চীনা কোম্পানিগুলোর সামনে নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখতে এত দিনের উদারপন্থী মনোভাব থেকে সরে রক্ষণশীল জাতীয়তাবাদে ঝুঁকছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো। 

অন্যদিকে পশ্চিমা কোম্পানির ওপর নির্ভরশীলতা নয়, বরং ইন্টারনেটে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে চীন। এ অবস্থায় শীর্ষ প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর মধ্যে জাতীয়তাবাদের ঠান্ডা লড়াই শুরু হয়েছে।

গত মাসে শীর্ষ চার প্রযুক্তি কোম্পানি গুগল, অ্যাপল, ফেসবুক ও অ্যামাজনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মার্কিন কংগ্রেসে তলব করা হয়। এন্টিট্রাস্ট আইন ভঙ্গের অভিযোগে এই চার সিইওকে রীতিমতো তুলোধোনা করেছেন ডেমোক্র্যাটরা। কংগ্রেসের এ জিজ্ঞাসাবাদে আরো অভিযোগ করা হয় এসব কোম্পানি মার্কিন সরকারের সাথে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে চীনা সামরিক বাহিনীকে সহযোগিতা করছে। এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে দেশপ্রেম প্রমাণে জাতীয়তাবাদ সাথে নিয়ে লড়াইয়ে নামতে হয়েছে। 

কংগ্রেসের শুনানিতে ক্ষমতাসীন দল রিপাবলিকান পার্টির প্রতিনিধি কেন বাক গুগলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন, কোম্পানিটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাথে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। উপরন্তু চীনা সামরিক বাহিনীকে সহযোগিতা করছে কোম্পানিটি। অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুন্দর পিচাই বলেন, ‘মার্কিন সরকারকে সমর্থন করতে পারলে গুগল গর্বিত বোধ করবে।’ মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাথে সম্প্রতি একটি বড় প্রকল্প সই হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে সরকারের সাথে গুগলের এই চুক্তিকে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ থেকে রক্ষা পেতে একটি আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • (বেইজিং-ওয়াশিংটনের তিক্ততার টেক জাতীয়তাবাদী জাল এড়িয়ে যেতে গুগল, টিকটক, ফেসবুক অথবা টেনসেন্টের মতো টেক জায়ান্টদেরও এড়িয়ে যেতে পারেন নেটিজেনরা। এ অবস্থায় প্রোটনমেইল অথবা সিগন্যালের মতো নির্ভেজাল অপশনে ঝুঁকছেন অনেকেই....)

প্রতিরক্ষা বিভাগকে সহায়তা করার যে প্রতিশ্রুতি গুগল দিয়েছে, তা বহুদিনের প্রক্রিয়ার ফল। কোম্পানিটির সাবেক সিইও ও বর্তমানে ডিফেন্স ইনোভেশন বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে কর্মরত এরিক স্মিথ পেন্টাগনের সাথে সম্পর্ক গাঢ় করতে বহুদিন ধরেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সিলিকন ভ্যালি থেকে মার্কিন সামরিক বিভাগে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনগুলো স্থানান্তর করাই ইনোভেশন বোর্ডের কাজ। গত মাসে কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়, মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সরকারের কাছে সরাসরি কর্মীর জোগান দিতে একটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) স্কুল খোলার পরামর্শ দিয়েছেন এরিক। 

এ পথে গুগল একা নয়। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে পেন্টাগনের ১০ বিলিয়ন ডলারের ক্লাউড চুক্তি পেয়েছে আরেক টেক জায়ান্ট মাইক্রোসফট। এই চুক্তিটি পেতে অ্যামাজনও আগ্রাসীভাবে চেষ্টা করেছিল। অবশ্য অ্যামাজন সিআইএ ও মার্কিন ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের কাছে ক্লাউড প্রযুক্তি সরবরাহ অব্যাহত রাখবে।

চীনা প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো সিলিকন ভ্যালি সাম্রাজ্যের সমাপ্তি ঘটাবে- এমন ভয় থেকেই মার্কিন কোম্পানিগুলো সরকারের প্রতি নতুন করে অনুরক্ত হয়ে উঠেছে। গত বছরই নিউইয়র্ক টাইমসে লেখা এক উপসম্পাদকীয়তে পিটার থিয়েল ও এরিক হুঁশিয়ার করে বলেন, ‘সিলিকন ভ্যালিকে অবশ্যই পেন্টাগনের সাথে কাজ শুরু করতে হবে, অন্যথায় চীন এই ময়দানে জিতে যাবে।’

২০১৭ সালে বেইজিংয়ে একটি এআই ল্যাব উন্মোচন করে গুগল। তখন কোম্পানিটির পক্ষ থেকে বলা হয়- ‘এআই ও এ থেকে প্রাপ্ত সুবিধাদি কোনো সীমান্তে আবদ্ধ থাকে না।’ ২০১৬ সালে ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ চীনের সুবিশাল বিজ্ঞাপনী বাজার ধরতে মরিয়া হয়ে ওঠে। চীনা কর্মকর্তাদের খুশি রাখতে নতুন তৈরি করা সেন্সরশিপ কৌশল দিয়ে রীতিমতো আগ্রাসী হয়ে ওঠে কোম্পানিটি। এই মার্কিন কোম্পানিগুলো চীনের সাথে উষ্ণ সম্পর্ক রাখতে চাইলেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কারণে তা আরো তপ্ত হয়ে উঠছে। বিশেষ করে করোনাভাইরাস মহামারির জন্য চীনকে দোষারোপ, বাণিজ্য যুদ্ধ ও হংকং ইস্যুকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক তলানিতে এসে পৌঁছেছে। 

যুক্তরাষ্ট্রের টেক নির্বাহী কর্মকর্তারাও এখন সুর পাল্টে ফেলছেন। সামরিক চুক্তি ও নিয়ম-নীতিমালার ধাক্কা সামলাতে চীনের সীমা লঙ্ঘনমূলক আচরণকে ব্যবহার করছেন। অথচ গত বছর অ্যামাজন সিইও জেফ বেজোস সতর্ক করে বলেছিলেন, ‘এই খাতটি পেন্টাগনের মুখাপেক্ষী হয়ে পড়লে দেশ সংকটে পড়বে।’ 

অন্যদিকে সেন্সরশিপ টুলের মাধ্যমে চীনকে আকৃষ্টের চেষ্টা করেছিলেন যে জাকারবার্গ, তিনিই মার্কিন আইনপ্রণেতাদের অনুরোধ করেন, ফেসবুকের নতুন ডিজিটাল মুদ্রা লিবরাকে যেন নিয়ন্ত্রণ না করা হয়। অন্যথায় আমেরিকার আর্থিক নেতৃত্ব ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যাবে। 

জাতীয়তাবাদের এই উত্থানের পেছনে সবচেয়ে বড় মতাদর্শগত পরিবর্তন কোনটি? বহু বছর ধরেই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সিলিকন ভ্যালির সফলতাকে চীনের নিয়ন্ত্রিত পুঁজিবাদের বিপরীতে পশ্চিমা মুক্তবাজারের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছিল। 

মার্কিন টেক জায়ান্টদের মতে, ফুলেফেঁপে ওঠা চীনের প্রযুক্তি শিল্পের সামনে নিজেদের কর্তৃত্ব বজায় রাখতে সিলিকন ভ্যালিরও রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা দরকার। কার্যত মার্কিন কোম্পানিগুলো চীনাদেরই অনুসরণ করছে। এক সময় চীনের কোম্পানিগুলোর নামই অনেকে ঠিকমতো উচ্চারণ করতে পারত না। এসব কোম্পানি অনুলিপির মাধ্যমে তাদের কাজ চালিয়ে যেত; কিন্তু আলিবাবা, টেনসেন্ট, হুয়াওয়েসহ আরো কিছু চীনা কোম্পানির উত্থানে আন্তর্জাতিক পরিসরে সিলিকন ভ্যালির একচ্ছত্র সাম্রাজ্য ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।

ইন্টারনেটের জগতে প্রবেশের শুরু থেকে পশ্চিমা দেশগুলো তা নিয়ন্ত্রণ করছে। ‘ক্যালিফোর্নিয়ান আইডিয়োলজি’ নামে পরিচিত সামাজিক প্রগতি ও অর্থনৈতিক রক্ষণশীলতা মিশ্রিত কৌশলেই সিলিকন ভ্যালি একপর্যায়ে উদার ইন্টারনেট বাজারের শাসকে পরিণত হয়। শুধু তা-ই নয়, অবাধ মুক্ত তথ্য প্রবাহের ক্ষেত্রেও ‘চ্যাম্পিয়ন’ হয়ে ওঠে সিলিকন ভ্যালি। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকার ও সামরিক বাহিনীর দেয়া আর্থিক সহায়তার কারণেই অন্যদেশে বিনামূল্যে অনলাইন সেবা দিতে পারতো মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো। 

‘মুক্ত ও উদার’- ইন্টারনেটের এই তত্ত্বে ভর করে গুগল, ফেসবুকসহ সিলিকন ভ্যালির অন্যান্য কোম্পানি বিদেশে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণহীনভাবে কাজ করতে পারে। এভাবেই অন্যদেশের ইন্টারনেট বাজার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখত তারা ও সেসব দেশের কোম্পানিগুলো কোনোভাবেই মাথা তুলে দাঁড়াতে পারতো না। ফেসবুক এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে উপযোগী উদাহরণ। 

২০১২ সালের হিসাব অনুযায়ী, ফেসবুকের মোট ব্যবহারকারীর মধ্যে ৮০ শতাংশই বিদেশি। ফলে কোম্পানিটিকে তাদের অর্জিত ১.১ বিলিয়ন ডলারের মুনাফায় কোনো কর দিতে হয়নি; বরং মার্কিন সরকার ৪২৯ মিলিয়ন ডলার কর রিফান্ড করেছে। এছাড়া অনেক উন্নয়নশীল দেশেই একেবারে শুরুর দিকে প্রবেশ করে সেখানকার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে শীর্ষ অবস্থান নিশ্চিত করেছে ফেসবুক। এসব দেশে স্থানীয় কোম্পানিগুলো ফেসবুকের ধারে কাছেও যেতে পারেনি। অন্যদিকে বেশিরভাগ দেশেই সবচেয়ে আধিপত্যশীল সার্চ ইঞ্জিন গুগল। এটি এখন তথ্যের কার্যকর দ্বাররক্ষক হিসেবেও ভূমিকা পালন করছে- কোন বিষয়গুলো আমরা দেখতে পারব আর কোনটি পারব না, তা গুগলের মাধ্যমেই নির্ধারিত হচ্ছে। 

আমেরিকান প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠার কারণে চীনা কৌশল পেছনে পড়ে যাচ্ছিল; কিন্তু এখন দৃশ্যপট পাল্টে গেছে। চীনা প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো এখন অপ্রতিরোধ্য প্রতিযোগীদের সমবর্তী হচ্ছে এবং শেষ পর্যন্ত পশ্চিমাদের আধিপত্যে থাকা ইন্টারনেট জগতে চ্যালেঞ্জ ছুড়তে সক্ষম হয়েছে। মহামারির সময়ে মার্কিন টেক জায়ান্টরা ব্যাপক প্রবৃদ্ধি অর্জন করলেও সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে চীনা কোম্পানিগুলো। অ্যাপল, স্যামসাংকে ছাড়িয়ে বিশ্বের বৃহত্তম মোবাইল বিক্রেতা কোম্পানি হয়ে উঠেছে চীনা টেক জায়ান্ট হুয়াওয়ে। অন্যদিকে ফেসবুককে টপকে বিশ্বের সর্বাধিক ব্যবহৃত সোশ্যাল মিডিয়া এখন টেনসেন্ট। এছাড়া গত বছর স্মার্টফোনে সবচেয়ে বেশি ডাউনলোড করা হয়েছে চীনের জনপ্রিয় ভিডিও অ্যাপ টিকটক। টিকটকের জনপ্রিয়তায় ম্রিয়মাণ হয়ে পড়েছে ফেসবুকের সাবসিডিয়ারি কোম্পানি ইনস্টাগ্রাম। এ কারণেই টিকটকের আদলে নতুন একটি অ্যাপ নামিয়েছে ইনস্টাগ্রাম। এসব বিষয়ে নিশ্চিতভাবেই সিলিকন ভ্যালির এলিটরা আতঙ্কে রয়েছে। সিলিকন ভ্যালির কোম্পানিগুলো এখন প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা বজায় রাখতে মার্কিন সরকারের সাথে গভীর সম্পর্ক গড়ে তুলছে। 

যুক্তরাষ্ট্র তাদের টেক কোম্পানিগুলোকে অবাধ সুবিধা দিলেও ২০০৯ ও ২০১০ সালের মধ্যে ফেসবুক, টুইটার ও ইউটিউবের মতো বিদেশি ইন্টারনেট কোম্পানিগুলোর প্রবেশ বন্ধে আরো জোর দেয় চীন সরকার। গ্রেট ফায়ারওয়াল নামে পরিচিত রক্ষণশীল পদক্ষেপ স্থানীয় কোম্পানিগুলোকে নিজস্ব বিকল্প তৈরির জন্য আরো সুযোগ দিয়েছে। যার কড়া সমালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র; কিন্তু এই মুহূর্তে চীনের প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো মার্কিন বাজারের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছে। 

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও চলতি মাসেই জানিয়েছেন, ‘চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিসিপি) মতো ক্ষতিকর উপাদানের আগ্রাসী অনুপ্রবেশ’ থেকে নিজেদের সম্পদ রক্ষা করতে ক্লিন নেটওয়ার্ক কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। নতুন এই কর্মসূচির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সিস্টেমে আলিবাবা, বাইদু ও টেনসেন্টের মতো কোম্পানির প্রবেশ ঠেকানো হবে। তিনি একে ‘মার্কিন নাগরিকদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সুরক্ষার রক্ষাকবচ’ হিসেবে উল্লেখ করেন। এছাড়া ৪৫ দিনের মধ্যে বিক্রি হওয়ার মাধ্যমে পৃথক না হলে উইচ্যাট ও টিকটক নিষিদ্ধ করা হবে বলে চলতি মাসে এক নির্বাহী আদেশ জারি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সিলিকন ভ্যালির উদারপন্থী মনোভাব এখন কঠোর রূপ নিচ্ছে ও সেখানে নতুন প্রযুক্তি জাতীয়তাবাদের উত্থান ঘটেছে। জাতীয় সীমানার মধ্যেই ইন্টারনেট এখন অনেক বেশি বিভক্ত ও প্রযুক্তি শিল্পে আরো বেশি সামরিকীকরণ ঘটেছে। এ অবস্থায় এআই অস্ত্রের প্রতিযোগিতা এ সময়ের অনিবার্য বাস্তবতা। ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সবাই একসুতায় গাঁথা থাকে; কিন্তু মার্কিন কর্তৃত্বের কারণে চীনা ও অন্য দেশের মুক্ত প্রযুক্তি শিল্প বেড়ে উঠতে পারছে না। আবার চীন-যুক্তরাষ্ট্র ঠান্ডা যুদ্ধের মনোভাব ফিরে গেলেই কিন্তু সমস্যার সমাধান হবে না। 

বেইজিং-ওয়াশিংটনের তিক্ততার টেক জাতীয়তাবাদী জাল এড়িয়ে যেতে গুগল, টিকটক, ফেসবুক অথবা টেনসেন্টের মতো টেক জায়ান্টদেরও এড়িয়ে যেতে পারেন নেটিজেনরা। এ অবস্থায় প্রোটনমেইল অথবা সিগন্যালের মতো নির্ভেজাল অপশনে ঝুঁকছেন অনেকেই।

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

© 2020 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh