নতুন বছরের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ

এক.
নতুন বছর মানেই জাতির সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ। দেশ ও জনগণের জন্য কাজ করলে সাফল্য ও অর্জন যেমন থাকে,  কোনো কোনো ক্ষেত্রে তেমনি দুর্বলতা, সীমাবদ্ধতা, ব্যর্থতাও স্পষ্ট হয়। এটা তো ঠিক যে, রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক-সামাজিক কাজে সরকারের সাফল্য হচ্ছে জাতির সাফল্য। সাফল্য ও অর্জনের ওপর দাঁড়িয়ে সীমাবদ্ধতা, ব্যর্থতাকে জয় করে নব নব সাফল্য ছিনিয়ে আনার ক্ষেত্রে যে প্রত্যয় জন্ম নেয়, সেটাই হচ্ছে নতুন চ্যালেঞ্জ।

কেবল সরকার ও সরকারি দল নয়- বিরোধী রাজনৈতিক দল, শক্তি, ব্যক্তি ও সুশীল সমাজ সবাইকে অর্থাৎ বিভিন্ন দল-মত-পথ নিয়েই জাতি এগিয়ে চলে। গণতান্ত্রিক সমাজে যার যার অবস্থানে দাঁড়িয়ে যথাযথ ভূমিকা গ্রহণের ভেতর দিয়েই জাতি সাফল্য ও অর্জনের পথে এগিয়ে যেতে পারে। বিরোধী দল হচ্ছে রাষ্ট্র ও সরকার ব্যবস্থার অপরিহার্য অঙ্গ।

সরকারের সাফল্য-অর্জন এবং দুর্বলতা সীমাবদ্ধতা ব্যর্থতাকে বিবেচনায় নিয়ে বিবৃতি-বক্তৃতা-লেখনী ও সভা-সমাবেশে সমালোচনার ভেতর দিয়ে প্রতিটি ক্ষেত্রে বিকল্প কর্মসূচি দিয়ে বিরোধী দল ও শক্তিগুলোকে অগ্রসর হতে হয়। এজন্যই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী দলকে বলা হয়ে থাকে ‘ছায়া সরকার’।

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ছায়া সরকার কতটুকু কী ভালো-মন্দ ভূমিকা পালন করল, এর সাফল্য-ব্যর্থতা দিয়ে বিরোধী দলের কাজের মূল্যায়ন হয়। এই মূল্যায়নের ওপর দাঁড়িয়েই বিরোধী দল নির্বাচনে সরকারি দলের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামে। আমাদের দেশের দুর্ভাগ্য যে, বিগত অর্ধ শতকের বেশি সময়েও ছায়া সরকার ব্যবস্থা দাঁড়াতে পারেনি। সংসদ নির্বাচন বয়কট, সংসদ থেকে পদত্যাগ, সরকারের উৎখাত প্রভৃতিই হয় রাজনীতির প্রধান অবলম্বন। এর সঙ্গে যুক্ত থাকে প্রভাবশালী বিদেশিদের কাছে ধরনা।

স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর আমলে সংসদীয় গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার সুযোগ নিতে না পারা, সুদীর্ঘ বছর হত্যা-ক্যু-পাল্টা ক্যু, প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সামরিক আইন ও প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের কবলে পড়া অর্থাৎ রাজনীতি ক্যান্টনমেন্টে বন্দি থাকার কারণেই যে রাজনীতিতে মাঠ দখলের শক্তির মহড়া প্রধান হয়ে উঠেছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বাস্তবে রাজনীতি রাজনীতির মধ্যে নেই। রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক কর্মসূচির ভালো-মন্দ নিয়ে দলগুলোর প্রতিযোগিতা হয় না।

ফলে প্রতিহিংসা হয় রাজনীতির অনুষঙ্গ। রাজনীতির ক্ষেত্রে মাঠ দখলের শক্তির মহড়া এবং বিদেশিদের কাছে ধরনা  থেকে বের করতে পারাটাই হচ্ছে আগামী দিনগুলোতে জাতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

তবে আলোচনা থেকে এমনটা মনে করার কোনো কারণ নেই যে, বিগত বছরগুলোতে রাজনীতিতে আমাদের কোনো সাফল্য বা অর্জন নেই। সাফল্য অবশ্যই রয়েছে:

প্রথমত দেশের ইতিহাসে এই প্রথম বারের মতো সুদীর্ঘ প্রায় ১৪ বছর দেশের রাজনীতিতে অবৈধ শক্তি বা আর্মির হস্তক্ষেপ নেই। প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সামরিক শাসন নেই, বাধা-বিঘ্ন, সমস্যা-সংকট সত্ত্বেও সাংবিধানিক ধারা অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ নির্বাচন সব দলের অংশগ্রহণের ভেতর দিয়ে হয়েছে। সংবাদ ও তথ্য প্রবাহের স্বাধীনতা রয়েছে। রাজনীতি উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। 

দ্বিতীয়ত উগ্র জঙ্গি তৎপরতা বন্ধ রয়েছে। বাংলাভাই ও মুফতি গংয়ের অবাধ তৎপরতা বন্ধ রয়েছে। তবে সম্প্রতি পুলিশ হেফাজত থেকে দুই জঙ্গির পলায়নের ভেতর দিয়ে প্রমাণ হচ্ছে, এসব গণশত্রু এখনো সক্রিয় রয়েছে। 

তৃতীয়ত বিশ্বের দেশে দেশে উগ্র জাত্যাভিমান, সাম্প্রদায়িকতা-ধর্মান্ধতা ও দক্ষিণপন্থার বাড়বাড়ন্ত হলেও বাংলাদেশে তা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বিভিন্ন ইস্যুতে ধর্মান্ধদের ছাড় দেওয়াটা নীতিবিরুদ্ধ নাকি বাস্তবতার চাপে কৌশলের অংশ, তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও মুক্তিযুদ্ধে  নেতৃত্বদানকারী জাতীয় মূলধারার প্রধান রাজনৈতিক দল যে ক্ষমতা রয়েছে, এটাও কম বড় অর্জন নয়। যুগপৎ আন্দোলনের নামে জোট ভেঙে জামায়াত আবারও ২০১৪ সালের মতো মারমুখী হয়ে উঠতে চাচ্ছে। পুলিশের গায়ে হাত দিতে সাহস পাচ্ছে।

চতুর্থত জনসমর্থনহীন ও অগ্নি সন্ত্রাসের মাধ্যমে হরতাল-ঘেরাও হয়ে দিনের পর দিন কর্মদিবস, উৎপাদন ও জাতীয় সম্পদ নষ্ট হচ্ছে না। 

পঞ্চমত কোভিড-পরবর্তী যুদ্ধ ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যে সারা বিশ্ব যখন ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ ও উত্তপ্ত; নানামুখী টানাপড়েন যখন ক্রমেই বাড়ছে, তখন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক কূটনীতিতে সাফল্য পাচ্ছে। 

বলাই বাহুল্য, সীমাবদ্ধতা-দুর্বলতাগুলো বিবেচনায় নিয়ে তা থেকে মুক্ত হওয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার সঙ্গে সঙ্গে উল্লিখিত অর্জনগুলো সমুন্নত রাখাও হবে আগামী দিনের রাজনীতির জন্য চ্যালেঞ্জ। প্রসঙ্গত রাজনীতি ও অর্থনীতি পরস্পর হাত ধরাধরি করে অগ্রসর হয়। একটা অপরটার পরিপূরক। এটা সর্বজনস্বীকৃত যে, ইতোমধ্যে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দাভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে এবং আগামী বছর রাজনীতির নানা অভিঘাতে অর্থনৈতিক সংকট আরও ঘনীভূত হবে। এই অবস্থায় সরকার ও বিরোধী দল কারও পক্ষেই রাজনৈতিক সংকট গভীর করার পথে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ সঙ্গত হবে না। 

দুই.

২০২২ সাল জাতির অর্থনৈতিক অগ্রগতির ইতিহাসে অমোচনীয় কালিতে লিপিবদ্ধ থাকবে চারটি অর্জন : স্বপ্নের পদ্মা সেতু, বহু আকাক্সিক্ষত মেট্রোরেল, শতভাগ মানুষের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছানো, কোভিড টিকার বুস্টার ডোজ প্রদান। ২০০৬ সালের এপ্রিলে বিদ্যুতের দাবিতে কানসাটের বিয়োগান্তক ঘটনা কিংবা মে মাসে বিদ্যুৎ ও পানির জন্য ডেমরার শনির আখড়া রণক্ষেত্র হওয়ার কথা এখনো স্মরণে আসে।

ওই বছর ৯ মে প্রকাশিত খবরে জানা গিয়েছিল, বিগত ৫ বছরে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে ২ হাজার মেগাওয়াট, উৎপাদন বেড়েছে মাত্র ৪৩০ মেগাওয়াট। বিশ্বব্যাংক সরে পড়ার পর ভাবা যায়নি, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু হবে। আর মেট্রোরেল! এটা তো জনগণের দাবির মধ্যেও ছিল না। সর্বোপরি উন্নত দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কোভিড টিকার বুস্টার ডোজ প্রদান করা সম্ভব হয়েছে। 

ধারাবাহিকভাবে চলমান ও অভাবিত চার সাফল্য 

(ক) কোভিডের সময়কালে এবং বর্তমানে অস্ত্র ও অর্থনৈতিক যুদ্ধের মধ্যেও কৃষি আমাদের শান্তি ও স্বস্তি দিচ্ছে। শত দুর্যোগের মধ্যে বাংলাদেশ এখনো দানাদার খাদ্যশস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা ধরে রেখেছে। বিগত ২০২১-২২ অর্থবছরে চালের উৎপাদন ৪ কোটি ৪ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে, যা সর্বকালের রেকর্ড অতিক্রম করেছে। বিগত ১৪ বছরে চালের উৎপাদন ২৯%, গম ৩৭%, ভুট্টা ৬৭১%, আলু ১১০%, ডাল ৩২৮%, সবজি ৬৪৫%, পেঁয়াজ ৩৯৫% বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশের কৃষির এই সাফল্য বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ বিশ্বে ধান উৎপাদনে ৩য়, সবজি ও পেঁয়াজ উৎপাদনে ৩য়, পাট উৎপাদনে ২য়, চা উৎপাদনে ৪র্থ এবং আলু ও আম উৎপাদনে ৭ম স্থানে রয়েছে। বিগত এক যুগে প্রাণিজ আমিষের প্রধান উৎস দুধ, মাংস ও ডিমের উৎপাদন যথাক্রমে প্রায় ৪ গুণ, ৬ গুণ ও ৩ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি জনপ্রতি খাদ্য, দুধ, মাংস ও ডিমের প্রাপ্যতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

(খ) সামাজিক সুরক্ষা বলয়ে ২০১৬ সাল পরিচালিত খানা জরিপে দেখা যায়, দেশের ২৮.৭ শতাংশ পরিবার সামাজিক সুবিধা ভোগ করেছে। বিগত পাঁচ বছরে শিক্ষা উপবৃত্তি, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি, বয়স্ক ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তদের ভাতা, আমার বাড়ি আমার খামার, আশ্রয়ণ প্রকল্প, কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি, টিআর, জিআর, দুস্থ মাতাদের জন্য খাদ্য (ভিজিডি), চর জীবিকায়নসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান’ নামে একটি প্রকল্পে প্রতিবছর গড়ে ১ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে ৮ লাখ মানুষের ৮০ দিনের কর্মসংস্থান করা হয়েছে। ‘আমার বাড়ি আমার খামার’ প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ ২০ হাজার ৩২৫টি গ্রাম উন্নয়ন সমিতি গঠন করে ৫৬ লাখ ৭৭ হাজার পরিবারকে উপকারভোগী বাছাই করা হয়েছে। ২০০৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ৫ লাখ ৭ হাজার ২৪৪টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে পুনর্বাসন করা হয়েছে।

(গ) ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে আওয়ামী লীগ সভাপতি ‘দিন বদলের কর্মসূচি’ উত্থাপন করে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছিলেন। বাস্তবে যা ছিল স্লোগান, তা আজ সত্য হতে চলেছে। বিগত ১৩ বছরে মানবসম্পদ উন্নয়নের আওতায় আইটি ফ্রিল্যান্সিং, সফটওয়্যার শিল্প, হার্ডওয়্যার শিল্প, ই-কমার্স ইত্যাদি খাতে ২০ লক্ষের বেশি তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান হয়েছে।

দেশব্যাপী স্থাপন করা হয়েছে ১৩ হাজার ‘শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব’। বাংলাদেশে আজ রয়েছে ১৮ কোটি মোবাইল সংযোগ আর ১৩ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নের ফলে সাধারণ মানুষ আজ সরকারি সেবার পেছনে ছুটছেন না, বরং সেবা চলে যাচ্ছে মানুষের দোরগড়ায় এবং আঙুলের ডগায়। 

(ঘ) বছরের প্রথম দিনে বিনামূল্যে নতুন পাঠ্য বই বিতরণেও বাংলাদেশ এখন বিশ্বের রোলমডেল। ২০২২ শিক্ষাবর্ষের শুরুতে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, এবতেদায়ি, দাখিল, দাখিল (ভোকেশনাল), এসএসসি (ভোকেশনাল) ও কারিগরি স্তরের ৪ কোটি ১৭ লক্ষ ২৭ হাজার জন শিক্ষার্থীর মাঝে ৩৪ কোটি ৭১ লক্ষ ৪০ হাজার কপি পাঠ্যপুস্তক বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া ২০২২ শিক্ষাবর্ষে পাঁচটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাঝে ২ লাখ ১৩ হাজার ২৮৮ কপি পাঠ্যপুস্তক বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।

সার্বিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে চমকপ্রদ অগ্রগতির স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক মূল্যায়নে নিম্ন আয়ের দেশ থেকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। ২০১৮ ও ২০২১ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে (এলডিসি) উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি অর্জন করে।

রূপকল্প-২০২১ নির্ধারিত মাথাপিছু আয়ের লক্ষ্য অর্জন এবং বাংলাদেশের জাতিসংঘ কর্তৃক উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পাওয়া এখন নিশ্চিতপ্রায়। এতেই আমরা আত্মন্তুষ্ট হয়ে থাকব না। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার অভিঘাতে ডলারের মূল্য বেড়েছে, টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে। গম, ভোজ্য তেল, জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত গ্যাস (এলএনজি), সার, তুলা, ডাল, চিনি প্রভৃতি পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি দেশের অর্থনীতি ও জনগণের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। 

এই চাপ সহ্য করে উল্লেখিত অর্জন ও সাফল্যগুলোর ওপর ভিত্তি করে নতুন নতুন সাফল্য ছিনিয়ে আনাটাই আগামী দিনগুলোতে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে প্রধান চ্যলেঞ্জ। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আমরা যদি এগোতে পারি, তবে  বিশ্বসভায় আমরা মর্যাদার আসনে সুপ্রতিষ্ঠিত হতে পারব।

কলাম লেখক 

রাজনীতিক

সাম্প্রতিক দেশকাল ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad

মন্তব্য করুন

Epaper

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

Logo

ঠিকানা: ১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

© 2023 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh

// //