সংখ্যা বাড়ানোর জন্য কখনো কাজ করিনি : ভাবনা

আশনা হাবীব ভাবনা

আশনা হাবীব ভাবনা

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী আশনা হাবীব ভাবনা।  অভিনয় ও সমসাময়িক নানা প্রসঙ্গে তিনি সাম্প্রতিক দেশকালের সাথে কথা বলেছেন।

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এন আই বুলবুল... 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপনাকে নিয়েই কেন এত চর্চা?

আমি নিজেও এর উত্তর জানি না। আমি যা করি তা নিয়েই কিছু মানুষ ট্রোল করে। কিছুদিন আগে কেন স্লিভলেস ব্লাউজ পরেছি এটা নিয়ে সবাই বলেছেন। যদি বোরকা পরি সেটি নিয়েও বলতে ছাড়বে না। ফেসবুকে কোনো ছবি পোস্ট করলে সেটি নিয়েও অনেকে সমালোচনা করেন। ভালো কাজ করলে সেটির সমালোচনাও করেন কেউ কেউ। সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু মানুষ ট্রোল করেই আনন্দ পায়; কিন্তু এর কারণে অন্য একটা মানুষ কতটা মানসিক অবসাদে ভোগেন সেটি এরা বোঝে না।


সম্প্রতি আপনাকে ও আপনার মাকে জড়িয়ে নানারকম কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হয়। এই বিষয় নিয়ে জানতে চাই?

বিশ্ব মা দিবসে আমার মা-বোনকে নিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করি। এর পরেই এই ভিডিও ঘিরে কিছু মানুষ খারাপ মন্তব্য শুরু করে। অথচ এই মানুষগুলোই নাকি তাদের মাকে ভালোবাসে। কোনো সন্তান যদি তার মাকে ভালোবাসে তাহলে অন্যের মাকে নিয়ে এভাবে খারাপ মন্তব্য করতে পারে না বলে আমি মনে করি।

এ সময়ে আপনার সহকর্মীদের কি পাশে পেয়েছেন?

একইদিনে আমাদের অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীর মাকে নিয়েও সোশ্যাল মিডিয়ায় বাজে মন্তব্য করা হয়। তার জন্য সবাই যেমন প্রতিবাদ করেছে তেমনি আমি ছিলাম তার বিপরীতে। আমি যাদের সঙ্গে কাজ করি। যারা আমার প্রতিদিনের কাজের সঙ্গী তাদের সেভাবে আমি পাইনি।


ঈদে পর্দায় কেমন উপস্থিতি ছিল?

ঈদের জন্য শুধু দুটি কাজ করেছিলাম। একটি মাসুদ সেজানের ‘প্রেমিকা আবশ্যক’ শিরোনামের টেলিছবি। অন্যটি অনিমেষ আইচের ‘আলিবাবা চালিচার’ শিরোনামের একটি ওয়েব ফিল্মে। করোনা ও লকডাউনের কারণে এর বেশি কাজ করা সম্ভব হয়নি।

সমসাময়িক অনেকের চেয়ে আপনার কাজের সংখ্যা কম। কারণ কী?

আমি সংখ্যা বাড়ানোর জন্য কখনো কাজ করিনি। এখনো শুধু সংখ্যা বাড়াতে আগ্রহী নই। আমি সব সময় ভিন্ন গল্প ও চরিত্রের কাজকে প্রাধান্য দিয়েছি। ক্যারিয়ারের এই সময়ে বেশ কিছু অন্য রকম কাজ করেছি বলতে পারি। আমাদের নির্মাতারাও আমাকে নিয়ে ভিন্ন কিছু ভাবেন এটা আমার বড় পাওয়া।


করোনা মহামারিতে বিভিন্ন দেশের তারকা শিল্পীরা বিভিন্নভাবে মানুষকে সহযোগিতা করছেন; কিন্তু আমাদের দেশের তারকদের সেভাবে এগিয়ে আসতে দেখা যায়নি। এ নিয়ে আপনার মন্তব্য কী? 

অন্যদের কথা বলতে পারব না। হয়তো অনেকে সহযোগিতা করছেন, সেটি প্রকাশ হচ্ছে না। তবে আমার কোনো বিষয় লুকানো নেই। গেল লকডাউনে আমরা বাসা ভাড়া মওকুফ করেছি। আরো বিভিন্নভাবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। আমি সব সময় চেষ্টা করি মানুষের পাশে থাকতে।

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

© 2021 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh