কাদের মির্জার বিরুদ্ধে মামলা নেয়নি পুলিশ

বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা ও তার কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে যুবলীগকর্মী মো. আলাউদ্দিনকে হত্যার অভিযোগে মামলা না নিয়ে আবেদনটি ফিরিয়ে দিয়েছে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) রাতে মামলা করতে চেয়েছিলেন মঙ্গলবার রাতে পৌর চত্বরের গোলাগুলিতে নিহত আলাউদ্দিনের ছোট ভাই এমদাদ হোসেন। এ জন্য প্রায় চার ঘণ্টা থানায় ছিলেন তিনি।

এর আগে বৃহস্পতিবারই গ্রেফতার করা হয়েছে কাদের মির্জার প্রতিপক্ষ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদলকে। পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে।

আলাউদ্দিনের ভাই এমদাদ জানান, আবেদনে কিছু ত্রুটি আছে। ত্রুটি সংশোধন করে শুক্রবার সকাল ১০টায় আবেদন নিয়ে আবার থানায় যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।

মেয়র কাদের মির্জা ও তার কর্মী-সমর্থকদের আসামি করে মামলার আবেদন নিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ থানায় যান আলাউদ্দিনের ছোট ভাই এমদাদ হোসেন।

রাত সাড়ে ১১টার দিকে থানা থেকে ফিরে এমদাদ বলেন, ওসি বলেছেন, অভিযোগ লেখায় কয়েকটি জায়গায় অসঙ্গতি রয়েছে। সেগুলো ঠিক করে শুক্রবার সকাল ১০টায় যেতে বলেছেন। তখন মামলা গ্রহণ করা হবে।

অভিযোগের কোন কোন জায়গায় অসঙ্গতি আছে জানতে চাইলে এমদাদ বলেন, কাল সকালে জানতে পারবেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে থানার দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, কারেকশন খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় না। এটা একটা সেনসিটিভ ইস্যু, হুট করেই মামলা নেয়া যায় না।

গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বসুরহার পৌর শহরে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মেয়র কাদের মির্জা ও সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদলের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। রাত ৮টা পর্যন্ত এ সংঘর্ষ চলার পর দুই পক্ষ দুই দিকে অবস্থান নেয়।

পরে পৌর চত্বরে গোলাগুলিতে প্রাণ হারান যুবলীগকর্মী আলাউদ্দিন, গুলিবিদ্ধ হন আরো ১৩ জন। এ ছাড়া সংঘর্ষে আহত হন অন্তত ৩০ জন। সংঘর্ষের সময় কাদের মির্জা পৌরসভা কার্যালয়েই অবস্থান করছিলেন।

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

© 2021 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh