ইতিহাসের আলোকে বঙ্গবন্ধু হত্যা ও এর পরিণাম

জাতীয় শোক দিবস পনেরোই আগস্ট বৎসরান্তে ঘুরে ফিরে যখনই আসে, তখনই একদিকে বঙ্গবন্ধুসহ নিহতদের জন্য চরমতম দুঃখ- বেদনা আর অন্যদিকে হত্যাকারীদের প্রতি তীব্র ক্ষোভ-ঘৃণার সঙ্গে যে দুটো প্রশ্ন উত্থাপিত হয় তা হলো: বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হলো কেন? তাতে কি দেশ-জাতি জনগণের কোনো লাভ হয়েছে? মনের কোণে এ দুই প্রশ্ন উঠতোই না যদি জাতি এই দুই প্রশ্নে ঐকমত্য পোষণ করতো। সুদীর্ঘ প্রায় অর্ধশতক ধরে এই প্রশ্নে রাজনৈতিকভাবে দেশ বিভক্ত হয়ে আছে, কবে এই প্রশ্নের সম্পূর্ণ মীমাংসা হবে তা বলা অসম্ভব।

এটা ঠিক, গণতন্ত্রে বহুমত অপরিহার্য এবং তা সৌন্দর্যও বটে। তাই বলে হত্যা-ক্যু’ বিশেষত সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা এবং সাংবিধানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত একটি সরকারকে উৎখাত করার পক্ষে মতকেও গণতন্ত্রের সৌন্দর্য বলা যায় না। তবে এটাই বাস্তব আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধ শক্তি ক্ষমতায় গেলেই বঙ্গবন্ধুকে মর্যাদার সুউচ্চ আসন থেকে টেনে নামানো এবং নানাভাবে কলংকিত করার চেষ্টা হয়। শুরুতে যতটুকু ছিল, ক্রমে তার চাইতে বেশি করারই প্রচেষ্টা জোরদার হয়।

সেনাশাসক জিয়া সামরিক আইনের মধ্যে রাজনৈতিক তৎপরতা বন্ধ করলেন ঠিকই, কিন্তু রাজনৈতিক দল করতে গিয়ে ওই প্রচার অব্যাহত রেখেই বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করায় নিষেধাজ্ঞার ফরমান জারি করলেন। বঙ্গবন্ধুর স্বঘোষিত খুনীদের দূতাবাসে চাকরি দিলেন। সপরিবারে বঙ্গবন্ধু ও জেলখানায় জাতীয় চার নেতার হত্যার বিচার বন্ধ করতে ইমডেমনিটি বিল ফরমান দিয়ে জারি করলেন। বঙ্গবন্ধুর ছবি রাবারষ্টাম্প জাতীয় সংসদ থেকে উধাও হয়ে গেল। শোক প্রস্তাবকে তর্কবিতর্কের বিষয় বানিয়ে প্রহসনে পরিণত করা হলো। পাঠ্য পুস্তকে ইতিহাসের বিকৃতি ঘটানো হলো। সভানেত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা যখন স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করলেন, তখন বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগবিরোধী প্রচার তুঙ্গে তুলে একসময় প্রেসিডেন্ট জিয়া এমন পর্যন্ত বললেন, আওয়ামী লীগ বিদেশি অর্থে পরিচালিত একটি রাজনৈতিক দল।

বঙ্গবন্ধুর বাড়ি প্রত্যার্পণের সময় বিপুল সম্পদ পাওয়ার তালিকা প্রকাশ করা হলো, যার সঙ্গে পচাত্তরের তালিকার মিল না থাকায় তা মিথ্যা প্রমাণিত হলো। বিচারপতি সাত্তার আরো একধাপ অগ্রসর হয়ে বঙ্গবন্ধুর ছবি বাদ দিয়ে অফিস-আদালতে জাতীয় পাঁচ নেতা শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বর্তমান রাষ্ট্রপতির ছবি টানানোর নির্দেশ দিলেন। আর খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হয়ে জন্মদিন কেক কেটে পালন করতে শুরু করলেন। জিয়া পাকিস্তানের দালালদের দলে নিয়ে শাহ আজিজকে প্রধানমন্ত্রী বানালেন আর খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে ঘাতক-দালালদের মন্ত্রী বানালেন।

এই তো বঙ্গবন্ধুকে ব্যক্তিগতভাবে অমর্যাদাকর অবস্থায় ঠেলে দেওয়া বা হেয় প্রতিপন্ন এবং বঙ্গবন্ধুর শাসনামলকে কলংকিত করার উপাখ্যান! তাই বঙ্গবন্ধুকে কেন হত্যা করা হয়েছিল, তা জিয়ার বহুদলীয় গণতন্ত্রের স্বরূপ উদঘাটন করলেই উত্তর পাওয়া যাবে। তবে এর জন্য জাতীয় ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর অবস্থান ও অবদান বিবেচনায় নেওয়া ভিন্ন বিকল্প নেই।

বঙ্গবন্ধু ছিলেন ঠান্ডাযুদ্ধ যুগে এই মানচিত্রের ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে বাঙালি জাতির বীরত্বপূর্ণ সশস্ত্র ও সফল গণবিপ্লবের অনন্য মহানায়ক। জাতীয় দাবি ৬-দফা তুলে ধরা এবং সেই দাবিতে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ ও উদ্দীপ্ত করতে আগরতলা মামলার আসামী হয়ে তাঁকে ফাঁসিকাষ্টের মুখোমুখি হতে হয়। তবু তিনি পিছু হটেন না। মামলা থেকে নিঃশর্ত মুক্তি পেয়ে প্রচণ্ড আত্মশক্তি ও আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান হয়ে ‘পূর্ব বাংলার কণ্ঠস্বর’ ও ‘অবিসংবাদিত নেতা’ হয়ে ওঠেন। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের  মেজরিটি পার্টির নেতা হিসেবে স্বাধীনতা ঘোষণা করে বীরের মতো গ্রেফতার হন । এই গ্রেফতারের ভেতর দিয়ে তিনি যে বিচ্ছিন্নতাবাদী নন, বাঙালি জাতির ন্য্য্যা অধিকারের জন্য লড়াইতে নেমেছেন, এটা প্রমাণ করেন।

মূলত ফাঁসির রায় ও দড়িকে উপেক্ষা করে তিনি আপস ফরমূলাসহ বাঙালি জাতিবিরোধী সব ষড়যন্ত্র-চক্রান্তকে নস্যাৎ করে দিয়ে মার্কিন-চীন মদদপুষ্ট উগ্র ও বদ্ধ উন্মাদ পাকিস্তানের শাসক- শোষকের পরাজয় সম্ভব করে তুলেছিলেন। পাকিস্তানী জেলে তিনি দেশ ও পত্রপত্রিকা থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন। দেশের অবস্থা ও মানুষের মনোভাব জানার সুযোগ ছিল না। বাঙালি জাতির প্রতি তাঁর ছিল প্রগাঢ় আত্মবিশ্বাস। এর প্রতিদান বাঙালি জাতিও দিয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের যথাযথ নেতৃত্ব, মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস-বীরত্ব, দেশ নিয়ে এসেছে। তাই কবি গেয়েছেন, ‘একটি মুজিবুরের থেকে লক্ষ মুজিবুর...।’

বঙ্গবন্ধুর কাছে স্বাধীনতা মানে একটি মানচিত্র ছিল না। রাজনৈতিক স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনে অর্থনৈতিক-সামাজিক স্বাধীনতার পথে তিনি দেশকে অগ্রসর করতে চেয়েছিলেন। মুক্তিসংগ্রামকে অগ্রসর করার জন্য তিনি ধনতন্ত্র-সমাজতন্ত্র ঠান্ডাযুদ্ধ যুগের আহ্বান এবং জনগণের দাবি বিবেচনায় নিয়ে দেশজ পথে অগ্রসর হওয়ার জন্য ‘গণতন্ত্রের পথে সমাজতন্ত্র’ স্লোগান দিয়ে জাতীয় চারনীতি সামনে রেখে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ ও উদ্দীপ্ত করতে প্রয়াসী হয়েছিলেন। এটা সর্বাংশে সত্য যে, পাকিস্তানী আমলে জাতীয় স্বাধীকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং মুক্তিযুদ্ধের সময়ে জাতির সামনে বঙ্গবন্ধু যে সব ওয়াদা করেছিলেন এবং যেসব সময়ের প্রয়োজনে উত্থাপিত হয়েছিল, সেসব ইস্যুকে বাস্তবায়িত করতে প্রতিষ্ঠান ও আইন-কানুন প্রনয়ন করেছিলেন।

তবে পর্বতপ্রমাণ সমস্যা ছিল বাস্তবায়নের। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে খাদ্য ও তহবিলের চরম অভাব, প্রাদেশিক প্রশাসন দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার সমস্যা, প্রশাসনে স্বাধীনতাবিরোধীদের অবস্থান, চাটার দল ও রাতের বাহিনীর অপতৎপরতা, পাকিস্তানে আটকেপড়া পরাজিত দেশি-বিদেশিদের ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত প্রভৃতি সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়, কিন্তু যেটা তেমন আলোচনায় আসে না, তা হলো গণতন্ত্রের পথে সমাজতন্ত্র ও জাতীয় চারনীতি বাস্তবায়নের কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য বঙ্গবন্ধুর পাশে যথার্থভাবে দাঁড়ানোর জন্য রাজনৈতিক শক্তির উপস্থিতি ছিল না।

আওয়ামী লীগ প্রথমেই বিভক্ত হয়ে জাসদের জন্ম নেয়। বঙ্গবন্ধুর শাসনামলের সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা হচ্ছে, স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বদানকারী নেতা তাজউদ্দিনের নিষ্ক্রমণ এবং বিরোধিতাকারি খন্দকার মোশতাকের বাড়বাড়ন্ত। বঙ্গবন্ধু ‘চাটার দলের’ বিরুদ্ধে এতটা কথা বললেন, কিন্তু কেন এই বিড়াল তপস্বী সরালেন না, তা ইতিহাসের এক অমীমাংসিত ঘটনা। এই দলাদলির মধ্যে দলের মধ্যে যে দুর্নীতি ও সশস্ত্র গ্রুপের অবস্থান ছিল, তা ত্রাণমন্ত্রী মিজান চৌধুরীকে পদত্যাগে বাধ্য করা এবং ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রধানের সাতখুন এর উদাহরণ।

কখনও রেশনকার্ড উদ্ধার, কখনো চোরাচালানী-মজুদদারী ঠেকাতে বঙ্গবন্ধু আর্মি পর্যন্ত নামিয়েছিলেন, কিন্তু অসৎ ব্যবসায়ী-আমলা- রাজনৈতিক নেতাদের গণবিরোধী ত্রিচক্র ভাঙতে শর্ষেতে ভুত থাকার কারণে তা অগ্রসর করতে পারা যায়নি। দলই কেবল নয়, সামরিক- বেসামরিক প্রশাসনও বঙ্গবন্ধুর পাশে দাঁড়ায়নি। বাস্তবে ‘রাতের বাহিনী’ ও ‘চাটার দল’ বঙ্গবন্ধুর প্রবর্তিত সংসদীয় গণতন্ত্র ব্যবহার করেই সংসদীয় গণতন্ত্র অকেজো করে দেয়। শেষ পর্যন্ত বিদেশ-দেশ-দলের মানুষ্যসৃষ্ট দুর্যোগের মধ্যে আসে প্রাকৃতিক দুর্যোগ। তবুও যুগের আহ্বানে একদল গঠন করে বঙ্গবন্ধু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছিলেন, দেশের অবস্থার উন্নতি হচ্ছিল, কিন্তু ঘাতকরা পরিস্থিতি ভালোর দিকে যাচ্ছে অনুধাবন করে, পরিকল্পিতভাবে সুযোগের সদ্ব্যবহার করে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালিকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়।

সমাজতন্ত্র-ধনতন্ত্র ঠান্ডাযুদ্ধ যুগের বিশ্বের শ্রেষ্ঠ জননায়কের মধ্যে সামনের সারিতে রয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বিশ্ব ইতিহাসে বঙ্গবন্ধু অমর থাকবেন এ জন্য যে, তিনি জাতি-ধর্ম পেশা-শ্রেণী নির্বিশেষে  বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে মানবমুক্তি ও নিপিড়িত জাতির মুক্তিসংগ্রামের কাফেলায় যুক্ত করেছিলেন। এই ঐক্য ছিল উপমহাদেশের রাজনীতির ক্ষেত্রে অনন্য। ক্ষুধা-দারিদ্র-বেকারত্ব-শোষণ-বঞ্চনা এবং সাম্প্রদায়িকতা-অন্ধত্ব-কুসংস্কারের বিপরীতে যে স্বপ্ন মানব জাতিকে মুক্তির পথ দেখায়, সেই পথে অগ্রসর হওয়ার জন্য জাতিকে জাতীয় চারনীতির ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর শাসন ছিল স্বাধীনতাপূর্ব বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামেরই অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ, ধারাবাহিকতা।

বঙ্গবন্ধু গণতন্ত্র হত্যা করেছেন থেকে শুরু করে তাকে ‘স্বৈরাচার’ পর্যন্ত বলা হয়। কিন্তু দেশের ইতেহাসে প্রথম সংবিধানের ভিত্তিতে পার্লামেন্ট প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে পার্লামেন্টের সিদ্ধান্ত ছাড়া তিনি একপাও অগ্রসর হননি। জেনারেল ওসমানী আইয়ুব খানের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুকে তুলনা করেও নিজ অবস্থানে বহাল তবিয়তে থাকতে পেরেছেন। মওলানা ভাসানী থেকে প্রেসিডেন্ট জিয়া ব্যতিক্রম বাদে সবাই তো ছিলেন একদল বাকশালের পক্ষে।

বাস্তবে বঙ্গবন্ধুই কেবল নয়, তাঁর বংশ জীবিত থাকলে বাংলাদেশকে জন্মলগ্নের তথা মুক্তিযুদ্ধের মর্মবাণী জাতীয় চারনীতি থেকে সরিয়ে উল্টোমুখি করা যেতো না। বাঙালি জাতিসত্তাকে ধ্বংস করতে মানি ইজ নো প্রবলেমের অর্থনীতি, ক্যান্টনম্যন্টে বসে দল করা এবং সাম্প্রদায়িকতাকে লালন-পালন ও আস্কারা দেওয়ার  লক্ষ্যই ছিল রাজনীতি রাজনীতিকদের জন্য কঠিন করে তোলা। এর গভীরতা ও ব্যপ্তি এতটাই ছিল যে, বর্তমানের রাজনীতিতেও এই অশুভ ধারার বাড়বাড়ন্ত দৃশ্যমান। সার্বিক বিচারে বঙ্গবন্ধুকে কেবল তাঁর শত্রু বা বিরোধিরাই বিচ্ছিন্ন করছেন না, ছবি টানিয়ে, বঙ্গবন্ধুর উদ্ধৃতি আওড়িয়ে, কবিতা-গান গেয়ে যারা ক্ষমতা ব্যবহার করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শবিরোধী কাজ করছেন; তারাও খুব একটা কম করছেন না।

করোনার পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ কার্যত বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যযুদ্ধে রূপ নেওয়ায় দেশের অর্থনৈতিক সংকট ক্রমেই বাড়ছে। এই সংকট আরো বাড়তেই থাকবে বলে অনুমান করা যায়। এটা স্বতঃসিদ্ধ যে, অর্থনৈতিক সংকট রাজনৈতিক সংকটকে গভীর ও প্রশস্ত করে এবং গণমনে তীব্র হতাশা সৃষ্টি করে। এতে দলের বাইরের একাত্তরের পরাজিত শক্তি আর ভেতরের ‘চাটার দল’ সুযোগ খোঁজে এবং প্রতিক্রিয়ার ওপর ভর করে। বঙ্গবন্ধু হত্যা ও ক্যু-পাল্টা ক্যুর অভিজ্ঞতা থেকেও এর প্রমাণ মিলবে। এদিকে নির্বাচনও এগিয়ে আসছে। পূর্বাপর সব দিক বিবেচনা করে জাতীয় রাজনীতির মূলধারার দলগুলো ওই অভিজ্ঞতা সামনে রেখে যথাযথ কাজগুলো করুক, এটাই শোকের মাসের একান্ত কামনা।

বঙ্গবন্ধু ছিলেন ঠান্ডাযুদ্ধ যুগে এই মানচিত্রের ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে বাঙালি জাতির বীরত্বপূর্ণ সশস্ত্র ও সফল গণবিপ্লবের অনন্য মহানায়ক। জাতীয় দাবি ৬-দফা তুলে ধরা এবং সেই দাবিতে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ ও উদ্দীপ্ত করতে আগরতলা মামলার আসামী হয়ে তাঁকে ফাঁসিকাষ্টের মুখোমুখি হতে হয়। তবু তিনি পিছু হটেন না। মামলা থেকে নিঃশর্ত মুক্তি পেয়ে প্রচণ্ড আত্মশক্তি ও আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান হয়ে ‘পূর্ব বাংলার কণ্ঠস্বর’ ও ‘অবিসংবাদিত নেতা’ হয়ে ওঠেন। 

সাম্প্রতিক দেশকাল ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

© 2022 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh

// //