
১৯৯৫ সালের ২৭ আগস্ট, ইয়াসমিন নামের এক বালিকার ওপর পুলিশি পাশবিকতা ও হত্যা ঘটনার প্রতিবাদ ও বিচার দাবিতে জনতার শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছিল কয়েকটি তাজা প্রাণ। মতান্তরে সাত কিংবা তারও বেশি হলেও বাস্তব প্রমাণ পাওয়া গেছে আব্দুল কাদের, মেহরাব আলী সামু আর সিরাজের নাম। তারা ওই দিন শহরের ব্যস্ততম এলাকা লিলিমোড় ও আশপাশে নিহত হন।
ঘটনার কেন্দ্রে আছে ইয়াসমিন নামের এক বালিকা, ১৪ বছর বয়স। দিনাজপুর শহরের রামনগর এলাকার দরিদ্র স্বামী পরিত্যক্তা শরীফা বেগমের মেয়ে। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তার মেয়ে ইয়াসমিন ঢাকায় গৃহপরিচারিকার কাজ করত। ইয়াসমিন সেখানে আট-নয় মাস কাজ করার পর নিজ বাসায় ফেরার জন্য ছটফট করতে থাকে। কিন্তু ছুটি না পাওয়ায় ২৩ আগস্ট ওই পরিবারের ছেলেকে স্কুলে পৌঁছে দিয়ে কাউকে কিছু না জানিয়ে একাই দিনাজপুরের উদ্দেশে রওনা হয়ে যায়। সে উঠে পড়ে দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁওগামী নৈশকোচ ‘হাছনা এন্টারপ্রাইজ’-এ। কোচটি ঠাকুরগাঁও শহরে চলাচল করে, দিনাজপুর শহর নয়। দিনাজপুর শহরে যাওয়ার জন্য দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁও-রংপুরের জন্য টার্নিং পয়েন্ট বা সংযোগ স্থান দশমাইল এলাকায় এসে অন্য বাস বা যানবাহন ধরতে হয়। ইয়াসমিনের কাছে কোচভাড়া ছিল না। কোচটি দিবাগত রাত ২৪ আগস্ট ভোর তিন থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে দশমাইলে পৌঁছে। তখন ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে মাত্র। অনেকটাই অন্ধকার। তবে যাত্রাপথের সংযোগ এলাকা বলে দশমাইলে চায়ের স্টল খাবারের দোকান প্রায় খোলা জনসরগরম থাকে। কোচের সুপারভাইজার খোরশেদ আলম ও হেলপার সিদ্দিকুর রহমান ইয়াসমিনকে জোবেদ আলীর চা-স্টলে নামিয়ে দেয়। তারা স্টল মালিককে এই বলে অনুরোধ করে যে, মেয়েটিকে যেন দিনাজপুরগামী কোনো গাড়িতে উঠিয়ে দেওয়া হয়। জানা যায়, সে সময় আর একজন যাত্রীও বাস থেকে নামে, যার নাম জয়ন্ত এবং বাড়ি ঠাকুরগাঁও কলেজ রোডে। কোচ থেকে নেমে জয়ন্ত ও ইয়াসমিন হাফিজুলের চা-স্টলে বসে, যা জোবেদ আলীর চা-স্টলের কাছেই। তারা সেখানে নাশতা খায়। তারপর তারা সামনের রাস্তায় কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করে।
কোচের সুপারভাইজার একাকী কিশোরীকে তার অপরিচিত স্থানে নামিয়ে দিলে দশমাইলের কয়েকজন স্ব-উদ্যোগী মানুষ তাকে নিরাপদে দিনাজপুর পৌঁছে দেওয়ার তাগিদ অনুভব করে। সেই প্রেক্ষিতে আবদুর রহিম নামক এক পান দোকানদার ইয়াসমিনকে জিজ্ঞেস করে যে, সে কীভাবে দিনাজপুর শহরের রামনগর মহল্লায় যাবে। তখন জয়ন্ত বলে যে, সে দিনাজপুর যাবে এবং তাকে পৌঁছে দেবে। এতে আবদুর রহিম ও অন্য কয়েকজন আপত্তি জানিয়ে বলে যে, যেহেতু কোচের সুপারভাইজার তাদের ওপর দায়িত্ব দিয়ে গেছে, সেহেতু তারাই ইয়াসমিনকে দিনাজপুরগামী গাড়িতে তুলে দেবে। এ রকম পরিস্থিতিতে সেখানে বীরগঞ্জ থেকে একটি পুলিশ পিকআপ ভ্যান নং ‘ম-০২-০০০৭’ এসে পড়ে। পিকআপের ড্রাইভার অমৃতলাল জটলার কাছে গিয়ে বিষয়টি জানতে চায়। পিকআপে আরো দুজন বসে ছিল, তারা হলো এ এস আই মইনুল এবং আব্দুস সাত্তার। অমৃতলাল সরাসরি ইয়াসমিনকে বাড়ি কোথায় জিজ্ঞেস করে। এরপর ঘটনার আনুপুর্বিক জানা হলে সে বলে, আমরা দিনাজপুর যাচ্ছি, আমাদের সাথে চলো, পৌঁছে দেব।
অবশেষে ইয়াসমিন পুলিশের পিকআপ ভ্যানে ওঠে। পিকআপ ভ্যানটি রওনা দেয় ও কিছুক্ষণ পর সেখান থেকে আড়াই-তিনশ গজ দূরত্বে সাধনা প্রাইমারি স্কুলের কাছে থেমে আবার কিছুটা পেছনে এসে দাঁড়িয়ে যায়। দশমাইলের জনতা প্রত্যক্ষ করে যে, পুলিশ টর্চ দিয়ে কিছু একটা বা কাউকে খুঁজছে। রাস্তা সোজা বলে সবকিছু দৃশ্যমান ছিল। এ সময় ওই স্কুলের দিক থেকে ধানবোঝাই দুটি রিকশা ভ্যান আসছিল এবং পুলিশ তাদের জিজ্ঞেস করে যে, তাদের পিকআপ থেকে যে মেয়েটি লাফ দিয়েছে তাকে তারা দেখেছে কিনা? তারা নেতিবাচক জবাব দেয়। ওই মুহূর্তে ঢাকা থেকে দিনাজপুরগামী একটি নৈশ কোচ ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল এবং সেই কোচের হেডলাইডের আলোয় পুলিশ ও উল্লিখিত রিকশাভ্যান চালকেরা দেখতে পায়, ইয়াসমিন রাস্তার ওপর পড়ে আছে। এরপর পুলিশ তাকে পিকআপ ভ্যানে তুলে নেয়।
পরবর্তী সময়ে ওই এলাকার লোকজন সাধনা স্কুলের ওখানে রাস্তায় রক্তের দাগ দেখতে পায়। আশপাশে ইয়াসমিনের জুতা, রুমাল, হাতপাখা ও ভাঙা চুড়িও পড়েছিল। লোকজন সেসব দেখে সেখান থেকে দশমাইলে ফিরে যায়। এর তিন ঘণ্টা পরে গোবিন্দপুর সড়কে ব্র্যাক অফিসের সামনে ইয়াসমিনের মৃতদেহ পাওয়া যায়। সে সময় কয়েকজনের জবানিতে জানা যায় যে, একটি পুলিশ ভ্যান থেকে ‘কিছু একটা’ ফেলে দেওয়া হয়েছে। এরপরের ঘটনা খুব দ্রুত ঘটতে থাকে।
ওই দিন ২৪ আগস্ট ১৯৯৫ দশমাইল মোড়ে সকাল ১০টায় পূর্ব মল্লিকপুর কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদের সভাপতিত্বে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি, উত্তরণ সংঘ ও স্পোর্টস ক্লাব ইত্যাদি সংগঠন যৌথভাবে এক প্রতিবাদ সভা করে। তারা ঘটনার প্রতিবাদ ও ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ন্যায়বিচার দাবিতে ওই সড়কে দুই ঘণ্টা যান চলাচল অবরোধ করে রাখে। দিনাজপুর কোতোয়ালি পুলিশ বিষয়টি সামাল দেওয়ার জন্য ‘একজন অজ্ঞাতপরিচয় যুবতীর লাশ উদ্ধার’ মর্মে ঘটনাটি সাজিয়ে থানায় একটি ইউডি মামলা ফাইল করে। লাশের তড়িঘড়ি ময়নাতদন্ত শেষে আঞ্জুমানে মুফিদুলের মাধ্যমে বালুবাড়ি শেখ জাহাঙ্গীর গোরস্তানে দাফন করা হয়। লাশের গোসল ও জানাজা করা হয় না। এখানে উল্লেখ্য, উত্তর গোবিন্দপুর এলাকায় পড়ে থাকা ইয়াসমিনের লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরির উদ্দেশ্যে কোতোয়ালি থানার এসআই স্বপন কুমার প্রকাশ্যে জনতার সামনেই লাশ উলঙ্গ করে ফেলে, যাতে উৎসুক জনতার মাঝে ক্ষোভের সঞ্চার হয়।
২৫ আগস্ট ১৯৯৫ দিনাজপুর শহরের স্থানীয় সংবাদপত্রগুলোতে ঘটনাটির পরস্পরবিরোধী ও বিভিন্ন রকম খবর প্রকাশিত হয়, যার ফলে নানা গুজব ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ স্থানীয় সাংবাদিক নামধারী হলুদ সাংবাদিকদের ক্রয় করার চেষ্টা করে ও নিহত ইয়াসমিনকে ‘পতিতা বানু’ বানাবার চক্রান্ত চালায়। অভিযোগ পাওয়া যায় যে, কিছু সংবাদপত্র দরদামে বনিবনা না হওয়ায় ও রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের নটবরদের নেপথ্য ইন্ধনে ঘটনাটির খবরে পরস্পরবিরোধী ও অস্বাভাবিক কভারেজ করে।
২৬ আগস্ট ১৯৯৫, ঘটনার বিষয়ে রামনগর মোড়ে মিটিং আহ্বানে মাইকিং হতে থাকে। মাইকিংয়ের রিকশা কোতোয়ালি থানা এলাকা পেরোবার সময় পুলিশ মাইক ভেঙে দেয়। এই ঘটনার খবর রামনগর এলাকায় পৌঁছায় এবং আশপাশের এলাকার লোকজন সংগঠিত হতে শুরু করে। ওই দিন সন্ধ্যা রাতে রামনগর মহল্লার মোড়ে ইয়াসমিনের গায়েবি জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে সমাবেশ থেকে রাত ১০টার দিকে প্রতিবাদী জনতা বিক্ষোভ মিছিল সহকারে কোতোয়ালি থানা ঘেরাও করে। তারা অভিযুক্ত তিন পুলিশ কর্তৃক ইয়াসমিন ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদ, ন্যায়বিচার ও শাস্তি দাবি করে। এ সময় পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিপেটা করে। এতে আট-দশজন আহত হয়। পুলিশ ছয় রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে। গুলির খবরে থানা ঘেরাওয়ে আরো শত শত মানুষ যোগ দেয় এবং তারা সারারাত থানা অবরোধ করে রাখে।
একজন পরিচিত বালিকাকে ‘অজ্ঞাতপরিচয়’ ও ‘পতিতা’ বানানো, তাকে সর্বসম্মুখে বে-আব্রু করা, গোসল ও জানাজা ছাড়া লাশ দাফন করা, সেই কবরে প্রহরার ব্যবস্থা নেওয়া, বানুকে মেরে কবরের লাশ বদলের পাঁয়তারা ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কিত পুলিশ ও প্রশাসনের রহস্যময় আচরণ জনমনে কৌতূহল ও বিক্ষোভ শতগুণে জাগিয়ে তোলে।
২৭ আগস্ট ১৯৯৫ সকাল থেকে শহরের পরিস্থিতি থমথমে। সকাল ১১টার দিকে ঘটনার প্রতিবাদ ও ন্যায়বিচার দাবিতে শহরে একটি বিশাল মিছিল বের হয়। মিছিল চলাকালে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, জনতা কর্তৃক পুলিশের ভ্যানে ইট-পাটকেল ছোঁড়া, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, পুলিশ কর্তৃক লাঠিপেটা ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ ইত্যাদি ঘটনা সংঘটিত হতে থাকে। সবচেয়ে বড় সংঘর্ষ হয় লিলিমোড় এলাকায়। এখানে একটি পুলিশ ফাঁড়ি থাকায় পুলিশ সেখানে বিক্ষোভকারীদের একজনকে আটক ও বেদম পেটাতে শুরু করে। জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চালায়। অন্যদিকে পুলিশ মিছিলে নির্বিচার লাঠিপেটা করতে থাকে। একপর্যায়ে দুপুর ১২টার দিকে পুলিশ জনতার ওপর গুলি চালালে আব্দুল কাদের নামক এক ব্যক্তি সঙ্গে সঙ্গে মারা যান। এ সময় জনতা ছত্রভঙ্গ হলেও তারা কাদেরের লাশ নিয়ে নেয়। এর কিছুক্ষণ পর লিলিমোড়ের উত্তরে জেলরোড এলাকায় মেহেরাব আলী সামু নামে আরেক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন। তিনি ক্রলিং করে একটি আইল্যান্ডে লুটিয়ে পড়েন। তিনি তখনো জীবিত ছিলেন। পুলিশ তার দিকে এগিয়ে এসে লাথি মেরে টেনেহিঁচড়ে পিকআপ ভ্যানে তোলে। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি তাকে বাঁচানোর জন্য পুলিশকে অনুরোধ করে, কিন্তু পুলিশ অচেতন সামুকে ভ্যানে তুলে পা দিয়ে চেপে ধরে। কিছুক্ষণ পর সামু মারা যান। একই সময় জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের বাউন্ডারি দেওয়ালে বসে থাকা আট-দশ বছরের এক ছেলেকে পুলিশ ধরে পিকআপ ভ্যানের সাথে আছড়ে মারে বলে শোনা যায়। একই দিন থানার সামনে অন্য একটি মিছিলে পুলিশ গুলিবর্ষণ করলে সিরাজ নামের এক রিকশাচালক গুলিবিদ্ধ হন। সিরাজ তখনো জীবিত ছিলেন, কিন্তু পুলিশ তাকে তুলে থানায় নিয়ে রেখে দেয়। সিরাজ সেখানে মারা যান। বিকালের দিকে উত্তেজিত জনতা ডিবি অফিসের দিকে মিছিল নিয়ে এগোলে পুলিশ সেখানেও জনতার ওপর গুলিবর্ষণ করে। এতে রেলওয়ে স্টেশন বস্তির একটি শিশু গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। এই লাশটিও গুম করা হয় বলে শোনা যায়।
ইয়াসমিন ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদ আন্দোলনে নিহত হয় সাত ব্যক্তি। কিন্তু পুলিশ ও প্রশাসন কর্তৃক লাশ গুম হওয়ার কারণে তিনজনের লাশ ও পরিচয় পাওয়া যায়। জনতা চারটি পুলিশ ফাঁড়ি, চারটি পুলিশ ভ্যানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। শহরের প্রধান প্রধান রাস্তায় কাঠ ও ইটের স্তূপ ফেলে রাখা হয়। এ ছাড়া টায়ার জ্বালিয়ে ব্যারিকেড দেওয়া হয়। ওই দিন শহরে কারফিউ জারি করা হয় এবং শহরের আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব বিডিআর বা বিজিবির হাতে দেওয়া হয়।
১৯৯৫ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৬ (৪) ধারায় অভিযুক্ত এসআই মইনুল হক, কনস্টেবল আব্দুস সাত্তার ও ড্রাইভার অমৃতলাল বর্মণের বিরুদ্ধে ইয়াসমিন ধর্ষণ ও হত্যার চার্জ গঠন করা হয়। অন্যদিকে পরিস্থিতি আরো অবনতি করা, দায়িত্বহীনতা ও হত্যার জন্য অন্য কয়েকটি মামলা বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১, ১০১ ও ৩৪ ধারা মতে রুজু করা হয়; যার প্রধান আসামি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ মোট ছয়জন। বিচারের বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে অভিযুক্ত এসআই মইনুল হক, কনস্টেবল আব্দুস সাত্তার ও ড্রাইভার অমৃতলাল বর্মণের বিরুদ্ধে ইয়াসমিন ধর্ষণ ও হত্যার চার্জ প্রমাণিত হয়। ২০০৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা ১ মিনিটে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে একই মঞ্চে তাদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।
পুলিশের দায়িত্বরত সদস্য কর্তৃক ইয়াসমিন ধর্ষণ ও হত্যার পরবর্তী ঘটনার সুযোগ অনেকেই নিয়েছে। এসব নিয়ে অনেক মিটিং-সেমিনার-টকশো হয়েছে। লিফলেট-পোস্টার জনতার হাতে হাতে ও দেওয়ালে দেওয়ালে শোভা পেয়েছে, কিন্তু মৃত ব্যক্তিদের সম্মান ও স্মরণার্থে শহরের বিভিন্ন রাস্তার যে নামকরণের কথা বলা হয়েছিল সেটি বাস্তবায়িত হয়নি।
লেখক : (ইয়াসমিন ট্র্যাজেডিতে নিহত মেহরাব আলী সমুর বড় ভাই)