করোনায় বিঘ্নিত হচ্ছে সাধারণ রোগের চিকিৎসা

চিকিৎসা সেবা পাওয়া মানুষের মৌলিক অধিকারগুলোর একটি। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারীর এ চরম সংকটময় সময়ে তা আরো বেশি জরুরি হয়ে উঠে। কিন্তু করোনাভাইরাস মারাত্মক সংক্রামক হওয়ায় চিকিৎসা পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন আনতে হয়েছে। ফলে দেশের চিকিৎসাব্যবস্থা এখন গুরুতর সংকটে। করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসার বন্দোবস্ত করতে গিয়ে গোটা চিকিৎসাব্যবস্থাই ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।

পত্রিকাগুলোতে প্রতিদিন করোনাভাইরাসে সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা, মৃত্যুর হালনাগাদ পরিসংখ্যান, করোনা রোগীদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে নানা সীমাবদ্ধতা ইত্যাদির খবর প্রকাশিত হচ্ছে। কিন্তু করোনা রোগী ছাড়াও যে অন্যান্য রোগব্যাধিতে অনেক মানুষ ভুগছে, তাদেরও যে চিকিৎসার প্রয়োজন- এ দিক থেকে যেন সবার দৃষ্টি সরে গেছে।

উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, কিডনি ও লিভারের অসুখ, ক্যানসারসহ নানা ব্যাধিতে ভুগছে যেসব মানুষ, তাদের চিকিৎসায় ভীষণ সমস্যা হচ্ছে। বয়স্ক মানুষ, গর্ভবতী নারী ও শিশুদের আকস্মিকভাবে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার প্রয়োজন দেখা দিলে বড় রকমের অনিশ্চয়তায় পড়তে হচ্ছে।

দেখা গেছে স্বাভাবিক সময়ে যেসব হাসপাতাল ও ক্লিনিক রোগীতে ঠাসা থাকত, সেগুলো এখন প্রায় রোগীশূন্য। দেশের চিকিৎসাব্যবস্থায় হযবরল অবস্থা চলছে। করোনাভাইরাসের প্রভাব পড়েছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে।

করোনা ছাড়া বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে যারা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, চিকিৎসাসেবা না পেয়ে তারাও হাসপাতাল ছাড়ছেন। এমনকি অনেক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বন্ধ রেখেছেন প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখা। সংবাদমাধ্যমে খবর বেরোচ্ছে, অনেক রোগী এ হাসপাতাল-সে হাসপাতাল ঘুরে শেষ পর্যন্ত চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যুবরণ করছেন।

শাহবাগে বারডেম জেনারেল হাসপাতালে যেহেতু ডায়াবেটিক রোগীদের বিনামূল্যে সেবা দেয়া হয়, সাধারণ সময়ে হাসপাতালের বহির্বিভাগে এবং মূল ফটক ঘিরে শত শত রোগী থাকেন। সম্প্রতি এক সকালে দেখা যায় মূল ফটকের সামনে কয়েকজন রোগী হুইল চেয়ারে বসে রয়েছেন। তাদের সাথে হাসপাতালের ইউনিফর্ম পরা সেবাকর্মী এবং জিনিসপত্রের ব্যাগ দেখে ধারণা করা যায়, তারা হয় ভর্তি হতে এসেছেন, অথবা হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। কিন্তু হাসপাতালে নিয়মিত চেকআপের জন্য আসা মানুষের ভিড় এখন একেবারেই নেই।

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে গত ২৬ মার্চ থেকে চলছে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি। যে কারণে পরিবহনসহ সব ধরণের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। যদিও স্বাস্থ্যসেবা, ব্যাংক এবং গণমাধ্যমের মত কয়েকটি খাত চালু রয়েছে। স্বাস্থ্যসেবার অংশ হিসেবে সরকারি হাসপাতাল চালু আছে। বেসরকারি হাসপাতালের সমিতিরও দাবি তাদের হাসপাতাল চালু আছে।

কিন্তু বাস্তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে জরুরি বিভাগে ডাক্তার নার্স থাকলেও, যেহেতু হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা বসছেন না এবং তাদের প্রাইভেট প্রাকটিস বন্ধ রয়েছে, সে কারণে সাধারণ রোগ কিংবা ক্রনিক অর্থাৎ দীর্ঘদিন ধরে কোন অসুস্থতায় ভোগা মানুষের চিকিৎসা প্রায় বন্ধ রয়েছে। কিন্তু রোগবালাই তো থেমে নেই। এমন পরিস্থিতিতে যারা দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসসহ অন্যান্য রোগে ভুগছেন, তারা পড়েছেন বিপাকে।

ব্যাংক কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, তার হৃদ-রোগাক্রান্ত মাকে নিয়ে ছয়টি হাসপাতাল ঘুরে সপ্তম হাসপাতালে ভর্তি করাতে সক্ষম হন। মার্চের শুরুতে তার মায়ের হার্টে রিং পরানো হয়েছিলো। কিন্তু তিন সপ্তাহ পরে মুখে ঘা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন তার মা।

তিনি বলেন, আম্মাকে যখন ভর্তি করাতে নিলাম, সবাই বলে ইব্রাহিম কার্ডিয়াকে যেতে, ওখানেই আম্মার রিং পরানো হয়েছে। কিন্তু আমাদের আগেই জানিয়েছে যে এখন কার্ডিয়াক ছাড়া অন্য সমস্যার জন্য ডাক্তার যে নিয়ে আসে ওরা সে এখন পারছে না। ফলে অন্যখানে চেষ্টা করি। ছয়টা হাসপাতাল ঘোরার পর ঢাকার একটি হাসপাতাল তাকে ভর্তি করাতে রাজি হয়, কিন্তু তাদের শর্ত ছিলো, আগে করোনা পরীক্ষা করে নেগেটিভ হলে ভর্তি করবে। সেইমত পরীক্ষা করে, তার পর নেগেটিভ আসলে পরদিন তারা আম্মাকে ভর্তি করে, কিন্তু ততদিনে দেরি হয়ে গেছে। ভর্তির পরদিনই আম্মার অবস্থা খারাপ হয় তাকে আইসিইউতে নিতে হয়। সেখানে আম্মা মারা যান।

দেশে করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। সেই সঙ্গে রোগ শনাক্তে নমুনা সংগ্রহ এবং করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের সংখ্যাও বাড়াচ্ছে সরকার। কিন্তু বিশেষায়িত বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে সেবা দেয়া কার্যত বন্ধ রয়েছে। যদিও কিছু বেসরকারি হাসপাতাল দাবি করছে তাদের কার্যক্রম চলছে, কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্ন। এমনকি সরকারি হাসপাতালেও রোগী ভর্তি করা হচ্ছে না।

বেশিরভাগেই জরুরি বিভাগে ডাক্তার-নার্স থাকেন, কিন্তু হাসপাতালের বহির্বিভাগে কেউ থাকেন না। সেক্ষেত্রে সাধারণ রোগ এবং ক্রনিক অর্থাৎ দীর্ঘদিন ধরে কোন অসুস্থতায় ভোগা মানুষের চিকিৎসা প্রায় বন্ধ রয়েছে।

দেশে এমনিতেই জনসংখ্যার অনুপাতে ডাক্তার ও সেবাকর্মীর সংখ্যা অনেক কম। সরকারি হিসাবে রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের সংখ্যা মাত্র ১ লাখ ২ হাজার ৯২৭ জন। এছাড়া রেজিস্টার্ড নার্স রয়েছেন ৫৬ হাজার ৭৩৪ জন। যে কারণে স্বাভাবিক সময়ে হাসপাতাল ও ক্লিনিকে রোগীর উপচে পড়া ভিড় দেখা যায় সব সময়। কিন্তু বর্তমান অবস্থায় সেবা নিয়ে চিকিৎসক ও রোগীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ রয়েছে।

রোগীর অভিযোগ, হাসপাতালের জরুরি বিভাগেও তারা সেবা পাচ্ছেন না। সেই সঙ্গে বেসরকারি ক্লিনিক ও বহু হাসপাতাল বন্ধ রয়েছে। আর, চিকিৎসক ও সেবাকর্মীদের অভিযোগ, অনেক সময় রোগীরা তথ্য গোপন করে হাসপাতালে ভর্তি হতে আসেন, যে কারণে তারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন এমন ভীতি রয়েছে তাদের।

ক্যান্সারের মত রোগ ভুগছেন যারা, যাদের নিয়মিত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকতে হয়, তাদের সংখ্যাও কমে গেছে। ঢাকার আহসানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতালের রেজিস্টার ডা. নাহিদ সুলতানা বলেন, একমাত্র যারা কেমোথেরাপি বা এমন ধারাবাহিক চিকিৎসার পর্যায়ে রয়েছেন তারাই আসছেন হাসপাতালে। আউটডোরে অন্য রোগী আসছেন না বলা যায়। ১৫ দিনে চার থেকে পাঁচজন রোগী এসেছেন। আর যারা আসছেন তারা বাধ্য হয়ে জটিল অবস্থায় পড়ে আসছেন।

ঢাকার বাইরের পরিস্থিতিও ভিন্ন নয়। চট্টগ্রাম, সিলেট এবং খুলনার মত বিভাগীয় শহরগুলোতেও প্রায় একই অবস্থা। উপজেলা শহরগুলোর অবস্থা আরো শোচনীয়। খুলনা শহরে সরকারি হাসপাতালের বাইরে তিনটি প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল খোলা রয়েছে। এর বাইরে একশোর বেশি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর থেকেই বন্ধ। ফলে যারা যারা আশপাশের জেলা বা থানা থেকে চিকিৎসা নিতে আসতেন তারা আসতে পারছেন না।

স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকেরা বলছেন, টেলি-মেডিসিন এর একটি কার্যকর বিকল্প হতে পারে। টেলিমেডিসিন হচ্ছে যেকোন অসুস্থতার জন্য সাধারণ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেবার একটি মাধ্যম, যেখানে টেলিফোন এবং ভার্চুয়াল মাধ্যম মানে কম্পিউটার ও মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে যোগাযোগ করে সেবা নেবেন একজন রোগী।

কিন্তু টেলিমেডিসিনের ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে বাংলাদেশে টেলিমেডিসিন ব্যাপারটি খুবই অপ্রচলিত এবং এভাবে চিকিৎসা নেয়ার বিষয়ে রোগীদের মনোভাব খুব একটা ইতিবাচক নয়। তাছাড়া বাংলাদেশে টেলিমেডিসিন প্রতিষ্ঠান চালু আছে মাত্র ১৪টি।

সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর স্বাস্থ্য সেবার এই পরিস্থিতিতে এপ্রিল মাসের শুরুতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, কোন হাসপাতাল যদি ইমার্জেন্সিতে আসা রোগীকে চিকিৎসা না দেয়, তাহলে তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে।

পরে এপ্রিলের নয় তারিখে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন বিএমএ-ভুক্ত ৬৯টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা সব রোগের চিকিৎসা সেবা দেবে হবে বলে সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, যিনি বাংলাদেশে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল সমিতিরও একজন নেতা। তবে এসব ঘোষণার বাস্তবায়ন দেখা যায়নি।

রোগী ও চিকিৎসকদের মধ্যকার দ্বিমুখী অভিযোগের ব্যাপারটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় স্বীকার করে নিয়েছে। তবে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাবার প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিকল্পনা করছে, সরকারি বেসরকারি সব হাসপাতালের সামর্থ্যকে একসঙ্গে মিলিয়ে করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের সেবা দেয়া হবে।

সেক্ষেত্রে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ সাধারণ অসুস্থতার জন্য মানুষকে সরকারি হাসপাতালে যাবার পরামর্শ দিয়েছেন। অপরদিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুরোটাই করোনা হাসপাতাল করা হচ্ছে।

জানা গেছে, খুব শিগগিরই পুরো হাসপাতালটিকে করোনা হাসপাতাল করার ঘোষণা দেয়া হবে। দেশের মোট চিকিত্সার ৭০ ভাগ চিকিত্সাই হয় এই হাসপাতালে। এখন প্রশ্ন উঠেছে সাধারণ রোগীরা এখন যাবে কোথায়? বিভিন্ন রোগে এখন যারা চিকিত্সাধীন আছেন তাদের বের করে দেয়া হচ্ছে। এত রোগী সামাল দেয়ার সক্ষমতা অন্য কোনো সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের নেই।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা ভুল সিদ্ধান্ত। দরিদ্র মানুষের চিকিত্সা হয় এখানে। ঢাকা মেডিক্যালে যদি সাধারণ রোগীরা চিকিত্সা না পায় তাহলে এখন তো করোনার চেয়ে অন্য রোগে মৃত্যু বেড়ে যাবে। এমনকি বিনা চিকিত্সায় মারা যাবেন সাধারণ মানুষ।

২ হাজার ৬০০ বেডের এই হাসপাতালে প্রতিনিয়তই ৪ থেকে ৫ হাজার রোগী সব সময় ভর্তি থাকেন। এছাড়া জরুরি ও বহির্বিভাগে প্রায় ১০ হাজার মানুষ প্রতিদিন চিকিত্সা নেয়। এমন কোনো চিকিত্সা নেই যেটা ঢাকা মেডিক্যালে হয় না।

১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর দেশের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য হাসপাতাল এটি। প্রতিদিন ১০০-১৫০ অপারেশন হয়। ৭০ থেকে ৮০টি সিজার হয়। ডেলিভারি হয় আরো বেশি। শতাধিক কিডনি রোগীর ডায়ালাইসিস হয় এখানে। এখানে ক্যান্সার, হার্ট, লিভার, ওপেন হার্ট, কিডনি, বোনমেরু ট্রান্সপ্ল্যাট, ডায়াবেটিস, নিউরোসার্জারি, নিউরোলজি, দুর্ঘটনায় হতাহতসহ এমন কোনো রোগ নেই যার চিকিত্সা এখানে মেলে না।

করোনার এই সময়ে সাধারণ রোগীরা যখন অন্য কোনো সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিত্সা পাচ্ছেন না, সেখানে ভরসার আশ্রয়স্থল ছিলো এই হাসপাতাল। এখানে যারা চিকিত্সা নেন তাদের ৮০ ভাগই দরিদ্র। অধিকাংশকেই ফ্রি চিকিত্সা দেয়া হয়।

এখন দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র, সাধারণ রোগীরা হাসপাতাল থেকে বের হয়ে যাচ্ছেন। অনেকেই কাঁদছেন, কোথায় যাবেন? কীভাবে চিকিত্সা করাবেন? বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে চিকিত্সা করানোর সামর্থ্য নেই অধিকাংশ রোগীর। এখানে আরাম-আয়েশ নেই, কিন্তু উন্নতমানের চিকিত্সা মেলে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর ভলে সাধারণ রোগীদের চিকিত্সা পাওয়ার জায়গা সংকুচিত হয়ে যাবে। অনেক রোগী চিকিত্সার জন্য পথে পথে ঘুরে মারা যাবেন। মন্ত্রণালয় যদি সুষ্ঠু পরিকল্পনা নিত তাহলে ঢাকা মেডিক্যালকে বাইরে রেখেই করোনা চিকিত্সাব্যবস্থা করা যেত। এখন সাধারণ রোগীদের সংকট কয়েক গুণ বেড়ে যাবে। কারণ এই হাসপাতালে বোনমেরু ট্রান্সপ্ল্যান্টের মাধ্যমে শত শত ব্ল্যাড ক্যানসারের রোগী স্বাভাবিক জীবনে ফিরছে।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ফলে বিশ্বজুড়ে প্রতিদিনই পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে, এখন চিকিৎসক ও রোগী উভয়েই অপেক্ষা করছেন, কবে এই দুঃসময় শেষ হবে। আর সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুতেই যাতে অসুস্থ না হতে হয় এমন একটি চেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।


মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

© 2021 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh

// //