বিশ্বের ১৪০টি শহরের তালিকায় তলানিতে

শহর হিসেবে ঢাকা কতটুকু বাসযোগ্য?

ঢাকা শহর। ফাইল ছবি

ঢাকা শহর। ফাইল ছবি

মারণভাইরাস করোনার উত্থান-পতন মানবজীবনকে করেছে বিপর্যস্ত। প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে দিনের পর দিন সরকারি স্বাস্থ্যকে শিকেয় তুলে করপোরেট হাসপাতালের বাড়-বাড়ন্তকে। ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার বালির বাঁধও ভাঙতে শুরু করেছে বিশ্বজুড়ে। 

ক্ষুদ্র এই ভাইরাস শিখিয়েছে, প্রকৃতির সন্তান হয়ে টিকে থাকতে হলে কী করা যাবে, আর কী করা চলবে না। ধ্বংস করা যাবে না এত সম্পদ। ‘আরও চাই’ জাতীয় প্রত্যাশাকে টানতে হবে রশি। সব ফেলে মানুষও এখন করোনামুক্ত সমাজ বা বাসস্থান খুঁজতে মরিয়া। কোনোরকমে লুকিয়ে কিংবা পালিয়ে বেড়ানো- ঠিক কোথায় গেলে প্রাণঘাতী ভাইরাসের করালগ্রাস থেকে মুক্ত হয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবে; কিন্তু সে আর হলো কই, চলতি বছর যেন আরও ভয়াবহ অদৃশ্য এ ঘাতক। 

অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব। শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং রাজনীতিও এ প্রভাবের বাইরে নয়। ঠিক এই মুহূর্তে সামনে এলো একটি সমীক্ষার রিপোর্ট- বাসযোগ্যতার বিচারে বিশ্বের ১৪০টি শহরের তালিকার তলানিতে দেশের রাজধানী ঢাকা। কোভিড-১৯ মহামারির মধ্যে ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) করা এই তালিকায় যেখানে ব্যাপক রদবদল হয়েছে, সেখানে দুই বছরে ঢাকা এগিয়েছে কেবল এক ধাপ। গেল বার অবস্থান ছিল তালিকার নিচের দিক থেকে তিন নম্বরে, এবার সেখান থেকে চার নম্বরে অর্থাৎ ১৩৭তম অবস্থানে উঠে এসেছে চারশ’ বছরের পুরনো এ শহর। 

কোন নগর কতটা বাসযোগ্য তা বোঝার জন্য স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা এবং অবকাঠামো- এই পাঁচ মানদণ্ডে বিচার করে ইআইইউ। ১০০ ভিত্তিক সূচকে ঢাকার মোট স্কোর এবার ৩৩ দশমিক ৫, যেখানে ৯৬ স্কোর নিয়ে তালিকার শীর্ষে নিউজিল্যান্ডের শহর অকল্যান্ড। ঢাকা সবচেয়ে কম স্কোর পেয়েছে স্বাস্থ্যখাতে, ১৬ দশমিক ৭। আর অবকাঠামোর বিচারে ২৬ দশমিক ৮ এবং সংস্কৃতি ও পরিবেশে ৩০ দশমিক ৮ স্কোর তালিকার পুরো ১৪০ দেশের মধ্যেই সবচেয়ে কম। এছাড়া স্থিতিশীলতার বিচারে ঢাকাকে ৫৫ এবং শিক্ষায় ৩৩ দশমিক ৩ স্কোর দিয়েছে সংস্থাটি। 

ঢাকার নিচে রয়েছে পাপুয়া নিউগিনির পোর্ট মোর্সবি, নাইজেরিয়ার লাগোস ও সবশেষে সিরিয়ার দামেস্কো। ‘রাজধানী ঢাকা’ আর ‘নাগরিক সমস্যা’ সমার্থক শব্দে পরিণত হয়েছে বহু আগেই। দখলদারিত্বের কবলে পড়ে আবদ্ধ জলাভূমিতে পরিণত হয়েছে এক সময়ের খরস্রোতা বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদী। ক্রমবর্ধমাণ নগরমুখিতা এবং দ্রুত নগরায়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গড়া হচ্ছে না পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনা। ফলে নাগরিক সুবিধার অসম বণ্টন এবং চরম বৈষম্যমূলক নীতি প্রণয়নসহ অবকাঠামোকেন্দ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নে মারাত্মকভাবে উপেক্ষিত জীবনযাত্রা ও পরিবেশ। সব শ্রেণি-পেশা ও বয়সের মানুষের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে, মানুষের জন্য বাসযোগ্য এবং পরিবেশবান্ধব নগর তাই ঢাকার অন্যতম প্রধান সমস্যা। 

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) এক গবেষণায় দেখা গেছে, নগরীতে বিক্ষিপ্তভাবে গড়ে ওঠা অবকাঠামোর ৭৩ শতাংশই পুরোপুরি অপরিকল্পিত। এ কারণে যানজট আর জলাবদ্ধতার শহরে পরিণত হয়েছে রাজধানী। সেই সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পানিতে দুর্গন্ধ, রাস্তাঘাটও বেহাল, ঢাকনাবিহীন ম্যানহোল, যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনার স্তূপ, মশা-মাছির যন্ত্রণাসহ আবাসন সংকট। ভূমি ব্যবহারের যথাযথ নীতিমালা না মেনে গড়ে উঠেছে বহুতল আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন। জলাশয় ও নিম্নাঞ্চল ভরাট করে গড়ে ওঠা অপরিণামদর্শী উন্নয়নের ফলে অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়েছে রাজধানীর পানিনিষ্কাশন ব্যবস্থা। অপ্রতুল সড়ক ব্যবস্থার কারণে বিপর্যস্ত পরিবহন খাত। শহরের বাসিন্দাদের নির্বিঘ্নে যাতায়াতের জন্য মোট আয়তনের ২৫ শতাংশ সড়কের প্রয়োজন হলেও রয়েছে কেবল ৮ শতাংশ। এ কারণে প্রতিনিয়ত বাড়ছে যানজট। 

জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি-ইউএনডিপির সর্বশেষ সমীক্ষা বলছে, ঢাকায় যানজটের কারণে বছরে ক্ষতি ৩৫ হাজার ১০০ কোটি টাকা।

নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, একটি আদর্শ শহর গড়ে তুলতে যেসব শর্ত পূরণ করতে হয়, তার অনেক কিছুই ঢাকা শহরে নেই। আবার যেসব মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তার বাস্তবায়নও হয়নি। সবকিছুই হয়েছে বিচ্ছিন্ন ও বিক্ষিপ্তভাবে। ফলে এক সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে অন্য সমস্যা আরও প্রকট রূপ নিয়েছে। রয়েছে সমন্বয়ের অভাব। বিভিন্ন সংস্থা নিজেদের মতো করে প্রকল্প নেয়, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করে। সমন্বয় না থাকায় এক প্রকল্পের সঙ্গে অন্যটি সাংঘর্ষিক হয়ে পড়ে। শহরের যানজট কমাতে উড়াল সড়ক তৈরি হয়েছে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা গেছে এগুলো অন্য প্রকল্প ও পরিকল্পনার জন্য বৃহৎ বাধা। 

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শাহ জালাল মিশুক বলেন, ‘১৯১৭ সালে ব্রিটিশ নগর পরিকল্পনাবিদ স্যার প্যাট্রিক গেডিস ঢাকা শহরের জন্য একটি প্ল্যান করেছিলেন। এরপর ১৯৫৯ সালে মেগাসিটি ঢাকাকে নিয়ে ২০ বছর মেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান করা হয়। তাতে বেশ কিছু অবকাঠামো, আবাসিক এলাকা, বাণিজ্যিক এলাকা তৈরি করা হয়; কিন্তু পুরো পরিকল্পনা কখনোই বাস্তবায়ন হয়নি। তাছাড়া ওই পরিকল্পনাটা ছিল ১৫ লাখ মানুষের জন্য। ১৯৭৪ সালে ঢাকার লোকসংখ্যা দাঁড়াল প্রায় ২০ লাখ। ১৯৮০ সালে ৩৫ লাখ। ১৯৯১ সালে ৬৫ লাখ। ২০০১ সালে এই মহানগরের লোকসংখ্যা দাঁড়ায় এক কোটির বেশি। আর এখন প্রায় দুই কোটি। ১৫ লাখ লোকের জন্য যে পরিকল্পনা, সেই পরিকল্পনা দিয়েই মূলত এখনো ঢাকা শহর চলছে। পরে যেসব পরিকল্পনা হয়েছে, তা সামান্যই বাস্তবায়ন হয়েছে।’ 

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) সাধারণ সম্পাদক ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, ‘একটি বাসযোগ্য শহরের জন্য ২০ শতাংশ সবুজ এলাকা, ১০ থেকে ১৫ শতাংশ জলাশয় এবং ২০ থেকে ২৫ শতাংশ রাস্তাঘাট দরকার। এ ক্ষেত্রে আগের ঢাকাকে তো আর ঢেলে সাজানোর তেমন সুযোগ নেই। তবে দুই সিটি করপোরেশনের সঙ্গে নতুন যে ৩৬টি ওয়ার্ড যুক্ত করা হয়েছে, সেগুলোকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে হবে। সেখানে পরিকল্পনার ক্ষেত্রে বৈশ্বিক মান মেনে কাজ করতে হবে।’ 

ইআইইউর পরিসংখ্যান টেনে এনে এই নগর পরিকল্পনাবিদ বলেন, ‘রাজধানী হিসেবে ঢাকার অবকাঠামো, যাতায়াত সুবিধা, জলাবদ্ধতা- কোনো সূচকেই ভালো করতে পারছি না। আমাদের পরিকল্পনাগুলোর মান নিয়ে ঝামেলা আছে। এগুলো বৈশ্বিক মানের হয় না। এ ছাড়া যতটুকু পরিকল্পনা হয়, তাও বাস্তবায়ন হয় না। অনেক ক্ষেত্রে পরিকল্পনা প্রণয়নের সঙ্গে স্বার্থগোষ্ঠী জড়িত থেকে তাদের সুবিধামতো তা করার চেষ্টা চালান। এ ছাড়া পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত সংস্থাগুলোর মধ্যেও সুশাসনের তীব্র অভাব।’

চারদিকে চারটি নদী, এগুলোর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে শহরের বুক ছিঁড়ে বয়ে চলা অসংখ্য খাল। একেবারে যাকে বলা হয় প্রাকৃতিক শহর। সেই সঙ্গে শত শত বছর ধরে ঢাকাকে গড়ে তুলতে প্রকল্পেরও কমতি নেই। বছরজুড়েই চলে উন্নয়নযজ্ঞ; কিন্তু তপ্ত এই শহরে বৃষ্টি যতটা না আশীর্বাদ, তার চেয়ে বেশি অভিশাপ হয়েই ঝরে। সামান্যতেই জলাশয়ের রূপ ধারণ করে মহাসড়কগুলো। তৈরি হয় তীব্র যানজট। মূলত পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ থাকার কারণেই উৎকণ্ঠা আর দুর্ভাবনায় থাকতে হয় ব্যস্ত এই শহরের প্রায় দুই কোটি মানুষকে। 

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) কর্মকর্তারা বলছেন, ঢাকার বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা ২০১০-এর (ড্যাব) আওতাধীন এলাকার আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্পাঞ্চল, রাস্তাঘাট, উন্মুক্ত স্থান, জলাশয় ও বন্যাপ্রবাহ অঞ্চল চিহ্নিত করা আছে। তবে প্রভাবশালী ব্যক্তি ও বেসরকারি আবাসন কোম্পানিগুলো জলাশয়, খাল ও নিম্নাঞ্চল ভরাট করে তৈরি করছে একের পর এক প্লট ও ফ্ল্যাট। এ কারণে রাজধানীসহ আশপাশের শহরগুলোয় প্রতিনিয়ত বাড়ছে জলাবদ্ধতা। পাশাপাশি প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা ও নগরের তাপমাত্রাতেও প্রভাব ফেলছে। ড. আদিল মুহাম্মদ বলেন, ‘উন্মুক্ত স্থান ও জলাশয় কমে যাওয়ায় আমাদের গ্রাউন্ড ওয়াটার রিচার্জ হচ্ছে না। ফলে গরমের সময় অত্যধিক গরম পড়ে। খাল ও জলাশয়গুলো দখল হয়ে যাওয়ায় বৃষ্টির পানি নামার জায়গা থাকে না। তাই অল্প বৃষ্টিতেই তৈরি হয় জলাবদ্ধতা।’

ঢাকার এমন নানা সমস্যা থাকলেও ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্সের এই বিশ্লেষণকে গ্রহণযোগ্য মনে করেন না নগর পরিকল্পনাবিদরা। তাদের মতে, শহরের সঙ্গে শহরের এই পার্থক্যটা মূলত বিনিয়োগ ও পর্যটনভিত্তিক পর্যালোচনার সাপেক্ষে একটি মূল্যায়ন। সেখানে প্রাধান্য পায় চাকচিক্য শহরের। তাই এ তালিকায় যেসব শহরের সঙ্গে ঢাকার তুলনা করা হয়েছে, সেগুলোকে অনেকটা জনমানবহীন শহর বললে ভুল হবে না। 

বিআইপির সভাপতি ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্বাবিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. আকতার মাহমুদ বলেন, ‘অকল্যান্ড বা ওয়েলিংটনের জনঘনত্ব ঢাকার তুলনায় নগণ্য। এই শহরগুলোতো যদি ঢাকার কোনো একটি এলাকার জনসংখ্যাও ঢুকিয়ে দেওয়া যায়, তাহলে পুরো ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। তবে এর মানে এই নয় যে, ঢাকা শহরে বাসযোগ্যতা নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। ঢাকাকে তার সম্ভাবনার দিক থেকে বিবেচনা করলে সেদিক থেকে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। সে অর্থে তার বসবাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে; কিন্তু ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট আমাদেরকে প্রাণের শহর, মানবিক শহর, মানুষের শহরের দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করতে ব্যর্থ হয়েছে। সে কারণে তাদের তালিকায় ঢাকার অবস্থান নিয়ে বিতর্কটা রয়েই যায়।’ 

তিনি বলেন, ‘প্রতি বছরই ঢাকার অবস্থান একেবারে তলানিতে থাকা আমাদের নীতিনির্ধারকদের ব্যর্থতা ও দায়িত্বহীনতার কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়। করোনা পরিস্থিতিতে গত বছর অবশ্য প্রতিষ্ঠানটি তাদের রিপোর্ট প্রকাশ করেনি। ২০১৯ সালের তুলনায় র্যাংকিংয়ে আমরা কাগজে-কলমে এক ধাপ এগিয়েছি, তবে প্রকৃত অর্থে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। আগেরবার প্রকাশিত তালিকায় সূচক মান ছিল ১০০ এর মধ্যে ৩৯ দশমিক ২, আর এখন তা ৩৩ দশমিক ৫। করোনা পরিস্থিতিতে সব নগরেই টানাপড়েন আছে। তবে আমাদের স্বাস্থ্য খাতের যে দুরবস্থা, এই ক্রান্তিকালে তা সামনে চলে এসেছে। স্বাস্থ্য খাতের দুরবস্থাই র্যাংকিংয়ে বড় প্রভাব ফেলেছে। এই সূচকে ২০১৯ সালের তুলনায় ১৩ পিছিয়েছি, যা সর্বোচ্চ। পরিবেশের চ্যালেঞ্জটি আমাদের দীর্ঘদিনের। গেল এক বছরে আমাদের শহর বেশ কিছুদিন বায়ুদূষণের দিক থেকে সবার ওপরে কিংবা দ্বিতীয় ছিল।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘করোনাকালে অন্যান্য শহর যেখানে ভালো করছে, সেখানে আমাদের অবস্থা সেই আগের মতোই নাজুক। সুতরাং আমাদের এখন উন্নতি করতে হলে বেসিক জায়গায় হাত দিতে হবে। স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ঠিক করার পাশাপাশি শিক্ষাতেও হাত দিতে হবে। অথচ দেখুন, করোনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুরোপুরি বন্ধ। এটার কারণে হয়তো শিক্ষা সূচকেও পিছিয়ে গেছি। বিশ্বের খুব কম দেশই আছে, যেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এভাবে বন্ধ রয়েছে।’


মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

© 2021 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh