দাস ব্যবসার আয় থেকে সুবিধা নিয়েছিল কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়

ব্রিটেনের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, তারা ঐতিহাসিক দাস ব্যবসার আয় থেকে উপকৃত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

ব্রিটেনকে সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে দাসপ্রথার কেন্দ্রীয় ভূমিকা এবং কীভাবে এই অমানবিক ব্যবস্থা থেকে তারা উপকৃত হয়েছিল তা পুনর্মূল্যায়ন করছে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড থেকে শুরু করে চার্চ অব ইংল্যান্ড পর্যন্ত  শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো। এরই মধ্যে ক্যামব্রিজ কর্তৃপক্ষ দাস ব্যবসা থেকে লাভবান হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করলো।

কেমব্রিজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় কখনও দাসদের মালিক ছিল না বা এই ব্যবসার সঙ্গ সম্পৃক্ত ছিল না বলে তারা নিজেদের তদন্তে প্রমাণ পেয়েছে। কিন্তু প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, তারা দাসত্ব থেকে ‘উল্লেখযোগ্য সুবিধা’ পেয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সুবিধা বা অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপকারকারীদের কাছ থেকে এসেছিল যারা দাস ব্যবসার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করেছিল। দাস ব্যবসায় সম্পৃক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিনিয়োগ এবং দাস ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত পরিবারগুলির কাছ থেকে পাওয়া ফি এর মাধ্যমে অর্থ বা সুবিধা পেয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

গবেষকরা দেখেছেন, কেমব্রিজ কলেজের ফেলোরা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাথে জড়িত ছিল। অন্যদিকে রয়েল আফ্রিকান কোম্পানির বিনিয়োগকারীদেরও কেমব্রিজের সাথে সম্পর্ক ছিল। অথচ এই দুটি কোম্পানিই ক্রীতদাস ব্যবসায় সম্পৃক্ত ছিল।

উভয় কোম্পানির বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অনুদানও পেয়েছিল কেমব্রিজ। এছাড়া ক্রীতদাস ব্যবসায় সক্রিয় সাউথ সি কোম্পানিতে সরাসরি বিনিয়োগ করেছিল কেমব্রিজ। 

লিগেসিস অব স্লেভমেন্ট  নামের প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ‘‘এই ধরনের আর্থিক সম্পৃক্ততা দাস ব্যবসাকে সহজতর করতে সাহায্য করেছিল এবং কেমব্রিজে খুব গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সুবিধা এনেছিল।’’

সাম্প্রতিক দেশকাল ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

© 2022 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh

// //