পুঁজিবাজারে ভয়াবহ দরপতন

দেশের পুঁজিবাজারে ভয়াবহ দরপতনে ধস নেমেছে। এমন ভয়াবহ দরপতনের কবলে প্রতিনিয়ত পুঁজি হারাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। তাদের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ।

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমে প্রায় পাঁচ বছর আগের অবস্থানে গিয়ে পৌঁছেছে। এ বছরের মোট ১০ কার্যদিবসে ৪১৬ পয়েন্ট হারিয়েছে সূচকটি, আর বাজার মূলধন কমেছে ২৬ হাজার ১৫৪ কোটি টাকা। 

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) লেনদেনের শুরু থেকেই শেয়ার বিক্রির চাপে নামতে থাকে সূচক। দিনশেষে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৮৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৩৬ পয়েন্টে। এর ফলে ভিত্তি পয়েন্টের নিচে নেমে গেল সূচকটি। সোমবার ৮৮ পয়েন্ট কমে সূচকটির অবস্থান ছিলো ৪ হাজার ১২৩ পয়েন্ট।

২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে ডিএসইএক্স ও ডিএস৩০ সূচক চালু হয়। ওই সময় ডিএসইএক্স সূচকের ভিত্তি পয়েন্ট ছিলো ৪ হাজার ৫৫ পয়েন্ট। আর ডিএস৩০ ছিলো ১ হাজার ৪৬০ পয়েন্ট।

ডিএসইতে কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। মোট লেনদেন হয়েছে ২৬২ কোটি ৮১ লাখ টাকার শেয়ার। যা আগের কার্যদিবস থেকে ২৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা কম। গত এক বছরের ব্যবধানে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন কমেছে এক লাখ কোটি টাকা।

বাজারে ধারাবাহিক দরপতনে পুঁজি হারিয়ে মতিঝিলের ডিএসই ভবনের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভে নামেন বিনিয়োগকারীরা। বাজারে গতি ফেরাতে কারসাজি এবং অনিয়ম বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তারা।

সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে- লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড, বিকন ফার্মা, এডিএন টেলিকম লিমিটেড, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, স্কয়ার ফার্মা, রিং শাইন টেক্সটাইল লিমিটেড, ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড, নর্দান জুট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেড, ড্যাফোডিল কম্পিউটারস লিমিটেড ও গ্রামীণফোন।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সার্বিক সূচক কমেছে ২৭৫ পয়েন্ট, লেনদেন হয়েছে ৯ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।

মন্তব্য করুন

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

© 2020 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh