৩৬ বছর পর চট্টগ্রাম বন্দরে মাশুল বৃদ্ধি, অসন্তুষ্ট ব্যবসায়ীরা

১৯৮৬ সালের পর চলতি বছরে নতুন মাশুল বা ট্যারিফ কাঠামো কার্যকর করতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর। নতুন মাশুলের চূড়ান্ত খসড়া ইতোমধ্যে সরকারের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করছে। ৩৬ বছর পর এ উদ্যোগ নেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা অসন্তোষ বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি পোর্ট ইউজার্স ফোরামের চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম বলেন, পোর্টের সক্ষমতা বেড়েছে। তাই ট্যারিফ না বাড়িয়ে কমানো দরকার। বর্তমান বাস্তবতায় মাশুল বৃদ্ধি অযৌক্তিক।

ব্যবসায়ীরা দাবি করেন, তাদের মতামতের কোনো প্রতিফলন ঘটেনি খসড়ায়। প্রস্তাবিত কাঠামোয় এমন অনেক উপধারা যোগ করা হয়েছে যা অত্যন্ত জটিল। ক্ষেত্রবিশেষে মাশুল বাড়ানো হয়েছে একশো’ ভাগের বেশি। ব্যবসা ও পণ্যমূল্যে এর চরম নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ সচিব মো. ওমর ফারুক বলেন, ব্যবহারকারীদের মতামত নিয়েই নতুন ট্যারিফ কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। নতুন করে মতামত পেলে তাও বিবেচনা করা হবে। ১৯৮৬ সালের খরচ আর বর্তমান খরচ তো এক না। ট্যারিফ কাঠামোকে যুগোপযোগী করার প্রয়োজন ছিল। তবে এখনো বিষয়টি চূড়ান্ত হয়নি। মতামত পেলে আমরা অবশ্যই বিবেচনা করব।

উল্লেখ্য, বন্দর কর্তৃপক্ষ ৬০টি খাতে মাশুল বা চার্জ আদায় করে। চট্টগ্রাম বন্দরের বছরে আয় প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা। নতুন ট্যারিফ কাঠামো কার্যকর হলে আয় কয়েকগুণ বাড়বে জানান কর্মকর্তারা।

Ad

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

© 2022 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh

// //