মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র ‘কাটা’ প্রসঙ্গে টোকন ঠাকুর

শহীদুল জহিরের গল্প ‘কাঁটা’ লেখা হয়েছিল ১৯৯৫ সালে। ‘কাঁটা’র প্রধান চরিত্র সুবোধচন্দ্র দাস, সুবোধের বউ স্বপ্নারানী দাস। তারা স্বামী-স্ত্রী সংসার করে পুরনো ঢাকার ৩৬ নম্বর ভূতের গলিতে আজিজ ব্যাপারীর বাড়িতে।

ঢাকায় সিনেমা হলে চাকরি করে সুবোধ। গ্রামে থাকে তার ভাই পরাণচন্দ্র দাস। মুক্তিযুদ্ধের সময় এই সুবোধচন্দ্রকে ঘিরে গল্প জমাট হয়, গল্পের প্রধান বিষয় বাংলাদেশ। কাঁটা ছবি নির্মাণের জন্য সরকারি অনুদান পান কবি ও পরিচালক টোকন ঠাকুর।

অক্টোবর ২০১৭ থেকে ‘কাঁটা’ ছবির আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়। এখন পোস্ট প্রডাকশনে আছে কাঁটা। তাই অপেক্ষায় আছে চলচ্চিত্রপ্রেমী মানুষ। 

কবিতার মতো করে- টোকন ঠাকুর সিনেমায় কী করেছেন, কীভাবে ভেবেছেন শহীদুল জহিরের গল্পের সুবোধ-স্বপ্নার সংসার- তা নিয়ে কথা বলেছেন- এহসান হায়দার।

শহীদুল জহির গল্প লিখতেন নিভৃতে, তিনি ছিলেন সরকারের আমলা, ব্যক্তিগত জীবনও আড়ম্বরহীন এবং চিরকুমার। তাঁর গল্পের বিষয়বস্তু তিনি যা দেখেছেন শৈশবে- এসবের ওপর ভিত্তি করেই যেন গড়ে উঠেছে, এ বিষয়ে আপনার ভাবনা কী, বলবেন?

শহীদুল জহিরের পিতা সিরাজগঞ্জের লোক। বসবাস করতেন পুরান ঢাকার ৩৬ নম্বর ভূতের গলিতে। ভূতের গলিতেই শহীদুল জহিরের জন্ম।

যখন ১৯৭১, যখন মুক্তিযুদ্ধের মতো ভয়াল বাস্তবতা এসেছে বাঙালির জীবনে, তখন তার বয়ঃসন্ধিকাল পেরুচ্ছে। তাজা তাজা অভিজ্ঞান। শহীদুল জহিরের প্রায় সব লেখাতে বা তাঁর জীবনে মুক্তিযুদ্ধ একটি প্রধান উপাদান হিসেবে ধরা পড়েছে।

আর হ্যাঁ, প্রচন্ড ধরনের একলা থাকায় অভ্যস্ত হয়ে উঠেছিল তাঁর ব্যক্তিগত জীবন। চাকরি বাকরি কিছু একটা করতে হয়, তিনিও করতেন। কিন্তু লেখক শহীদুল জহির বাংলা কথাসাহিত্যে নিজেকে একটা অপ্রতিদ্বন্দ্বী উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। আমি তাঁর ভক্ত।

শহীদুল জহির রচিত ‘ডুমুরখেকো মানুষ ও অন্যান্য গল্প’ গ্রন্থের অন্তর্গত ‘কাঁটা’ শিরোনামের গল্পটি এদেশের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গল্প, এ গল্প কেন এতটা গুরুত্ব পেল সাহিত্য পরিমন্ডলে?

‘ডুমুর খেকো মানুষ ও অন্যান্য গল্প’ গ্রন্থ থেকে কাঁটা গল্পটি চিত্রনাট্য করি আমি। এই গল্পের শেষে লেখা ১৯৯৫, কিন্তু গল্পের প্রেক্ষাপটে রয়েছে, ১৯৮৯-৯০ সাল, ১৯৭১ সাল ও ১৯৬৪ সাল। মুক্তিযুদ্ধ এই গল্পের একটি প্রধান দিক। গল্পের মানুষেরা ভূতের গলির বাসিন্দা। ভূতের গলির মধ্যে বাংলাদেশ পাওয়া যায়। ম্যাজিক আছে কাঁটাতে।

পুরো কাঁটা গল্পটিই রাজনৈতিক একটি গল্প, ঠিক কী কী কারণে এই গল্পের রাজনৈতিক বিষয়গুলোকে আপনি গুরুত্ব দেন?

দেখুন, মানুষের জীবন সামাজিক জীবন। সমাজ একটি রাজনৈতিক প্রয়োজনের ফল। রাজনীতির বাইরে মানুষের জীবন হয় না। কোনো দল-টল না করা ব্যক্তিও যেহেতু সমাজের মধ্যে বাস করে, মানে তাকে বা আমাকে বা আমাদের প্রত্যেকেরই রাজনৈতিকভাবেই বেঁচে থাকতে হয়। বাংলাদেশ তো বটেই, উপমহাদেশও রাজনৈতিকভাবে কাঁটা’তে উপস্থিত আছে। চিত্রনাট্যে ভরপুর রোমান্টিসিজমও জায়গা পেয়েছে।

‘কাঁটা’ গল্পের ভেতর প্রধান চরিত্র আমার মনে হয় আজিজ ব্যাপারীর বাড়ির ‘কুয়াটি’, মনুষ্যচরিত্র সুবোধ ও স্বপ্না দম্পত্তি কুয়ার মধ্যে মারা যায় বারবার- এ সম্পর্কে বলবেন? 

হ্যাঁ, কুয়া প্রধান চরিত্রই বটে। তুলসীগাছও চরিত্র। ছবিতে চরিত্র হিসেবে এসেছে বেড়াল, কবুতর, ঘুঘু, টিয়া, ময়না ও একদল মহল্লাবাসী, যারা কী না ভূতের গলির মানুষ। সুবোধ-স্বপ্না, কুলসুম, আজিজ ব্যাপারী; মওলানা আবুবকর- প্রায় দুশো চরিত্র ঢুকেছে কাঁটা’তে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ যে কারণে সংঘটিত হয়েছিল- পাকিস্তানিরা যে কারণে এদেশের শত্রু প্রমাণিত হয়েছিল, সেই কারণগুলোকে আজকের স্বাধীন বাংলাদেশে বসে আপনি কীভাবে ভাবেন? কাঁটা সিনেমায় তা কীভাবে উঠে এসেছে, বলবেন?

এখন ছবি নির্মাণাধীন। আমি কীভাবে কি দেখেছি বা দেখতে চেয়েছি- ছবির মধ্যেই তা বিদ্যমান থাকছে। আলটিমেটলি, কাঁটা তো একটি সিনেমা, রাজনৈতিক ইশতেহার নয়। তবে, এটুকু বলব- এটা বৃহত্তর গণমানুষের জীবন ঘেঁষে দাঁড়ানো ছবি।

সিনেমায় টিমওয়ার্কেরও যোগ থাকে জোরালোভাবে- একে কীভাবে সম্পন্ন করলেন পুরোটাই বলুন... 

টিম না থাকলে তো এই কাজ সম্পন্নই করা যায় না। নতুন একদল ছেলেমেয়ে কাঁটা টিমে কাজ করেছে। আর পিরিওডিক্যাল ছবি বানানো খুবই কষ্টকর কাজ। গরিব সমাজে পুরনো কিছুর সংরক্ষণ হয় না। সেক্ষেত্রে নির্মাণের কষ্টটা আরো বেড়ে যায়। সেই কষ্ট সহ্য করেই যারা থেকেছে, তারাই টিম মেম্বার। তাদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। তাদের ভালোবাসাতেই- এককথায় একদল মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতাতেই কাঁটা নির্মিতি পাচ্ছে।

আপনি তো চারুকলার শিক্ষার্থী ছিলেন, এক সময় খুলনা আর্ট কলেজে পড়েছেন, সেই সময়ে আপনার কবিতা যাপন, বন্ধুদের আড্ডা, খুলনার পরিবেশ-প্রতিবেশ প্রকৃতি, শিল্পাঞ্চল খুলনা এ সম্পর্কে বলবেন কি?

খুলনা আমার হোমটাউন। ওখানে আর্ট কলেজে পড়তাম। মাসরুর, মিল্টন, সাইফুল- এরা আমার আর্ট কলেজের বাইরের বন্ধু। বয়রা, ডাকবাংলো, দোলখোলা, সোনাডাঙ্গা, নিউমার্কেট, গল্লামারী- পুরো শহর খুলনাকে পায়ের নিচে ফেলে হেঁটে বেড়াতাম। কবিতা লিখতাম, আর্ট কলেজে পড়তাম। আড্ডায় আমি স্নাতক, স্নাতকোত্তর শেষ করে অসংখ্যা পিএইচডি করেছি। খুলনা ছেড়ে ঢাকা চারুকলায় এলাম। কিন্তু খুলনায় আমি গড়ে উঠেছি। কবিতা লিখি, আর্ট পছন্দ করি, সিনেমা বানাচ্ছি।

আপনি তো কবিতার মানুষ, কবিতার সঙ্গেই আপনার বসবাস আবার চারুকলার শিক্ষার্থী ছিলেন, সিনেমায় এলেন কেন?

ইচ্ছের ব্যাপার। ইচ্ছেরা ডাক দিচ্ছে- কী করব? সিনেমা বানানোতে আনন্দ পাচ্ছি, বেদনা পাচ্ছি, দুটোরই প্রয়োজন আছে।

শিল্পের প্রতিটি মাধ্যমের একটি করে নিজস্ব ভাষা আছে, আপনার কী মনে হয় কবিতা থেকে সিনেমার ভাষার তফাৎ কিংবা মিল এ বিষয়ে বলবেন কি?

শব্দ-বাক্য-দাঁড়ি-কমার মোহন মুরলীতে কবিতার দিকে যাই, দৃশ্যের ভেতরে দৃশ্য সাজাতে ছবি বানাতে চাই। ভাষা-গবেষণা আমার কাজ না। আমার কাজ কবিতা লেখা, ছবি বানানোর নেশাকে জিইয়ে রেখে বেঁচে থাকা। এই আর কি!

কাঁটার চরিত্র সুবোধচন্দ্র দাস ও স্বপ্নারানী দাস এরা তিন এলাকার, আবার গল্পের প্লট তিনটি সময়ের এবং চরিত্রগুলো চলাফেরার জায়গাটা পুরনো ঢাকার ভূতের গলি- এখানে ভাষার ব্যবহার ঠিক কীভাবে করেছেন? 

কাঁটার মহল্লাবাসী বলতে ভূতের গলির মানুষ। আমি ফরাসগঞ্জে ছিলাম ৭ মাস, স্ক্রিপ্ট ডেভেলপ করতে। পরে নারিন্দায় ৯ মাস থেকে শুটিং করেছি। বুঝতে চেয়েছি পুরনো ঢাকাকে, কতটুকু ধারণ করে ফুটিয়ে তোলা যায়। ঢাকাইয়া একসেন্টে কথা বলে মহল্লাবাসীরা। পাকিস্তানি আর্মির ভাষা উর্দু। এ ছাড়া নোয়াখালী, সাতক্ষীরা, সিরাজগঞ্জের ভাষার প্রয়োগ ঘটানো হয়েছে ছবিতে।

এই চলচ্চিত্রে ভাষা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কবিতা থেকে কতটা সহযোগিতা পেলেন না কি প্রভাবিত হয়ে কাব্যভাষার ছাপ রেখেছেন সে বিষয়টা যদি জানান...

কবিতা আমার বড় বউ। ছোট বউদের সঙ্গে আজ যতই ব্যস্ত থাকি, কবিতাই তো আমাকে কোলেপিঠে করে মানুষ করেছে। একটুখানি পরিচিতও করিয়েছে। কবিতার কাছে ঋণ অপরিসীম। বারবার কবিতার কাছে ফিরে যাই, একসময়, কবিতায় সার্বক্ষণিক ছিলাম। এখন যার সেভাবে পারছি না, ছবি বানানোর হ্যাপা তো অনেক বেশি; কী করব আর...

আপনি এখন কবিতা লেখেন তো-নাকি নির্বাসন নিয়েছেন, যদি নির্বাসন নিয়ে থাকেন তবে কবিতাকে মিস করেন নিশ্চয়ই সেটা কেমন তা জানাবেন?

কবিতা থেকে নির্বাসন নাকি কবিতার সঙ্গে আমার সেপারেশন চলছে? দেখি, গাছে গাছে যত পাতা, সব কবিতা হয়ে উড়ে যাচ্ছে। পাতা কুড়োনির মেয়ে সব কুড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ভাত রানতে চুলায় পোড়াচ্ছে। কবিতা কোথায় থাকে আর কোথায় থাকে না- বুঝতেই পারি না।

আপনার প্রিয় কবি কেউ আছেন নিশ্চয়ই, অবসরে তাঁর লেখা পড়েন কী?

প্রিয় কবি তো অনেকেই। তবে অনেকদিন হয়তো কারও কবিতা টানল, তার সঙ্গে যোগ হলো অন্য আরেকজন। তবে এখন বন্ধুদের কবিতা বা আমার অনুজদের কবিতাই বেশি খেয়াল রাখার চেষ্টা করি। সময় তো পাই কম, সময় তো পালিয়ে গেছে। পলাতক সময়ের সন্ধানে কবিতার মধ্যে ডুব দিতে চাই, কিন্তু পারি কই?

কার কবিতা পড়ে বেশি অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন?

অল্প বয়সে অকালপ্রয়াত আবুল হাসানকে মনে ধরেছিল খুব। রণজিৎ দাশ, আল মাহমুদ, শক্তি, বিনয়, উৎপল-অনেক।

প্রেমে পড়েছিলেন?

পড়ব না কেন? প্রেম না থাকলে বুকের মধ্যে খুব ফাঁকা ফাঁকা লাগে। মনে হয়, স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে একা বসে আছি। তবে নিবিড় প্রেম খুবই দুর্লভ বস্তু, মন চায় মিলুক মিলুক, কিন্তু মেলে না, মেলে না, মেলে না...

বিকল্পধারার সিনেমা নিয়ে আন্দোলন চলছে এদেশে বাজারের সিনেমার সঙ্গে- এর তফাৎটা কী এবং কেন বিকল্পধারার বলবেন? 

বিকল্প বা বাজারি সিনেমা- এইসব টার্মোলজিতে আমার জানাশোনা কম। আমার নিজের মতো করে বানানোর ইচ্ছেটাই প্রধান। ‘ব্ল্যাকআউট’ বানিয়েছি ১৪ বছর আগে। নানান কারণে আনরিলিজড। এখন বানাচ্ছি কাঁটা। এটা সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ছবি। এটি একটি মহল্লার মানুষের অসহায়ত্ব, বিভ্রান্তি ও আত্মগ্লানির গল্প।

আপনি নিজেও কী এই বিকল্প ধারার সিনেমার সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন? 

আমি যুক্ত আছি আমার স্বপ্নের সঙ্গে, সামর্থ্যরে সঙ্গে। আমি যুক্ত থাকতে চাই সময়ের সঙ্গে, সময়ের মানুষের সঙ্গে। সিনেমা মাধ্যমটা অনেক প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে। আরও উন্মুক্ত হওয়া দরকার, নির্মাণ উপযোগী হওয়া দরকার। 

সিনেমার সঙ্গে আপনি শিল্পের আর কোন কোন মাধ্যমকে সমান্তরালভাবে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন?

শিল্পের যে কোনো মাধ্যমই গুরুত্বপূর্ণ, যদি তা সুনির্মিতি পায়। আমি চিত্রকলায় একাডেমিক স্টুডেন্ট, কবিতার ঘর করি, থিয়েটার করতাম, মুস্তফা মনোয়ারের সঙ্গে পাপেট করেছি কয়েক বছর। আর গান, নাচ, ফটোগ্রাফি- সব মাধ্যমই গুরুত্বপূর্ণ। একটির নিরিখে আরেকটিকে বিচার করার কিছু নেই।

সিনেমা নিয়ে প্রত্যেক পরিচালকের আলাদা করে একটা ভাবনার জগৎ রয়েছে- এ বিষয়ে আপনি কী বলেন, আমি বলতে চাইছি আপনার সিনেমা ভাবনা ঠিক কিরকম? 

সিনেমার ভাবনা আমার যা, তাই তো নির্মাণ করার চেষ্টা করছি। সেই চেষ্টা ব্ল্যাকআউট’য়েও ছিল, কাঁটা’তেও থাকছে। দর্শক আমার ভাবনাকে কানেক্ট করবে- সেটাই সঙ্গত। মনে রাখতে হবে, আমি সিনেমার ছাত্র, শিখছি, করছি।

আপনি চারুকলার মানুষ, চিত্রকলার সঙ্গে কবিতার সম্পর্ক বা সম্পৃক্ততাকে ব্যাখ্যা করবেন?

মাধ্যম দুইটা তো আলাদা। একটা ভাষা ভিত্তিক, আরেকটা ভিজুয়ালাইজেশন। এক করে দেখার দরকার নেই।

ঢাকা শহরে যখন শিক্ষার্থী হিসেবে আসেন- সেই সময়ের শিক্ষাঙ্গন সম্পর্কে বলুন...

শহরে এখন লোকজন আরো বেড়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাড়লেও শিক্ষামানের অবনমন ঘটেছে। হাতের মুঠোয় নেট এসেছে, এটা সুবিধা। আবার বই পড়ার প্রতি যে অদম্য নেশা ছিল একদা আমাদের, সেটা কমেছে। এর মধ্যদিয়ে পার হয়ে যাচ্ছে দিন, মাস, বছর।

তবে আগে ব্যক্তিগতভাবে আমার বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র হওয়ার যে ঝোঁক ছিল, পরে সেই ঝোঁক উড়ে গেছ, উবে গেছে। এককথায় চাকরি ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা তেমন কিছু দেয় না। দিতে পারে না। যারা চাকরির জীবন চায় না, তাদের কি দেবে? যে কারণে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র থাকাকালীন পড়ালেখা শেষ করিনি, কোনোদিন রেজিস্ট্রার বিল্ডিংয়ে যাইনি সার্টিফিকেট তোলার আশায়।

Ad

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

© 2022 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh

// //