স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে

স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতার প্রতীকী ছবিটি ইন্টারনেট থেকে নেওয়া হয়েছে।

স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতার প্রতীকী ছবিটি ইন্টারনেট থেকে নেওয়া হয়েছে।

স্তন ক্যান্সার যেকোনো বয়সের নারীদের কাছে একটি আতঙ্কের নাম। প্রতি বছর বাংলাদেশে পঞ্চাশ বছর বয়সী নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। শুধু তাই নয়, যেকোনো বয়সী নারীদের স্তন ক্যান্সার হতে পারে। প্রতি বছর বাংলাদেশে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে ১২ হাজার ৭৬৪ জন নারী। মারা যাচ্ছে ৭ হাজার ১৩৫ জন।

শুধুমাত্র দ্রুত শনাক্ত না করার কারণে স্তন ক্যান্সার ভয়াবহ আকারে ধারণ করে। তবে সচেতনতার মাধ্যমে স্তন ক্যান্সার থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

যেসব খাবার স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে তা জানুন: 

ব্রোকলি

ব্রোকলি খুব পরিচিত একটি সবজি। ব্রোকলিতে রয়েছে ক্ল্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইকারী সকল উপাদান। এতে থাকা সালফ্রোফেন উপাদান প্রোস্টেড ক্যান্সার, স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। তাই খাদ্যতালিকায় ব্রোকলি রাখুন।

রসুন

রসুনের গুণ অনেক। রসুন বাতের ব্যথা, উচ্চ রক্তচাপ দূর করা থেকে শুরু করে আরো নানা কাজ করে। রসুন ক্যান্সার প্রতিরোধেও সাহায্য করে। রসুনে থাকা অ্যালায়াল সালফার এবং অন্যান্য উপাদান টিউমারের কোষ বৃদ্ধি প্রতিরধে সহায়তা করে।

সবুজ চা বা গ্রিন টি

গ্রিন টি বা সবুজ চা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। সবুজ চায়ে ক্যাটচিন নামক এক উপাদান থাকে যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা যায় গ্রিন টি বা সবুজ চা টিউমারের কোষ ধ্বংস করতে সহায়তা করে। সাধারণ চায়ের তুলনায় গ্রিন টি বা সবুজ চা বেশি উপকারি। 

গাজর

গাজর অনেক পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ সবজি। গাজরে অনেক বিটা ক্যারোটিন থাকে যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। রোজ গাজর খেলে ফুসফুসের ক্যান্সার, অন্ত্রের ক্যান্সার, পাকস্থলীর ক্যান্সার, স্তন ক্যান্সার থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। 

পালং শাক

পালং শাকে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন ও লুটেইন নামের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ এনভারোনমেন্টাল হেল্থ সায়েন্সের গবেষকরা জানান, যারা সপ্তাহে অন্তত দুবারের বেশি পালংশাক খেয়ে থাকেন তাদের স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

ডিম

ডিম স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। ডিমে থাকা কোলিন নামক উপাদান ২৪% পর্যন্ত ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের জরিপ অনুসারে ডিমের কুসুমে থাকা উপাদানটি স্তন কোষের কাজ সঠিকভাবে পরিচালনা করে থাকে এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

স্যামন মাছ

ইউনিভার্সিটি অফ সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া এবং ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিঙ্গাপুরের গবেষকরা পাঁচ বছরের গবেষণার ফলাফলের পর জানান, মেনোপজের পরে যারা প্রতিদিন দেড় থেকে তিন আউন্স স্যামন বা সামুদ্রিক মাছ খেয়ে থাকেন তাদের ক্ষেত্রে অন্যদের তুলনায় স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা ২৬ শতাংশ কমে আসে।  

মন্তব্য করুন

সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার

© 2019 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh